ক্রমশঃ যোগী আদিত্যনাথ হয়ে উঠছেন মোদির সুযোগ্য উত্তরসূরি

0
290


© শ্রী রঞ্জন কুমার দে

আর মাত্র গুটি কয়েকমাস পেরিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় রাজ্যে উত্তর প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন।রাজ্যের সব মূখ্য রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের মতো করে আসন্ন নির্বাচনের কুচকাওয়াচ শুরু করে দিয়েছে।দিল্লির মনসদ উত্তরপ্রদেশ রাজনীতির অবিচ্ছেদ্য অংশ ,তাই স্বভাবতই সেখানের পঞ্চায়েত জনমতও দেশের শিরোনামে জায়গা করে নেয়।প্রধানমন্ত্রী মোদি সেই কারণে দিল্লী জয়ে দেশের সবচেয়ে বৃহত্তর রাজ্যে প্রভাব বিস্তারে নিজের রাজনৈতিক ঠিকানা বেনারসে অনেক আগেই পরিবর্তন করে নিয়েছিলেন। রাজ্যটির প্রত্যেকটি রাজনৈতিক ইস্যু খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, সেই সুবাদে কয়েক মাস অন্তর অন্তর উত্তরপ্রদেশে সৃষ্টি হয় নতুন রাজনৈতিক টানাপোড়ন ; সেটা হাতরস ধর্ষণ কাণ্ড, সিএএ আন্দোলন বা রামমন্দিরের ভূমি পূজনও হতে পারে।

২০১৭ বিধানসভা এবং ২০১৯ লোকসভায় বিরোধী শিবির অনেক সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং করেও নিজেদের ভাগ্যে পরিবর্তন তো দূরের কথা , তাহারা ক্রমশঃ আরো তিমিরেই পৌঁছে গিয়েছে।২০১৭ তে বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসলেও তাঁরা কোন মুখ্যমন্ত্রীর মুখ সামনে এনে নির্বাচন লড়ে নি। কিন্তু বিগত পাঁচ বৎসরে মুখ্যমন্ত্রী যোগীজি নিজের দুর্নীতিমুক্ত চেহারা এবং হিন্দুত্বের ফায়ারব্রান্ড নেতা হিসেবে দলের বাহির ও ভেতর উভয়ে শুধু অপ্রতিদ্বন্দ্বী নয় বরং উনি হয়ে উঠেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদির সুযোগ্য উত্তরাধিকারী। বৃহত্তর এই রাজ্যে অজস্র রাজনৈতিক ইস্যু জলন্ত থাকলেও বিরোধী শিবিরে ঐক্যবদ্ধতার অভাবে যোগী নেতৃত্ব অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী।

২০১৭ এর আগে সপা-বসপার পালাক্রমে সরকারে বসলেও মোদিজির নেতৃত্বে জাতিবাদী রাজনীতির সংজ্ঞাই বদলে যায়।অন্যান্য নির্বাচনের মতো এবারও ২০২২ উত্তরপ্রদেশ বিধানসভায় বিজেপির মূল এজেন্ডা থাকবে হিন্দুত্ববাদ, জাতীয়তাবাদ এবং উন্নয়ন।২০১৭ তে রাহুল গান্ধী সাইকেল চড়লেও কিংবা ২০১৯ এ তথাকথিত গেস্ট হাউজ বিতর্কের ইতি টেনে সপা -বসপার জোট হলেও আখের লাভ কিছুই হয় নি বরং গেরুয়া ভোট আরো একত্রিতে বিরোধীরা হয়ে গেছে বুমেরাং। কংগ্রেস বারংবার প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে উত্তর প্রদেশে ঠাকুমা ইন্ধিরার প্রতিচ্ছবির করে প্রমোট করলেও ভাগ্যের চাকা মোটেই ঘুরে নি। তাই প্রত্যেক রাজনৈতিক দল নিজেদের পকেট ভোট মজবুত করে তথা দলিত, যাদব, জাট, সংখালঘু ভোট একত্রিত করতে মরিয়া। কিন্তু এদের রাজনৈতিক এজেন্ডা এবং টার্গেট মূলত একই, তাই বিরোধী শিবিরে ভোট ফাটলের চরম সম্ভাবনায় বিজেপি শিবির অবশ্যই খানিকটা স্বস্তিতে।

বেশ কিছুদিন মিডিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী যোগিজির সাথে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিভেদ ফলাও করে প্রচার হয়ে আসছিলো এবং বিরোধীরাও সেটাকে যোগী-মোদির ছন্দ পতনের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট সৃষ্টির খুব চেষ্টা করেছিলো। কিন্তু খোদ প্রধানমন্ত্রী বিজেপির উত্তরপ্রদেশে জেলা পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৭৫ এর মধ্যে ৬৭টি আসন জেতায় যোগিজির শাসন ব্যবস্থায় পঞ্চমুখ, পার্টি অধ্যক্ষ জেপি নাড্ডাও বিজেপির এই বিজয়কে কেন্দ্র ও রাজ্যের দ্বৈত নীতির প্রতিচ্ছবি হিসেবে উল্লেখ করায় যোগী বিরোধী সব জল্পনার অবসান ঘটে। কিন্তু পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিজয় কোন সময় রাজ্যে পট পরিবর্তনের যথেষ্ট ইঙ্গিত বহন করে আছে, যেমন-২০১০ এ অধিকাংশ পঞ্চায়েত অধ্যক্ষ পদ শাসক বসপার পক্ষে গেলেও তাঁহারা রাজ্যের ২০১২ বিধানসভায় পর্যুদস্ত হয়ে যায়, একইভাবে ২০১৬ এ রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচন তৎকালীন শাসক সপার অনুকূলে গেলেও ২০১৭ বিধানসভাতে তাঁদের বিজেপির কাছে হার স্বীকার করতে হয়। তাই পঞ্চায়েত নির্বাচনে অতিরিক্ত আত্মতুষ্টি বিজেপির হিতে বিপরীতও হতে পারে! রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবায় বারংবার সরকার প্রশ্নচিহ্নিত হয়েছে সেটা সরকারি হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডারের গাফিলতিতে শিশু মৃত্যু হোক কিংবা গঙ্গায় ভেসে যাওয়া কোভিড শবই হোক না কেন; তবে যোগী আদিত্যনাথ কৌশলে ডেমেজ কন্ট্রোলে খুব বেশি দেরি করেন নি।

এক্ষেত্রে একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করা প্রয়োজন। বর্তমানে কেরলে ১ লক্ষ ১৫ হাজার এবং মহারাষ্ট্রে ১ লক্ষ ১৪ হাজার করোনায় সংক্রমণ আছে সেই তুলনায় ভারতের জনসংখ্যার ১৭ শতাংশ রাজ্যে উত্তর প্রদেশে গত এক মাসে মাত্র ১ শতাংশ সংক্রমণ সামনে এসেছে অর্থাৎ সেখানে এখন মাত্র ১ হাজার ৬৮ টি সক্রিয় মামলা রয়েছে। তাই সুদূর অস্ট্রেলিয়ার হিউজেস থেকে সাংসদ ক্রেগ অতি শীঘ্রই যোগিজির শরণাপন্ন হতে সে দেশের সরকারকে অনুরোধ করেছেন। কৃষক আন্দোলন দিল্লির পর ইউপিতে সক্রিয় হওয়ার হুমকি বারংবার কেন্দ্র সরকারকে দেওয়া হচ্ছিলো যাতে তাদের দাবি মেনে সরকার কেন্দ্রীয় কৃষি আইন বাতিল করে নেয়। রাজ্যের বিরোধী শিবির আর.এল.ডি, সপা, কংগ্রেস যতাযত ইস্যুটি নিয়ে খুব তৎপরভাবে অন্ততপক্ষে সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব তোড়জোড়,কে বেশি সরকার বিরোধী আন্দোলনে বেশি সক্রিয়। তবে কেন্দ্র সরকারের একাধিক যোজনায় যোগী সরকার অতিরিক্ত সুবিধেয়, যেমন -প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি যোজনায় এই আগস্ট মাসের ৯ তারিখেও রাজ্যের প্রায় ২.৩৪ কোটি কৃষককে প্রায় ৪৭২০ কোটি টাকার কেন্দ্রীয় সাহায্য সরাসরি তাঁদের ব্যাংক একাউন্টে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির নির্বাচন ক্ষেত্র বেনারসী হওয়ার সুবাদে বিজেপির মাইলফলক এমনিতেই কয়েক গুণ বেড়ে যায় , কারণ প্রধানমন্ত্রীও নিজের নির্বাচনী ক্ষেত্রের পাশাপাশি গোটা রাজ্যকে ঢালাও করে সাজিয়ে নিচ্ছেন। সেদিনও ইউপি সংক্রান্ত একটি সমীক্ষা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে অযোধ্যার বিকাশে সেখানে আধ্যাত্মিক কেন্দ্র,বৈশ্বিক পর্যটন ও স্মার্ট সিটি হিসাবে গড়ে তোলা হবে।

তবে হাথরস, বলরামপুর এর কয়েকটি ধর্ষণ কাণ্ড গোটা রাজ্যের মাথা নিচু করে দিয়েছিলো, বিরোধীদের হাত লেগেছিলো এক অকাল সুযোগ। বিরোধীরা উত্তরপ্রদেশকে ধর্ষণভূমি হিসাবে উপস্থাপন করার যথেষ্ট চেষ্টা করলেও শুধু ২০১৯ সালের ন্যাশনাল ক্রাইম ব্যুরো রেকর্ড এর হিসাবনুযায়ী রাজস্থান উত্তরপ্রদেশের প্রায় দ্বিগুণ সংখ্যা ৫৯৯৭ টির ধর্ষণ কাণ্ড লিপিবদ্ধ। তবুও নারী সশক্তিকরণ ও সুরক্ষায় যোগী সরকার বেশ কয়েকটি যোজনা হাতে নিয়েছিলো, যেমন- শুধু মহিলা স্বার্থে ৭৫ টি জেলায় ১৮১ নম্বরের হেল্পলাইন নম্বর, লিঙ্গ বৈষম্য ও গৃহস্থ হিংসার প্রতিরোধে ‘পুলিশ সূচনা কার্যক্রম’, বখাটেদের উৎপাত রুখতে ‘এন্টি রোমিও স্কোয়াড’ কার্যক্রম প্রভৃতি হাতে নেওয়া হয়েছিলো। তবে মাত্র মাস দুয়েকের মাথায় এন্টি রোমিও স্কোয়াড কার্যক্রম উধাও হয়ে যায়, যদিও হাথরস ধর্ষণকাণ্ডের পর যোগী সরকার ‘মিশন শক্তি’ কার্যক্রম শুরু করে রাজ্যের মহিলাদের সুরক্ষায় নতুন অভিযান শুরু করলেন।

২০০৭ সালের বিধানসভায় বেহেনজির দল দলিত, মুসলিম, ব্রাহ্মণ ভোট একাট্টায় খেল্লাফত করেছিলো, জয় মিম জয় ভীমের স্লোগানে হায়দ্রাবাদের ওয়াসীর সঙ্গে প্রদেশে জোট সম্ভাবনা থাকলেও অবশেষে টিকেট বন্টনের ভাগাভাগিতে জল আর বেশিদূর গড়ায় নি।ইউপির ৪০৩ বিশিষ্ট বিধানসভা আসনে বিএসপির অবস্থান ২০০৭ সালের ২০৬ আসন থেকে ২০১৭ সাল আসতে আসতে সেই আসনের সংখ্যা ১৯ এ এসে দাঁড়ায়। দলিত প্রধান এই দলের ছন্দপতনের পেছনে নিশ্চিত অনেকগুলো কারণ একসঙ্গে কাজ করেছে।নিন্দুকদের অভিযোগ মায়াবতী নাকি দলিতদের বেটি থেকে দৌলতের বেটিতে পরিণত হয়ে গিয়েছিলেন, ভাইদের জন্য স্বজন পোষণের অভিযোগ, টিকেট বন্টনে পয়সার লেনাদেনা, আয়ের চেয়ে অতিরিক্ত সম্পত্তি, দুর্নীতি ইত্যাদি। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে মায়াবতীর দলের স্কোরবোর্ড শুন্য থাকলেও অখিলেশ যাদবের সাথে গঠবন্ধনে ২০১৯ সালে সেই সংখ্যা দশে রূপান্তরিত হয়। কিন্তু মায়াবতী অসন্তুষ্ট হয়ে সেই জোট অচিরেই ভেঙে দেন।উনার এই সিদ্ধান্ত স্থানীয় মুসলিম সমাজ মোটেই ভালোভাবে নেয় নি, তাদের সন্দেহ হচ্ছিলো এই সিদ্ধান্তে বিজেপি পরোক্ষভাবে লাভবান হবে।কাশ্মীরে কেন্দ্রের অনুচ্ছেদ ৩৭০ এবং ৩৫ (A) এর বিলুপ্তিকরণে সংসদে খোলা সমর্থন জানিয়েছিলেন ,এমনকি দলের এক সাংসদ দানিশ আলীকে বিলটির সমালোচনা করায় লোকসভায় নেতা পদ থেকে বহিস্কৃত করেন। কেন্দ্রের নাগরিক সংশোধন বিলেও মায়াবতী খুবই নরম মনোভাব পোষণ করেছিলেন। তাই স্বভাবতই মুসলিম ভোটব্যাংক উনার সেই আর অনুকূল অবস্থানে নেই।

২০১৪ লোকসভা,২০১৭ বিধানসভা,২০১৯ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জনসমর্থন ছিলো যতাক্রমে ৪২.০৩%,৪১.৩৫% এবং ৪৯.৮%।বিজেপির এই সাফল্যে অবশ্যই মোদির জনপ্রিয়তা কাজ করেছে, তবে আর. এস.এসের সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য।প্রফেসর এবং রাজনীতি বিশ্লেষক গোবিন্দ বল্লভ উনার পুস্তক “রিপাবলিক অফ হিন্দুত্বে” লেখেন সংঘ বিগত ৭০ বৎসর থেকে হিন্দুত্বের বীজ বোপনে সেখানে জাতিগত অস্মিতার পরিবর্তন হয়ে অখণ্ড হিন্দুত্বের অস্মিতায় পরিণত হয়েছে,এরকম চলতে থাকলে ২০২২ আসতে আসতে বসপার হয়তো কোন গ্রহণযোগ্যতাই আর অবশিষ্ট থাকবে না।সেটার আচঁ সম্ভবত বুঝতে পেরেই একসময়ের প্রবল রাম মন্দির বিরোধী মায়াবতী সফ্ট হিন্দুত্বের কার্ড খেলে বলছেন বসপা সরকার আগামীতে আসলে রাম মন্দিরের কাজ আরও দ্রুত গতিতে হবে।উত্তরপ্রদেশ রাজনীতিতে জাতপাতের সমীকরণকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব সহকারে বিচার করা হয়, সেই সঙ্গে প্রত্যেকটা দলের কিছু সুনির্দিষ্ট পকেট ভোটও রয়েছে।

তবে লখনৌউয়ের মনসদে বসতে হলে অবশ্যই কমিউনিটির বাইরে গিয়ে কিছু অন্যভোটও জোগাড় করে আনতে হবে, শুধু দলিত ভোট কিংবা যাদব ভোটে জয় পাওয়া সম্ভব নয়।রাজ্যে ব্রাহ্মণ ভোটব্যাংক প্রায় ১১-১২ শতাংশ রয়েছে,বসপার ২০০৭ সালে ব্রাহ্মণ সম্মেলন মন্ত্রের মতো কাজ করেছিলো। সেই বৎসর তাহারা সর্বাধিক ৪১ জন ব্রাহ্মণ বিধায়ক নিয়ে মনসদে বসেন, ২০১২ সালেও সমাজবাদী পার্টি ব্রাহ্মণদের নিয়ে বিভিন্ন অভিযানের ফলস্বরূপ সেই বৎসরে তাঁদের পালে ২১ জন ব্রাহ্মণ বিধায়ক আসেন, ২০১৭ সালে গেরুয়া জয়ের পেছনেও ৪৬ জন ব্রাহ্মণ বিধায়কের অবদান ছিলো।উত্তরপ্রদেশের একটা রাজনৈতিক ট্রেন্ড হলো সর্বাধিক ব্রাহ্মণভোট যেই দিকেই যায় তাঁরাই সরকার বানায়।সম্প্রতি রাজ্যে কথিত কিছু ব্রাহ্মণ মাফিয়াদের এনকাউন্টারে বিরোধীরা একটু রাজনৈতিক জায়গা বানিয়ে নিতে তাই একদিকে যেমন মায়াবতী আবার ব্রাহ্মণ সম্মেলনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন,কংগ্রেস শিবিরও জিতেন প্রসাদের নেতৃত্বে ‘ব্রাহ্মণ চেতনা মঞ্চ’ নামে সংস্থা বানিয়ে ব্রাহ্মণ ভোট লোপে নিতে চাইছিলো।কিন্তু স্বয়ং জিতেন প্রসাদ এখন বিজেপিতে।

ভোটের বালাই সত্যি অদ্ভূত।একসময়ের করসেবকদের বুকে গুলি চালানো মুলায়ম পুত্র এখন নিজেকে সবচেয়ে বড় হিন্দুর দাবিদার, উনি পশ্চিমবঙ্গ মডেল অনুসরণ করে হেডিং লাগাচ্ছেন ‘খেলা হই’।অখিলেশ যাদব দলিত ভোটব্যাঙ্ককে চাঙ্গা করতে উদযাপন করছেন ‘দলিত দিওয়ালি’,তৈরি করছেন ‘বাবা সাহেব বাহিনী’ও।দলিত ভোটে ২০১৮ সাল থেকেই পাখির চোখ করে আছেন আরেক দলিত যুবনেতা চন্দ্র শেখর রাও। রাজ্যের ২০% মুসলিম ভোট পুনরুদ্ধারে কংগ্রেস গঠন করেছে ‘ইউপি সংখালগু ফ্রন্ট মাদ্রাসা’। ২০১৭ তে প্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে এআইএমআইএমের দলের প্রায় প্রত্যেকটি আসনের জামানত রদ হলেও ২০২২ শে তে পূর্ণ শক্তি দিয়ে আবার লড়তে আসায় স্বভাবতই ধর্মনিরপেক্ষ শিবিরে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।যাই হোক মুখ্যমন্ত্রী যোগী রাজ্যে ৪৪ টি জনকল্যাণমূলক প্রকল্প রূপায়ণে এবং উনার সরকারের তথাকথিত এনকাউন্টারের ভয়ে অপরাধীদের খোদ থানায় যেভাবে আত্মসমর্পণ করতে হচ্ছে,পুরো দেশে নিজেকে মডেল মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে তুলে ধরছেন। তবে উত্তরপ্রদেশের ২০২২ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল অনেকটা নিশ্চিত করবে আগামীতে যোগিজি নরেন্দ্র মোদির সুযোগ্য উত্তরাধিকারী কি না!

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.