সীমান্তে গুলি চালানো বন্ধ করুক বিএসএফ, আবেদন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

0
67

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের(BSF) গুলিতে গরু পাচারকারী ও চোরাচালানকারীদের মৃত্যুতে যথেষ্ট চাপের মুখে শেখ হাসিনা সরকার। কারণ যখনই কোনও পাচারকারীর মৃত্যু হয়, তখনই বাংলাদেশি মিডিয়ার একটা বড় অংশ শেখ হাসিনাকে নিশানা করে। ফলে সমালোচনার মুখে পড়ে নিজেদের ভোট ব্যাংককে তুষ্ট করতে নানা রকম প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকেন শেখ হাসিনা। এবারে সেই রকম এক প্রতিশ্রুতিমূলক মন্তব্য করলেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

তিনি বলেন, ‛একদিন ভারত সীমান্তে মারণাস্ত্র ব্যবহার বন্ধ করবে। আর তবেই সীমান্তে হত্যা বন্ধ করা সম্ভব’। তিনি আরও বলেন যে ভারতের সঙ্গে যে চুক্তি রয়েছে, তা ভারত মেনে চললে সীমান্তে নতুন করে হত্যার ঘটনা ঘটবে না।

কিন্তু সীমান্ত অঞ্চলে যে গরু পাচার চলে, তাঁর নিয়ন্ত্রণ যে বাংলাদেশি পাচারকারীদের হাতে, তা কার্যত মেনে নিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন যে, ভারত যদি গরু দিতে না চায়, তবে আমরাও তা নিতে চাই না। আমরা এখন গরুর বিষয়ে স্বনির্ভর। তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অধিক লাভের আশায় ভারত থেকে গরু নিয়ে আসে।

সেইসঙ্গে আসাদুজ্জামান খানের দাবি, সীমান্তে বাংলাদেশি সেনা আগের তুলনায় নজরদারি বাড়িয়েছে। এমন চোরাচালান যাতে বন্ধ হয়, তা নিশ্চিত করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এখনও যে সীমান্তে নজরদারির অভাব রয়েছে, তা মেনে নিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, গতকাল শনিবার চট্টগ্রামের বিজিবির ঐতিহ্যবাহী প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজের (বিজিটিসিএন্ডসি) বীর উত্তম মজিবুর রহমান প্যারেড গ্রাউন্ডে নতুন সৈনিকদের প্রশিক্ষণ শেষে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে যোগ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম জানান, বিজিবি এখন অনেক সক্ষম। যেসব সীমান্ত পিলারের কাছে আগে যেতে পারতাম না যেগুলো পিলারের কাছে আমরা এখন নিয়মিত টহল দিতে পারছি। সীমান্ত পারাপার আগের তুলনায় অনেক কমেছে।

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.