প্রাচীন ভারতের বিজ্ঞান সাধনা- (প্রথম পর্ব)

0
181

© পন্ডিত সুভাষ চক্রবর্তী

ভারতীয় হিসাবে আমাদের সভ্যতা-সংস্কৃতির গভীরতা, গাম্ভীর্য, ব্যাপকতা ও মর্যাদায়আমাদের গৌরব তুলনাহীন। সভ্যতা-সংস্কৃতির সংজ্ঞাতে বিজ্ঞানচেতনা অন্তর্ভূক্ত। আজ আমরা আমাদের বিজ্ঞান সংস্কৃতির উৎসমুখ খুঁজে চলবো, দেখবো প্রাচীন ভারতবর্ষে ভারতীয় বিজ্ঞান-শাস্ত্রীরা তাঁদের অসাধারণ ধীশক্তি, পর্যবেক্ষণ এবং সিদ্ধান্তের দ্বারা পৃথিবীর বিজ্ঞানের ইতিহাসে বিস্ময়কর অবদানের স্বাক্ষর রেখে গেছেন। আজকের  বিজ্ঞানের জগতে যেসব  আবিষ্কার নিয়ে আমাদের গৌরব তাদের প্রাচীন চিন্তার  সূত্রগুলি ভারতীয় শাস্ত্রীদের অজানা ছিল না—–একথা আধুনিক বিজ্ঞানীরা স্বীকার করেন। 

বিজ্ঞানের যতগুলি বিষয় বা শাখা আছে তার প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রাচীন ভারতের বিজ্ঞানশাস্ত্রীদের অবদান অসামান্য। এঁদের ধীশক্তি, পর্যবেক্ষণ ও সিদ্ধান্তগুলি লিপিবদ্ধ রয়েছে খৃ:পূ: যুগ থেকে খৃষ্টীয় মধ্যযুগ পর্যন্ত সময়কালে রচিত অমূল্য ঋদ্ধ গ্রন্থরাজিতে। 


এইসব গ্রন্থ-উদ্ধৃতি অত্যন্ত সংক্ষেপে দেওয়া হয়েছে। যাঁরা বিশেষ বিষয়ে আগ্রহী তাঁরা Google অনুসন্ধান করে  বা বিস্তারিত আমার কাছে  জানতে পারেন। সাধ্যমত চেষ্টা করবো আকর গ্রন্থ-উদ্ধৃতি দেওয়ার।বিষয়গাম্ভীর্যকে ভারতীয়ত্বের ভালোবাসা দিয়ে গ্রহণ করবেন বলে আশা করি।

মান্য সদস্যদের কাছে আজ একটা নতুন আগ্রহের বিষয়  উপস্থাপিত করব।আজকেরবিজ্ঞান গবেষণা-আবিষ্কারের পথ ধরে সৃষ্টির যে বিস্ময়কর রহস্য উন্মোচন করে চলেছে তার উৎপত্তিতে যে পাশ্চাত্য  জগতের বিজ্ঞানী ও মনীষীদের মস্তিষ্ক তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

ভারতবর্ষের মানুষ স্বদেশের প্রাচীন গবেষণা, আবিষ্কার, বিদ্যা চর্চার অতীত গৌরবকে সম্ভবত বিস্মৃত হয়ে গেছে।  আজ প্রাচীন ভারতের সেই মৌলিক চিন্তার কিছু নিদর্শন পাঠকদের সামনে তুলে ধরছি এবং দৃষ্টান্ত খুবই সংক্ষিপ্ত ও সূত্রিত যাতে আপনাদের আগ্রহ ব্যাপকতর গবেষণার জানালা খুলে দেয়।

(ক্রমশঃ)

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.