তালেবানরা কি সত্যি বদলে গেছে?

0
179


© শ্রী রঞ্জন কুমার দে

বাইডেন প্রশাসন আফগান প্রস্থানের ঘোষণার পর থেকেই তালেবানদের প্রত্যাবর্তন আবার সুনিশ্চিত হয়ে যায়।সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা জঙ্গি নির্মূল ইস্যুতে তাদের অনৈকতা ও রাষ্ট্রসঙ্ঘ, জাতিসংঘ কার্যত কতটুকু অসহায় তালেবান আফগানিস্তানে চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দিলো। আফগানিস্তানে সোভিয়েত ইউনিয়ন, ন্যাটোদের পরাজয়ের পর সম্ভবত আর কোন শক্তিধর রাষ্ট্রই আফগান সংস্কারে সেখানে আর পা ফেলবে না। কার্যত ২০০১ সালে আফগানে মার্কিন ন্যাটোদের পদধ্বনিতে স্বৈরাচারী তালেবান শাসনের সাময়িক অবসানে সাধারণ মানুষের তুলনামূলক স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেও বিগত দুই দশকে আমেরিকার পুতুল সরকারের নাভিশ্বাস দুর্নীতিতে সাধারণ মানুষ হাঁফিয়ে উঠছিলো। আফগানে তালেবান প্রত্যাবর্তনের দুইটা মুখ্য কারণ হলো সেখানের স্থানীয় সরকার এতোদিনে জনগণের বিশ্বাস জিততে পারে নি এবং অবশ্যই বৃহত্তর একটা অংশের মৌলবাদী চিন্তাধারা, ফলস্বরূপ সাধারণ জনগণ তালেবান প্রত্যাবর্তনে কোন সুসংগঠিত জনমতই সৃষ্টি করে সরকারের পাশে দাঁড়ায়নি এবং স্বশস্ত্র বাহিনীও আত্মসমর্পণ করে তালেবানের রাস্তা আরো প্রশস্ত করে দেয়।

তালেবান সরকারের প্রথম ইনিংসে (১৯৯৬-২০০১) শাসন ব্যবস্থা ছিলো বর্বর এবং আদিম।১৯৯৬ সালে তালেবান নেতা মোল্লা ওমর ইসলামের পথে মুক্তির আশ্বাস দিয়ে জনমানসে প্রতিষ্ঠা পায় তালেবান।তবে ১৯৯৪ সালের অক্টোবর মাসে উনারই নেতৃত্বে কান্দাহার ও আশেপাশের মাদ্রাসার ছাত্র নিয়ে শরিয়ত আইন ও ইসলামিক শাসন ব্যবস্থার প্রতিষ্ঠায় তালেবানের মূল ভিত গড়ে উঠেছিলো যেটা ১৯৯৬ সালে তালেবান সরকারে প্রতিফলিত হয়। তালিবানি আইন প্রাক-ইসলামিক পসতুন আদিবাসী রীতি ও সৌদি মাদ্রাসার পৃষ্টপোষকতায় ওয়াহাবি ভাবাদর্শ দ্বারা অনুপ্রাণিত আইনে পুরুষদের দাঁড়ি রাখা ও মহিলাদের হিজাব বাধ্যতামূলক ছিলো। প্রতিবন্ধকতা ছিলো টেলিভিশন ও সিনেমা দেখায়, গান শোনায়, ১০ বৎসরের মেয়েদের পড়াশোনা নিষিদ্ধ ছিলো,সামান্য চুরির অপরাধে শাস্তি হতো মৃত্যুদণ্ড,যৌন সংক্রান্ত অপরাধে শাস্তি ছিলো প্রকাশ্যে বেত্রাঘাত ও পাথর মারা ইত্যাদি ইত্যাদি। তাই তালেবানদের প্রতিধ্বনিতে বুক কেঁপে উঠছে প্রগতিশীল নারী,পুরুষ ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের।

তালেবানদের এবারের প্রত্যাবর্তনে চীন,রাশিয়া মদদপুষ্ট থাকলেও তাঁহারা সাফসাফ মহিলাদের প্রাথমিক স্বাধীনতা ও আফগানিস্তানকে উগ্রবাদের বিচরণভূমিতে পরিণত না করতে বারংবার সতর্কবার্তা দিচ্ছে।তাই তালেবান মুখপাত্রকেও বলতে শুনা গেছে তাহারা শরীয়ত আইনের ভিত্ত্বিতে মহিলাদের স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করবে।

কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন! শাসন ক্ষমতা সমঝে নেওয়ার আগেই তাহারা একগুচ্ছ বাঁধানিষেদের শর্তাবলী আফগান নাগরিকদের উদ্দেশ্যে ছুঁড়ে মারে। যেগুলোর মধ্যে কোন আফগান নারীর সাথে দেখা করে সাক্ষাৎকার নেওয়া যাবে না, কোন জীবন্ত প্রাণীর ছবি তোলা বা আঁকা যাবে না, টাইট বা পশ্চাত্য কাপড় পরিধান করা যাবে না, খালি পায়ে হাঁটা বারণ, যেকোন প্রকার সঙ্গীত ও ঘন্টার আওয়াজ নিষিদ্ধ, সর্বপ্রকার অইসলামিক বই, কেসেট, ম্যাগাজিন, সংবাদপত্র প্রভৃতি যেগুলো ইসলামের পরিপন্থী সেগুলো কেনা এবং বেচায় সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা, অইসলামিক কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে আফগানদের যোগদানে নিষেধাজ্ঞা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

তালেবানরা ইসলামিক শরীয়তে মহিলাদের জীবনযাত্রা সুনিশ্চিত করতে ফতোয়া জারি করেছে যে মহিলারা নিজেদের নিকটাত্মীয় তথা বাবা, ভাই, স্বামী, পুত্র ছাড়া বাহিরে যেতে পারবে না এবং বোরখা পরিধান বাধ্যতামূলক,মহিলাদের হিল জুতা পরায় নিষেধাজ্ঞা, সার্বজনীন জায়গায় মহিলাদের আওয়াজ খুব ধীর হতে হবে, গ্রাউন্ড ফ্লোরে জানালা রঙিন হতে হবে যাতে ভেতরের মহিলাদের দেখা না যায়, মহিলাদের ছবি তোলা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ অর্থ্যাৎ তাদের ছবি ঘরের দেওয়াল, এমনকি কোন প্রকার পত্রিকা এবং বইয়েও যাতে দেখা না যায়, মহিলা শব্দটি সর্বপ্রকার জায়গা থেকে মুছে ফেলতে হবে, মহিলারা ঘরের জানালা বা বেলকনিতে দাঁড়াতে পারবে না, তাহারা কোন প্রকার সার্বজনীন একত্রিকরণের সামিল হতে পারবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। তালেবান মুখপাত্র বারংবার যদিও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ভরসায় আনতে চাইছে যে তাহারা স্বদেশের জন্য হুমকিস্বরূপ হবে না তথাপিও তাহারা চারিত্রিকভাবে পূর্বের ন্যায় অটল এবং হিংস্র।

গত ২৮ শে আগস্ট আফগানিস্তানের বিখ্যাত লোকশিল্পী ফাওয়াদ অন্দ্রাবীকে তালেবানরা বাড়ি থেকে উঠিয়ে নিয়ে হত্যা করে।ভারতের হাওড়ায় আশ্রয় নেওয়া এক আফগান শরণার্থী মুহাম্মদ খান এক বিবৃতিতে বলেন,”আমার মেয়ে এখনো আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে,ওর চোখের সামনে চারজনকে গুলি করে মেরেছে তালেবান ।ওকে বোঝাতে পারছি না ওটা ভারত, এখানে তালেবান নেই।”নেট মাধ্যমে এক ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায় এক পুরুষ টিভি সঞ্চালকের পেছনে বন্ধুক উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা দুই তালেবান, সেখানে সঞ্চালক দেশের উদ্দেশ্যে খবর পড়ছেন ,”ভয় পাবেন না, তালেবান রাজত্বে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।”তালেবানদের পূর্ব প্রতিশ্রুতিতে অনেকের অনুমান ছিলো ২০২১ এর তালেবান ১৯৯৬ এর তালেবান থেকে অনেকটা সংশোধিত হবে; কারণ গত দু দশকে আফগানের প্রেক্ষাপট অনেকটাই বদলে গেছে।ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্কের এক রিপোর্টনুসারে ২০০১ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মেয়েদের সংখ্যা শুন্যের কোঠায় ছিলো,২০১২ আসতে আসতে সেই সংখ্যা ৩০ লাখে পৌঁছায়।

প্রকৃতপক্ষে আফগানিস্তানে প্রথম থেকে এতো কট্টর মৌলবাদী শাসন ব্যবস্থা ছিলো না।সাল ১৯৬৭ তে মার্কিন নাগরিক ডক্টর বিল পোডরিচ সস্ত্রীক আফগানিস্তানে উনার দুই কন্যা সহ অধ্যাপনাতে আসলে সেখানকার আধুনিকরণ এবং সংস্কৃতির সংমিশ্রনে মুগ্ধ হয়েছিলেন। এটা ছাড়াও কাবুল বংশোদ্ভূত আরেক অধ্যাপক মোহাম্মদ হুমায়ু কাইয়ুম উনার Photo-Essay ভিত্ত্বিক বই “Once upon a time in Afganistan”তে ১৯৫০,৬০,৭০ দশকের তৎকালীন সময়ে আফগান সুন্দরীদের উদারবাদী লাইফস্টাইল,বন্ধুদের সাথে স্বাধীনভাবে চলাফেরা,শট স্কার্টের মতো পশ্চিমী দুনিয়ার পোশাক পরিধানে অভ্যস্ত যুবতীদের অজস্র ফটো সেখানে সাজানো রয়েছে।২০০১ সালে ব্যুরো অব ডেমোক্রেসি এর এক রিপোর্টনুসারে আফগানিস্তানে ১৯২০ সালে মহিলাদের ভোট দেওয়ার অধিকার ছিলো,১৯৬০ সালে তাহাদের সংবিধানে পূর্ণ অংশীধারীত্বের মর্যদা দেওয়া হয়েছিলো।যাহার ফলস্বরূপ ১৯৭০ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রায় ৭০ শতাংশ মহিলা ছিলেন,৫০ শতাংশ মহিলা সরকারি চাকরিজীবী,৪০ শতাংশ মহিলা ডাক্তার প্রভৃতি ছিলেন। কিন্তু ৯০ এর দশক আসতে আসতে তালেবানদের উপদ্রবে কোথাও যেন হারিয়ে যায় আফগান সংস্কৃতি,মনে হয় সব কিছু যেন ছিলো রূপকথার অচিন গল্প।তবুও ২০০১ সানের পর মার্কিন নেটো বাহিনীর তালেবান নিধনে সেখানকার স্তানীয় প্রগতিশীল নারী ,পুরুষ, সংখ্যালঘুরা ফের বুক বেঁধে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিলো কিন্তু আবার তালেবান প্রত্যাবর্তনে সিঁধুরে মেঘ করেছে,কাবুলের বাজারে বেড়েছে বোরকার চাহিদা।

বাইডেন প্রশাসনের আফগান ত্যাগ ঘোষণার পর থেকে প্রায় ৩ লক্ষ আফগান নাগরিক দেশ ছেড়েছেন যারমধ্যে ৮০ শতাংশ শিশু এবং মহিলা।তালেবানরা আফগানিস্তানে মহিলাদের সর্বস্তরের কর্মসংস্থান নিষিদ্ধ করেছে,৪৩ বৎসরের এক মহিলা ব্যাঙ্ক কর্মকর্তা নূর খতেরা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলছেন,” কাজ করতে না পারাটা সত্যি অদ্ভুত লাগছে কিন্তু কিচ্ছু করার নেই।”।তাহলে প্রশ্ন জাগে যখন কোন গর্ভবতী নারী প্রসব যন্ত্রনায় ছটফট করবেন তখন উনার আশ্রয়স্থল কোথায় হবে কারণ উনি তো কোন পুরুষ ডাক্তারের সাহচর্যে যেতে পারবেন না আবার নারী ডাক্তারও নিষিদ্ধ!তালেবানরা প্রথমে ঘোষণা করেছিলো যে মেয়েরা শরীয়ত মেনে অর্থ্যাৎ হিজাব পড়ে শিক্ষাক্ষেত্রে অংশগ্রহণ করতে পারবে,পরে জানায় শুধু হিজাব নয় সঙ্গে আবায়া ও নিকাবও পড়তে হবে তাদের, শ্রেণীকক্ষে ছেলেমেয়েদের মধ্যে টাঙ্গানো হয়েছে কালো পর্দাসহ একগুচ্ছ সতর্কীকরণ। মহিলাদের জন্য যদি কর্মসংস্থানই না থাকে তাহলে এই শিক্ষার কতটুকু গুরুত্ব বা কেনই তাহারা পড়াশোনায় আগ্রহী হবে।

পড়াশোনা তালেবানদের কাছে কতটুকু গুরুত্ব বুঝা যায় যখন তাদের শিক্ষামন্ত্রী মৌলভী নুরুল্লা মুনির ঘোষণা করে যে,”এখনকার দিনে পিএইচডি ও মাস্টার্স ডিগ্রী মূল্যহীন। কারণ মোল্লা ও তালেবান নেতাদের কাহারো পিএইচডি, মাষ্টার্স এমনকি হাইস্কুল ডিগ্রিও নেই।কিন্তু তাহারা শ্রেষ্ঠ”। উল্লেখ্য যে তালেবানদের নতুন সরকারে বেশিরভাগই ধর্মীয় শিক্ষায় মোল্লা ও মৌলভী, তাহাদের মন্ত্রিসভায় একজন মহিলাকেও স্থান দেওয়া হয়নি, ছেটে ফেলা হয়েছে মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এগুলাই কি তালেবানদের প্রতিশ্রুতির নতুন সংস্করণ! এতো কিছুর পরেও তালেবানরা বলছে,”আমরা এমন একটি সরকারের গঠন করছি যাহাতে আফগানিস্তানের সকল জনগণের প্রতিনিধিত্ব থাকে”।তালেবানদের মহিলাদের প্রতি রক্তচক্ষু আবারো ফুটে উঠে যখন ওরা হিজাব পড়ে রাজপথে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছিলো, তালেবানরা গুলিতে শিশুসহ চারজনকে হত্যা করে দেয়।তালেবানরা বারংবার আফগানিস্তানে সাংবাদিকদের স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করেছিলো কিন্তু মহিলাদের বিক্ষোভের খবর সংগ্রহ করতে গেলে দুই সাংবাদিককে তালেবানরা পিঠিয়ে রক্তের ছোপ বেঁধে দেয়।তালেবানদের মতে তাহারা ইসলামের মূল্যবোধের জন্য লড়ছে, তাই নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া আসলেও তেমন কোন অসুবিধা নেই।

তালেবানদের নতুন সরকার ৩৩ জন মোল্লা মৌলভী এবং এমন আরো ৪ জন আছে যাদের বিরুদ্ধে ইউনাইটেড নেশনের প্রতিবন্ধকতা রয়েছে।ইউনাইটেড নেশনের তালিকাভুক্ত তালেবানদের খোদ প্রধানমন্ত্রী মোল্লা মোহাম্মদ হাসান অখুঙধ যে ২০০১ সালে বামিয়ানে বুদ্ধ মূর্তি ভাঙচুর করেছিলো, তাদের গৃহমন্ত্রী সিরাজুদ্দীন হাক্কানির বিভিন্ন জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য ৫০লাখ আমেরিকান ডলার ইনামি ছিলো।এরপরও কি বলা যাবে তালেবানরা অনেকখানি বদলে গেছে!এটা সত্যি মুখরোচক হবে যখন এফবিআই আতঙ্কবাদ ইস্যুতে মোস্ট ওয়ান্টেড আরেক জঙ্গি(আফগান গৃহমন্ত্রী) হাক্কানির সাথে গোয়েন্দাতথ্যে আদান প্রদান করবে।বলিউডের অনেক সেলিব্রেটিরা আফগানে তালেবানদের হয়ে সুর ধরছেন, কিন্তু তাদের হয়তো জানা নেই তালেবানরা কাবুল স্টুডিওর ড্রাম, তবলা সহ সব বাধ্যযন্ত্র ফুটো করে দিয়েছে কারণ শরীয়ত ব্যবস্থায় ইসলামে সঙ্গীত হারাম।সেখানকার ভীত সন্ত্রস্ত আফগান পরিচালক সাহরা করিমিকে দেখা গেছে কাবুলের রাজপথে প্রাণভয়ে পলায়ন করতে,মহিলা পপ তারকা আরিয়ানা সাঈদ প্রাণভয়ে দেশত্যাগ করেছেন,কত জনপ্রিয় ফুটবলার, অভিনেত্রী, ক্রিকেটার দেশ ছাড়া হয়েছেন বা রয়ে গেছেন প্রাণ সঙ্কটে এগুলার কোন ইয়াত্তা নেই।হিন্দু ,শিখ সম্প্রদায়ের পলায়নে দেশ সম্পূর্ণ সংখ্যালঘু শুন্য।এটাই যদি সহি ইসলামী ব্যবস্থার প্রত্যাবর্তন এবং ইসলামি আমিরতের পুনঃপ্রতিষ্ঠার চিত্র হয় তাহলে এরকম তালেবানি মানসিকতা আমাদের সমাজ জীবনে কতটুকু ভয়াবহতা ডেকে আনবে বলার অবশিষ্টতা রাখে না।

(মতামত ব্যক্তিগত)

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.