চট্টগ্রাম: নিজ ধর্ম ত্যাগ করে বিয়ে, এখন সন্তান নিয়ে ভিক্ষা করেই দিন কাটছে নুশু বড়ুয়া ওরফে সানজিদার

0
88

পোশাক কারখানায় কাজ করতে গিয়েই মহিবুল্লাহ নামে এক মুসলিম যুবকের সঙ্গে আলাপ চট্টগ্রামের বৌদ্ধ তরুণী নুশু বড়ুয়ার। পরে প্রেম এবং তারপর বিয়ে। কিন্তু কে জানতো সেই স্বামীই একদিন তাকে পতিতা পল্লীতে বিক্রি করে দেবে? শেষমেশ সন্তান নিয়ে ভিক্ষা করেই দিন কাটছে তাঁর। 

জানা গিয়েছে প্রায় সাত বছর আগে আদালতের মাধ্যমে বৌদ্ধ ধর্ম ত্যাগ করে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করেন নুশু বড়ুয়া। তারপর বিয়ে করেন প্রেমিক মহিবুল্লাহকে। মহিবুল্লাহ আদতে বাগেরহাটের বাসিন্দা।

মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করার পর তার নাম দেওয়া হয় সানজিদা আক্তার মনা। এরপর প্রায় ৬ বছর আগে ভালোবাসার মানুষ সানজিদা আক্তার মনাকে বিয়ে করেন মহিবুল্লাহ ।

বিয়ের পর নুশু চট্রগ্রামের স্থানীয় ভাড়া বাসায় তাদের দাম্পত্য জীবন সুখেরই চলছিল। কিন্তু কে জানতো এত বড় বিশ্বাস ঘাতগতা করবে মহিবুল্লাহ! ভালোবাসার এই মানুষটার বিশ্বাস ঘাতগতাকে যেন কিছুতেই মানতে পারছেননা স্ত্রী সানজিদা।

বিয়ের কিছুদিন পর সানজিদা বুঝতে পারে সবই ছিল মহিবুল্লাহ’র প্রতারণার ফাদ। সানজিদার কাছে থাকা ৫ লক্ষ টাকা ও ৪ ভরি স্বর্ণও নিয়ে যায় পালিয়ে যায় মহিবুল্লাহ।

বিয়ে করার ১ বছরের মাথায় তাকে বিক্রি করে দেওয়া হয় শহরের এক পতিতালয়, সেখানে কাটে নিষ্ঠুরতার দিন। ভাগ্গের জোরে সানজিদা পতিতালয় থেকে পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়।

পরবর্তীতে মহিবুল্লাহর বাড়িতে আসলে সানজিদাকে রেখে বাড়ির সবকিছু বিক্রি করে পালিয়ে যায় মহিবুল্লাহ ও তার মা-বাবা।

এখন ছোট একটা কুঁড়ে অন্ধকার ঘরেই সানজিদার বসবাস। বাড়ির লোকও মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। ফলে বাড়ি ফেরার রাস্তাও বন্ধ। ইসলামে ধর্মান্তরিত সানজিদার জীবন চলছে এখন ভিক্ষা করে। বাচ্চাটির মুখের আহার যোগাতে ছোট বাচ্চাকে সাথে নিয়েই ভিক্ষা করে সানজিদা।

ভুক্তোভোগী নারীসহ এলাকাবাসী দাবী করেন দ্রুতই এই অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা হোক। এই বিষয়ে ভুক্তভোগী নারী সানজিদা আক্তার মনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগও দাখিল করেছেন বলে জানান তিনি।

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.