অত্যধিক জনসংখ্যা বৃদ্ধিই মুসলমানদের গরিবীর প্রধান কারণ: হিমন্ত বিশ্বশর্মা

0
40

রাজ্যের মুসলমানরা আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। আর এর প্রধান কারণ হলো অত্যধিক জনসংখ্যা বৃদ্ধি, দ্বর্থহীন ভাষায় বললেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

বিধানসভায় আসামে মুসলিমদের মধ্যে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কোনওরকম রাখঢাক না রেখেই নিজের বক্তব্যে পরিষ্কার জানিয়ে দেন যে আসামের উন্নতির জন্য জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রন করা অত্যন্ত প্রয়োজন। তিনি বলেন, অত্যধিক জন্মের ফলে মুসলমান সমাজ পিছিয়ে পড়েছে। তাঁরা পাকা ঘর পর্যন্ত নির্মাণ করতে পারছে না। নিজেদের সন্তানদের ভালো শিক্ষাও দিতে পারছে না তাঁরা।

সেইসঙ্গে রাজ্যে মুসলমানদের ব্যাপক জনসংখ্যা বৃদ্ধি তথ্যসহ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ২০০১-২০১১ সালে আসামে হিন্দুর জনসংখ্যা বৃদ্ধি হয়েছে ১০%, কিন্তু মুসলিম জনসংখ্যা বেড়েছে ২৯%। আর এই অত্যধিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণেই আর্থ-সামাজিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়ছে আসামের মুসলিম সমাজ।

হিমন্ত বিশ্বশর্মা আরও জানান যে ১০০০ যুবকের একটি বিশেষ ‛টিম’ তৈরি করা হবে। ওই টিমের সদস্যরা রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে ঘুরে মানুষদের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের উপকারিতা বোঝাবে। ওই টিমকে সরকারের তরফে গর্ভনিরোধক বড়ি ও ওষুধ দেওয়া হবে, যা তাঁরা প্রয়োজনে মানুষের হাতে তুলে দিতে পারে। হিমন্তর দাবি, তিনি জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকেই রকেটের গতিতে বেড়ে চলা আসামের মুসলিম জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের পক্ষে সওয়াল করে আসছেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। নতুন আইন এনেছেন, তারপরেও মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছেন। কিন্তু তাঁর এই প্রচেষ্টার ঘোর বিরোধিতা করছেন কংগ্রেস ও এআইইউডিএফ-এর নেতারা। তাই হিমন্ত জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সব দলের সমর্থন চাইছেন বারবার।

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.