কোচবিহার: রাজনৈতিক হিংসার শিকার ব্যক্তিরা থানায় অভিযোগ করুন, মাইক প্রচার পুলিশের

0
44

২রা মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর রাজনৈতিক হিংসা ছড়িয়ে পড়েছিল সারা রাজ্যজুড়ে। বাদ যায়নি কোচবিহার জেলাও। এই জেলার বিস্তীর্ণ অংশের মানুষের ঘরবাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট, আগুন দেওয়া থেকে খুনের অভিযোগ উঠেছিল। এই জেলার অনেকে প্রাণ বাঁচাতে আসামে আশ্রয় নিয়েছিলেন। কিন্তু সেইসময় মানুষজন আতঙ্কে থানায় অভিযোগ পর্যন্ত জানাতে সাহস করে উঠতে পারেননি। এবার মানুষজন যাতে নির্ভয়ে থানায় অভিযোগ জানাতে পারেন, তার জন্য উদ্যোগী হলো পুলিশ।

গতকাল কোচবিহার জেলার তুফানগঞ্জ থানার পুলিশের পক্ষ থেকে একটি টোটোতে মাইক প্রচার শুরু হয়। ওই থানার অন্তর্গত বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে পুলিশের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয় যে রাজনৈতিক হিংসার শিকার ব্যক্তিরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মূলত সাধারণ মানুষের মধ্যে থাকা ভয় দূর করতেই এমন প্রচার করা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রের খবর।

একইভাবে এই জেলার আর একটি থানা থেকেও এমন প্রচার করা হচ্ছে। তবে তা মাইক প্রচার নয়। সিতাই থানার পুলিশের তরফে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের বাড়ি বাড়ি ঘুরে অভিযোগ জানাতে আবেদন জানাচ্ছে পুলিশ। এছাড়াও যেসব গ্রাম হিংসার শিকার হয়েছিল, সেইসব গ্রামেও প্রচার চালানো হচ্ছে পুলিশের তরফে।

পুলিশের তরফে এমন প্রচার চললেও হিংসায় আক্রান্ত মানুষের তরফে তেমন কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। কারণ হিসেবে তাঁরা বলছেন ভোটের ফল ঘোষণার পরেই হিংসার শিকার কয়েকজন থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি, এমনটাই অভিযোগ করছেন তাঁরা।

একই অভিযোগ বিজেপিরও। এইসব প্রচার লোক দেখানো নাটক, এমনটাই বলছেন বিজেপি নেতারা। কোচবিহার জেলার বিজেপি সভানেত্রী মালতী রাভা বলেন, ‛আমরা এর আগে তুফানগঞ্জ থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলাম। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সদিচ্ছা থাকলে তা আগেই করতে পারতো পুলিশ।

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.