দারিদ্র থেকে মুক্তি পেতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করুক সংখ্যালঘুরা, আবেদন হিমন্ত বিশ্বশর্মার

0
57

রাজ্যের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পিছিয়ে পড়ার পিছনে জনসংখ্যা বিস্ফোরণই দায়ী। দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেতে নিজেদের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করুক সংখ্যালঘুরা, বিধানসভায় দাঁড়িয়ে এমনই মন্তব্য করলেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

শুধু এই আবেদন করেই থেমে থাকেননি হিমন্ত। সংখ্যালঘু জনগণ যাতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে, তাঁর জন্য বিরোধী রাজনৈতিক দল AIUDF-এর কাছেও সহযোগিতা চেয়েছেন হিমন্ত। তাঁর কথায়, AIUDF দলের ভালো প্রভাব রয়েছে সংখ্যালঘু এলাকায়। তাই জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করার বার্তা সংখ্যালঘুদের মধ্যে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিতে হবে বদরুদ্দীন আজমলের দলকেই।

বিধানসভায় নিজের ভাষণে সংখ্যালঘুদের দারিদ্র্য, অশিক্ষা এবং জমি দখলের প্রবণতার জন্য জনসংখ্যা বিস্ফোরণকেই দায়ী করেন হিমন্ত। তিনি বলেন, একটা সমাজে যদি ক্রমাগত জনসংখ্যা বাড়তে থাকে, তবে বেঁচে থাকার জায়গায় টান পড়ে। সেই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতেই শুরু হয় জমি বেদখল। তাই নিজেদের সমস্যা সমাধানের জন্য উচিত জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা। সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসতে হবে মুসলিম সমাজকেই।

হিমন্ত বলেন, ‛জনসংখ্যা বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে মুসলিম নারীদের শিক্ষা ও দারিদ্রের বিষয়টি। তাই অযথা সরকারের সমালোচনা না করে নিজেরাই জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা করুক। সরকার সেই কাজে সহযোগিতা করবে’।

বিগত বেশ কিছুদিন ধরেই মন্দির-সত্রের জমি থেকে দখলদারদের উচ্ছেদ করার কাজ চলছে আসামজুড়ে। আর তাতে ক্ষুব্ধ আসামের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি তথা বদরুদ্দীন আজমলের AIUDF। তাঁরা সরকারকে সংখ্যালঘু বিরোধী, মুসলিম বিরোধী আখ্যা দিচ্ছেন। তাই বিধানসভায় নিজের ভাষণে তাদেরকেই একহাত নিলেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.