ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চলতো ‛ব্রেন ওয়াশ’, মাধ্যম ছিল ‛দাওয়াত’

0
203

ইসলামে ধর্মান্তরণের যে চক্র চলতো, তার মূল মাথা জাহাঙ্গীর কাশমী এবং মহম্মদ উমর গৌতমকে জেরা করে চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে উত্তর প্রদেশ ATS-এর হাতে এসেছে। ATS জানিয়েছে যে ইসলামে ধর্মান্তরণ করানোর জন্য হিন্দু যুবক-যুবতীদের ব্রেন ওয়াশ করা হতো। আর এ জন্য বেছে নেওয়া হতো মূক-বধিরদের।

জাল ছড়িয়ে পুরো উত্তর প্রদেশে

ইতিমধ্যেই ১৬০টি ধর্মান্তরণের সার্টিফিকেট উদ্ধার করেছে ATS। আর যাদেরকে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে, তাঁরা শুধু নয়ডা নয়, কানপুর, লখনৌ সমেত একাধিক এলাকার বাসিন্দা। ফলে এই ধর্মান্তরণের জাল যে পুরো উত্তর প্রদেশ জুড়ে বিস্তৃত, সে ব্যাপারে নিশ্চিত ATS অফিসাররা।

কিন্তু কিভাবে ইসলামে ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য ব্রেন ওয়াশ করা হতো মূক-বধিরদের?

ATS সূত্র উদ্ধৃত করে জি নিউজ জানিয়েছে যে, রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে চলা মূক-বধিরদের স্কুলগুলিকে টার্গেট করা হত। তারা যেহেতু বলতে ও শুনতে পারতো না, তাই তাদের সঙ্গে Sign Language-এ কথা বলে আলাপ জমানো হতো। তারপর তাদেরকে ‛দাওয়াত’-এ নিমন্ত্রণ করা হতো।

আসল খেলা শুরু হতো দাওয়াত থেকেই। দাওয়াতে ভালো ভালো খাবারের ব্যবস্থা থাকতো। সেখানে প্রথমে তাকে গীতা পড়ানো হতো। তারপর কোরআন পড়ানো হতো। তারপর দুই ধর্মের সঙ্গে তুলনামূলক আলোচনা করার মাধ্যমেই ওই ব্যক্তির মাথায় এটা ঢুকিয়ে দেওয়া হত যে ইসলাম ধর্ম হিন্দু ধর্মের তুলনায় ভালো। তারপর ধীরে ধীরে চলতে থাকতো ব্রেন ওয়াশ।

যদি কোনো মূক-বধির ধর্মান্তরণে রাজি না হতো, তবে তাকে অন্য উপায়ে ব্রেন ওয়াশ করা হত। তাকে বোঝানো হতো যে সে মূক-বধির বলেই তাকে বিয়ে দেওয়া হচ্ছে না। নিজের প্রয়োজনীয় অর্থ দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি বাড়িতে থাকলে তাঁর চাকরিও হবে না, বিয়েও হবে না এবং ভালো জীবন পাবে না। কিন্তু সে যদি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে, তবে সে সব পাবে। তাঁর বিয়ে দেওয়া হবে এবং কাজের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। আর এই ফাঁদেই পা দিয়ে ইসলামে ধর্মান্তরিত হতে রাজি হয়ে যেত তাঁরা।

কিন্তু আপাতত তদন্তকারী অফিসারদের যেটা ভাবাচ্ছে- এত বিপুল অর্থ আসতো কোথা থেকে? এই দাওয়াত সেন্টারের জন্য এত অর্থ কি উদ্দেশ্যে আসছে? এর পিছনে কোনও সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের মদত নেই তো? তার খোঁজেই এখন উত্তর প্রদেশ ATS।

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.