নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে আসামের এজেন্টসহ গ্রেপ্তার ২ রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারী

0
80

লক ডাউনের কড়া বিধিনিষেধের মধ্যেও ভারতে রোহিঙ্গা মুসলিম অনুপ্রবেশ অব্যাহত। এরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভারতীয় এজেন্টের সহযোগিতায় এদেশে ঢুকে পড়ছে এবং দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ছে।

গত শনিবার নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে ২ রোহিঙ্গা তরুণীকে গ্রেপ্তার করলো রেল পুলিশ। তাঁরা কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে চেপে কলকাতা যাচ্ছিল। তাদেরকে এদেশে অনুপ্রবেশে সহযোগিতা করছিল আসামের করিমগঞ্জের বাসিন্দা জাহিরুল ইসলাম। তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, শনিবার নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনের পুলিশের কাছে খবর আসে যে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে চেপে ২ তরুণী ও এক তরুণ যাচ্ছে। তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক। সেই খবর পেয়েই নড়েচড়ে বসে রেল পুলিশ। ট্রেন নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে ঢুকতেই শুরু হয় তল্লাশি। সেই সময় আটক করা হয় ওই ২ তরুণী এবং ১ তরুণকে।

জিজ্ঞাসাবাদে ওই ২ তরুণী জানায় যে তাঁরা রোহিঙ্গা এবং বাংলাদেশের কক্সবাজারের শিবিরে থাকতো। তাঁরা করিমগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করে। সঙ্গের যুবক করিমগঞ্জের বাসিন্দা জাহিরুল ইসলাম দালালের কাজ করে এবং তাঁরই মারফত ওই ২ রোহিঙ্গা তরুণী ভারতে অনুপ্রবেশ করে। ওই ২ তরুণীর নাম রুকিয়া ওরফে রেহানা এবং আজিদা ওরফে সবকর নেহার।

ধৃতদের বিরুদ্ধে বিদেশি আইনের ১৪সি এবং ১৮এ ধারায় মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ধৃতদের আদালতে তোলা হলে বিচারক ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। এদিকে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে বারবার রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীদের গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনায় চিন্তা বেড়েছে পুলিশের। বিশেষ করে বিগত বছরগুলোতে দেখা গিয়েছে আসাম হয়ে যায় ট্রেন রুট ধরেই রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশকারীদের ঢল নেমেছে। তাই বিষয়টিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েই দেখছেন তদন্তকারীরা।

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.