বাংলাদেশ: নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন, নোয়াখালীতে খুন আওয়ামী লীগের জনপ্রিয় হিন্দু নেতা

0
41

তিনি ছিলেন আওয়ামী লীগের জনপ্রিয় হিন্দু নেতা। পরপর তিনবার নির্বাচনে জয়লাভ করেছিলেন। কিন্তু চতুর্থবারের জন্য প্রার্থী হওয়ায় কাল হলো। নৃশংসভাবে খুন করলো মৌলবাদীরা।

রবীন্দ্র চন্দ্র দাশকে কুপিয়ে এবং হাত-পায়ের রগ কেটে হত্যা করা হয়েছে! নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চর ঈশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ৩ বারের নির্বাচিত মেম্বার, হাতিয়া উপজেলা হিন্দু মহাজোটের সহ-সভাপতি রবীন্দ্র চন্দ্র দাসকে নির্মম নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা! তিনি আসন্ন ইউপি নির্বাচনে মেম্বার সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন।

গতকাল বুধবার রাত দুইটার দিকে চর ঈশ্বর ইউনিয়নের নন্দ রোডে আজাদ চেয়ারম্যানের পুরোনো বাড়ির দরজায় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহতের ভগ্নিপতি নিত্যলাল দাস জানিয়েছেন, ইউপি সদস্য রবীন্দ্র চন্দ্র দাস আসন্ন ২১ জুন অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে আবারও সদস্য প্রার্থী হয়েছিলেন। বুধবার দিবাগত রাত ২টায় তিনি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি আল আমিনসহ মোটরসাইকেলে হাতিয়া পৌরসভার ওছখালী এলাকার মাস্টারপাড়ার বাসায় যাচ্ছিলেন।

পথে চর ঈশ্বর ইউনিয়নের প্রধান সড়কের খাসেরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন নন্দ রোডে পৌঁছলে একদল দুর্বৃত্ত তাদের লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে এবং তাদের গতিরোধ করে। এ সময় মোটরসাইকেলের পেছনে থাকা আল আমিন দৌড়ে পালিয়ে যান, হামলাকারীরা রবীন্দ্রকে ধরে ফেলে। তারা প্রথমে তাকে গুলি করে। এরপর এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে এবং তার হাতের কব্জি ও পায়ের রগ কেটে ফেলে যায়। পরে, একদল টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রবীন্দ্রকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে রাত ৩টায় তিনি মারা যান।

রবীন্দ্র চন্দ্র দাস একই এলাকার তালুকদার গ্রামের সতীশ চন্দ্র দাসের ছেলে এবং চর ঈশ্বর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ছিলেন। পাশাপাশি তিনি স্থানীয় বাংলাবাজারে মাছের ব্যবসা করতেন। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগেরও সদস্য ছিলেন।

জানা গিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অপরাধীদের ধরতে ইতিমধ্যে পুলিশ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে।

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.