হিন্দু পরিচয়ে নদীয়ার তরুণীকে প্রেমের জালে ফাঁসালেন আসামের মুসলিম যুবক, উদ্ধার করলো বজরং দল

0
123

একটি লাভ জিহাদের(Love Jihad) ঘটনা এলো আসাম থেকে। আর সেই লাভ জিহাদের ফাঁদে পড়লেন পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার এক তরুণী। তবে বড়সড় কিছু অঘটন হওয়ার আগেই বজরং দলের কর্মীরা ওই হিন্দু তরুণীকে উদ্ধার করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। ঘটনা আসামের করিমগঞ্জ জেলার বাজারিছড়া থানার অন্তর্গত বাঘন এলাকার।

জানা গিয়েছে, লাভ জিহাদের শিকার ওই হিন্দু তরুণীর নাম পিয়ালী প্রামাণিক(নাম পরিবর্তিত)। সে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার বাসিন্দা হলেও কর্মসূত্রে ব্যাঙ্গালোরে থাকতেন। তাঁর প্রথম স্বামীর সঙ্গে ডিভোর্সের পর সন্তানকে নিয়ে একাই থাকতেন ওই মহিলা। এদিকে করিমগঞ্জের বাসিন্দা বদরুল হোসেন ব্যাঙ্গালোরে কাজ করতে যায়। সেখানেই ওই মহিলার সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়।

ওই হিন্দু মহিলার অভিযোগ, পরিচয় হওয়ার সময় বদরুল নিজেকে রাজু নামে পরিচয় দেয় এবং সে নিজেকে হিন্দু ধর্মালম্বী বলে জানায়। ধীরে ধীরে দুজনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয় তাঁরা। সেই মতো কয়েকমাস আগেই হিন্দু রীতিনীতি মেনে ব্যাঙ্গালোরের স্থানীয় এক মন্দিরে দুজনে বিয়ে করেন বলে ওই তরুণী জানান। বিয়ের পরে ওই তরুণীর ফ্ল্যাটে একসঙ্গে থাকতেও শুরু করে রাজু।

কিন্তু বেশ কিছুদিন আগেই হঠাৎই ব্যাঙ্গালোর থেকে পালিয়ে নিজের গ্রামের বাড়িতে চলে আসে রাজু ওরফে বদরুল হোসেন। তখন ওই মহিলা স্বামীর খোঁজে তাঁর কর্মস্থলে যান এবং আসামের ঠিকানা জানতে পারেন। সেই মত রাজুর খোঁজে করিমগঞ্জে আসেন। কিন্তু গ্রামের লোকেদের স্বামীর ছবি দেখানোর পর জানতে পারেন যে তিনি প্রতারিত হয়েছেন। তাঁর স্বামীর আসল নাম বদরুল হোসেন এবং সে ধর্মে মুসলিম। তারপরেই কান্নায় ফেটে পড়েন ওই তরুণী।

ওই তরুণীকে দেখে এগিয়ে আসেন গ্রামের কয়েকজন হিন্দু যুবক। ওই যুবকরা বজরং দলের সদস্য। তাঁরাই ও তরুণীকে নিয়ে বদরুলের বাড়ি যান। কিন্তু আগেই খবর পেয়েই বাড়ির সবাইকে নিয়ে পালিয়েছে বদরুল। পরে বজরং দলের সদস্যরা ওই তরুণীকে বাজারিছড়া থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে পুলিশ পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওই তরুণীর বাড়িতে খবর দেয়। তাঁর আত্মীয়রা এলেই তাদের হাতে ওই তরুণীকে তুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.