কুমিল্লা: দুর্গা মণ্ডপ থেকে ফেসবুক লাইভ করা ফয়েজ আহমেদ গ্রেপ্তার

0
132

কুমিল্লার নানুয়া দীঘির পাড়ের দুর্গা পূজার মণ্ডপ থেকে প্রথম ফেসবুক লাইভ ভিডিও করা ফয়েজ আহমেদকে গ্রেপ্তার করলো সে দেশের পুলিশ। তাকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত ১৩ই অক্টোবর সকাল সাতটায় ফয়েজ আহমেদ ওই দুর্গা পূজা মণ্ডপে উপস্থিত হয়। সেই সময় পূজা মণ্ডপে কেউ ছিলেন না। এমনকি পুরোহিতও আসেননি তখন। সেই সময় পূজা মণ্ডপ থেকেই ফেসবুক লাইভ করা শুরু করেন ফয়েজ। তিনি লাইভ ভিডিওতে বলেন যে হনুমান মূর্তির কোলে কোরআন রয়েছে। এমনকি লাইভ ভিডিওতে কোরআনের অবমাননা করা হয়েছে বলার পাশাপাশি একাধিক উষ্কানীমূলক মন্তব্য করেন।

সেই ভিডিও ফেসবুকে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি এতটা খারাপ হয় যে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পূজা মণ্ডপ বন্ধ করলে এবং কোরআন উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি। মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজিত জনতা ভিড় করে ওই পূজা মণ্ডপের সামনে। দফায় দফায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। তারপর পূজা মণ্ডপে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি দুর্গা মূর্তি ভেঙে খালে ফেলে দেওয়া হয়।

পরে তদন্তে নেমে হিন্দু বিরোধী হিংসায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে ফয়েজ আহমেদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সে কুমিল্লার সদর উপজেলার রঘুরামপুরের বাসিন্দা। এত সকাল সকাল দুর্গা মণ্ডপে সে কি করে পৌঁছে গেল তা ভাবাচ্ছে পুলিশকে। যদিও, তাঁর পরিবারের দাবি সে সকালে হাঁটতে বের হয়েছিল। কিন্তু মণ্ডপে যাওয়া ও কোরআন দেখতে পাওয়ার ঘটনা পরিকল্পিত কিনা, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) সকালে আলোচিত মণ্ডপ এলাকা পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঘটনার পরই (ফেসবুক লাইভ) দেশের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিও দেখলে বোঝা যায়, একটি স্পষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিশেষভাবে ঘটনাস্থল থেকে যে লোক (ফয়েজ) ভিডিও করে ছড়িয়ে দিয়েছে, তাকে আটক করা হয়েছে। সে কোনো দলের কর্মী কি না, তাও যাচাই করা হচ্ছে।’

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.