Hindu Voice Team: হিন্দুদের ধর্মীয় শোভাযাত্রায় ইসলামিক মৌলবাদীদের হামলা ঘিরে উত্তপ্ত নেপালের একাধিক জেলা। হিংসা থামাতে বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করার পাশাপাশি জারি করা হয়েছে কারফিউ।
ঘটনার সূত্রপাত কোষী প্রদেশের সুনসারি জেলায়। গত ২৬শে জুলাই, রবিবার দেওয়ানগঞ্জে একটি কানোয়ার শোভাযাত্রায় হামলা চালায় ইসলামিক মৌলবাদীরা। শোভাযাত্রা এগিয়ে চলছিল কোষী নদীর দিকে। শোভাযাত্রা যখন মুসলিম অধ্যুষিত এলাকার মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় মুসলিমরা শোভাযাত্রা আটকায়। স্থানীয় মুসলিমরা দাবি জানায় যে শোভাযাত্রায় থাকা ডিজে মিউজিক বন্ধ না করলে শোভাযাত্রাকে যেতে দেওয়া হবে না। এ নিয়ে প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা হয়। এমন মুহূর্তে বেশ কিছু মুসলিম দুষ্কৃতী ধারালো অস্ত্র নিয়ে হিন্দুদের উপরে হামলা চালায়। হামলায় প্রাণ হারান ওম প্রকাশ মেহতা(৩০) নামে এক হিন্দু যুবক। ওই হামলায় আহত হন আরও বেশ কয়েকজন হিন্দু যারা শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন।
খবর অনুযায়ী, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলেও হামলা থামাতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয় পুলিশকে। এমনকি একাধিক পুলিশ কর্মী আহত হন। দেওয়ানগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর রাকেশ রাইও আহত হন।
ওম প্রকাশ মেহতার মৃত্যুর খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে নেপালের একাধিক জেলা। ইতিমধ্যেই বহু স্থানে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন হিন্দু জনতা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও কোনরকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশের টহলদারির পাশাপাশি বাড়তি বাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে।
পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সুনসারি জেলার একাধিক থানা এলাকায় কারফিউ জারি করা হয়েছে। জেলাশাসক বাসুদেব ঘিমিরে হারিঙ্গারা, ভুতাহা, ক্যাপ্টেনগঞ্জ, ঘুসকি ও দেওয়ানগঞ্জ এলাকায় গত সোমবার থেকে কারফিউ জারি করার নির্দেশ দেন।
কোষী প্রদেশের পাশাপাশি মধেশ প্রদেশের ধানুসা ও সিরাহা জেলায় কারফিউ জারি করা হয়েছে।
নেপালের একাধিক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, হিংসা নিয়ে চিন্তিত প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। ইতিমধ্যেই জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বালেন্দ্র শাহ।
(The above piece is written based on a report published by OpIndia. You can read the original report
HERE )