আসাম: করিমগঞ্জ সীমান্তে গরুর হাট, বিএসএফকে দেখে গরু ফেলে পালালো ব্যবসায়ীরা

0
34

সীমান্ত এলাকা থেকে ২০ কিলোমিটারের মধ্যে বসানো যাবে না কোনো গরু কেনাবেচার হাট- এমনই নির্দেশিকা রয়েছে কেন্দ্র সরকারের। কিন্তু সেই নিয়মকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে সীমান্তে চকছিলো গরু কেনাবেচার হাট। খবর পেয়েই হানা দিলেন বিএসএফ ও পুলিশের যৌথ বাহিনী। আর তা দেখেই গরু ফেলে পালালেন ব্যবসায়ীরা। ঘটনা করিমগঞ্জের ফকিরবাজার সীমান্তের।

জানা গিয়েছে, গতকাল সকাল সাতটায় ফকিরবাজার সীমান্ত এলাকায় টুকেরপার এলাকায় গরুর হাট বসে। নিজেদের সূত্র মারফৎ খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিএসএফকে জানায় পুলিশ। তারপরই বিএসএফ-এর ইন্সপেক্টর পঙ্কজ জি শর্মা এবং সদর থানার ওসির নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়।

করিমগঞ্জ সদর পুলিশ এবং বিএসএফের যৌথ অভিযানে গরুর বাজার থেকে উদ্ধার করা হয় ১৬টি গরু। যদি বিএসএফের অভিযানের খবর পেয়ে সেখানে থেকে গরু নিয়ে পালিয়ে যান অধিকাংশ গরুর ব্যবসায়ী। উদ্ধার করা ১৬টি গরুর আনুমানিক বাজার মূল্য ছয় লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা। এবিষয়ে বিএসএফের তরফে মামলা দায়ের করা হয় পুলিশে। বর্তমানে বাজেয়াপ্ত করা গরুগুলি রয়েছে করিমগঞ্জ সদর পুলিশের হেফাজতে।

এবিষয়ে বিএসএফ ইন্সপেক্টর জি জানান, সীমান্ত এলাকা থেকে কুড়ি কিলােমিটার মধ্যে গরুর বাজার বসানাের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। যার
কারণে কঠোর নজর রাখা হয়েছে বিএসএফের পক্ষ থেকে। আগামীতে এধরনের কোন খবর পেলে সঙ্গে সঙ্গে অভিযান চালানাে হবে ।

প্রসঙ্গত গত পাঁচ বছরে সীমান্ত এলাকায় গরুর বাজার বন্ধ হওয়ার পর থেকে ফকিরাবাজার পার্শ্ববর্তী এলাকার গরু বাজারগুলিতে কয়েক দফায় অভিযানে নামে বিএসএফ সহ পুলিশ। জব্দ করা হয় গরু। কিন্তু এরপরে কোনওভাবে বন্ধ করা হয়নি কিন্তু গরুর বাজার। যার পিছনে বৃহৎ চক্র বা গরু পাচারকারীদের সিন্ডিকেট জড়িত থাকার কিন্তু সন্দেহ প্রকট হচ্ছে এমুহূর্তে ।

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.