জঙ্গি কার্যকলাপের জন্যেই কী বাংলাদেশের উদ্বাস্তু ক্যাম্প থেকে রােহিঙ্গাদের ভারতে প্রবেশ করানাে হচ্ছে?

0
36

জঙ্গি কার্যকলাপের জন্যেই কী বাংলাদেশের উদ্বাস্তু ক্যাম্প থেকে রােহিঙ্গাদের ভারতে প্রবেশ করানাে হচ্ছে? তদন্তে নেমে এমনটাই ইঙ্গিত পেয়েছে একাধিক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। প্রাথমিক তদন্তে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থার আধিকারিকরা জানতে পেরেছে, বাংলাদেশ থেকে রােহিঙ্গাদের দেশে প্রবেশ করিয়ে তাদের বিভিন্নভাবে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে একাধিক জঙ্গি সংগঠন। তার জন্য প্রতি মাসে হাওলা ও হুন্ডির মাধ্যমে প্রচুর টাকা আসছে এই সমস্ত প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে। মূলত হায়দরাবাদ এবং জম্মু ও কাশ্মীরে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে রােহিঙ্গাদের প্রশিক্ষিত করা হচ্ছে। এর বাইরে এই রাজ্যে এবং অসমেও লস্কর-ই-তৈবা, জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশের মতাে জঙ্গি সংগঠনের প্রশিক্ষণ শিবির রয়েছে বলে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছে। তাই রােহিঙ্গা ইস্যুতে দেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলিকে বিশেষভাবে সতর্ক করেছে কেন্দ্রীয় গােয়েন্দা সংস্থা। 

এখনও পর্যন্ত নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে যতজন রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের বেশিরভাগই জম্মু ও কাশ্মীরের দিকে যাচ্ছিল। হাতে গােনা কয়েকজনকে হায়দরাবাদ নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। গােয়েন্দাদের দেওয়া তথ্য অনুসারে হায়দরাবাদ, অসম এবং পশ্চিমবঙ্গে রােহিঙ্গাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে জঙ্গি সংগঠন। তাই সম্প্রতি নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে যারা গ্রেপ্তার হয়েছে, তারা হায়দরাবাদ কেন যাচ্ছিল, সেই বিষয়টি খোঁজ করে দেখছে তদন্তকারীরা। 

গত বছরই কেন্দ্রীয় গােয়েন্দারা রােহিঙ্গা ইস্যুতে যে রিপাের্ট দিয়েছে সেই অনুযায়ী এজেন্টদের মাধ্যমে লস্কর-ই-তৈবা বাংলাদেশ রােহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে রােহিঙ্গাদের বাছাই করে আসামের করিমগঞ্জ ও বদরপুর দিয়ে ভারতে প্রবেশ করিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রশিক্ষণ নিতে পাঠাচ্ছে। এরপর তাদের জম্মু ও কাশ্মীরে পাঠানাে হচ্ছে। সেখান থেকেই তাদের ভারতের বিভিন্ন জায়গায় জঙ্গি কার্যকলাপে পাঠানাের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই সমস্ত রােহিঙ্গাদের জন্যেভুয়াে আধার কার্ড, প্যান কার্ডও তৈরি করে রাখা হচ্ছে। এমনটাই জানতে পেরেছেন কেন্দ্রীয় গােয়েন্দারা।

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.