চীন: সব মসজিদ থেকে সরানো হচ্ছে গম্বুজ ও মিনার, নীরব ইসলামিক দেশগুলি

0
80

চীনের বিস্তারবাদ নীতি ও সাম্রাজ্যবাদী নীতির নমুনা এর আগেই দেখেছে বিশ্ব। শুধু তাই নয়, দেশের মধ্যে থাকা ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর একের পর এক টার্গেট নামিয়ে আনছে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি। এবার সেই আঘাত আরও তীব্রতর করলো তাঁরা। দেশের সব মসজিদ থেকে গম্বুজ ও মিনার সরানোর কাজ শুরু করেছে তাঁরা।

উল্লেখ্য, চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিমদের বসবাস। সঠিক সংখ্যা চীনের তরফে জানানো না হলেও বিশেষজ্ঞদের মতে জিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলিমের সংখ্যা এক কোটির কাছাকাছি। এর আগে দাঁড়ি রাখা ও বোরখা পরা নিষিদ্ধ করেছে চীন। পাশাপাশি আরবি ভাষা নিষিদ্ধ করে মান্দারিন ভাষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এবার আঘাত নেমে এলো মসজিদের ওপরে।

খবর অনুযায়ী, জিনজিয়াং প্রদেশের জিনিং শহরের ডোঙগুয়ান মসজিদ চীনের কমিউনিস্ট সরকারের আগ্রাসনের শিকার হলো। ৭০০ বছরের পুরোনো ওই মসজিদের ওপরে থাকা সবুজ রঙের গম্বুজ ও মিনার ভেঙে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে যে চিনীকরণের লক্ষ্যে এমনটা করা হয়েছে। এমনকি এও বলা হচ্ছে যে, চীনের মাটিতে বিদেশি সংস্কৃতির ছাপ মুছে দিতে চায় কমিউনিস্ট সরকার। তাই মসজিদে গম্বুজ ও মিনার বিদেশি সংস্কৃতির চিহ্ন। তাই সরানো হচ্ছে।

তবে উইঘুর মুসলিমদের ওপরে লাগাতার চীনের দমন পীড়ন চললেও মুসলিমদের ঠিকাদার দাবি করা পাকিস্তান ও তুরস্কের মতো দেশ আশ্চর্যজনকভাবে নীরব। পাকিস্তান ও তুরস্ক ভারতের মুসলিম সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে নানা মন্তব্য ও সমালোচনা করলেও চীনের অত্যাচার নিয়ে একটি শব্দও খরচ করেনি। এমতবস্থায়, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আগ্রাসনের মুখে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিম সম্প্রদায়।

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.