চীন: দীপাবলির বাজি নেই, তবুও ভয়াবহ বায়ু দূষণে ঢেকেছে আকাশ-বাতাস, বন্ধ স্কুল ও সরকারি অফিস

0
69

ভয়াবহ বায়ু দূষণের কবলে চীন। দূষণের মাত্রা এতটাই বেশি যে সাদা ধোঁয়াশায় ঢেকে গিয়েছে চীনের বড়ো বড়ো শহরের আকাশ-বাতাস। পরিস্থিতির এতটাই অবনতি হয়েছে যে দূষণের কারণে শিশু ও কিশোরদের বাঁচাতে স্কুল-কলেজ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সরকারের তরফে। পাশাপাশি, দূষণ নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত সমস্ত সরকারি অফিস বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার চীনের রাজধানী বেজিংয়ের বায়ু গুণমান সূচক(Air quality Index)-এর স্তর ২৫০-এর কাছাকাছি ছিল। কিন্তু সুরক্ষিত স্তর হওয়ার মাত্রা ২৫ থেকে ৭০-এর মধ্যে। আর এই দূষণের ফলে রাজধানীর বড়ো বড়ো বিল্ডিং অদৃশ্য হয়ে গিয়েছে। পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে সরকারি অফিস ও স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

তবে চীনে এই ভয়াবহ বায়ু দূষণের কারণ খুঁজতে ব্যস্ত বিশেষজ্ঞরা। চীনে দীপাবলি নেই এবং বাজি-পটকাও জ্বালানো হয় না। তা সত্বেও কেন এই ভয়াবহ বায়ু দূষণের শিকার হলো, তা খুঁজতে ব্যস্ত তাঁরা।

বিশেষজ্ঞরা এই বায়ু দূষণের কারণ হিসেবে চীনের অত্যধিক কয়লা নির্ভরতাকে দায়ী করছেন। তাঁরা বলছেন, চীনের উৎপাদিত বিদ্যুতের ৬০% কয়লা থেকে আসে। এছাড়াও, গ্রামের দিকে জ্বালানি হিসেবে কয়লার ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। এর পাশাপাশি কারখানাতে ব্যাপকভাবে কয়লার ব্যবহার রয়েছে। আর সেই কারণেই দেশটি ভয়াবহ বায়ু দূষণের কবলে পড়েছে।

তবে এই বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে তেমন কোনও পদক্ষেপ নেয়নি চীনের সরকার। কারণ এর আগে স্কটল্যান্ডে চলা জলবায়ু পরিবর্তন সম্বন্ধীয় আলোচনা COP26 সম্মেলনে অংশ নেননি চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং। বরং তার বদলে একটি লিখিত বার্তা পাঠিয়ে দায় সেরেছে চীন। আর এর দ্বারাই পরিষ্কার হয় যে দূষণ নিয়ে মোটেও চিন্তিত নয় চীন।

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.