বাংলাদেশ: দিবালোকে দিনাজপুরে মন্দিরের মূর্তি ভাঙচুর, গ্রেপ্তার হাফিজুল ও খাদেমুল ইসলাম

0
57

বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্ম স্থানের ওপর মৌলবাদী মানসিকতার লোকজনের হামলা অব্যাহত। প্রায় রোজই দেশটির কোথাও না কোথাও মন্দিরে হামলার ঘটনা ঘটেই চলেছে। এবারে দিনাজপুরের একটি ঘটনা সামনে এলো।

জানা গিয়েছে, দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর থানার অন্তর্গত মোমিনপুর ইউনিয়নের ইন্দ্রপুর গ্রামে একটি শ্মশান রয়েছে। সেই শ্মশানের পাশেই একটি মন্দির রয়েছে, যা স্থানীয় হিন্দুদের কাছে শ্মশান মন্দির নামেই পরিচিত। মন্দিরে বাবা মহাদেব এবং মা কালীর মূর্তি রয়েছে। শ্মশানে আগত লোকজন ওই মন্দিরে নিয়মিত পূজা দেন। পাশেই রয়েছে চন্দ্রপুর নদী। ওই নদীতে আশেপাশের এলাকার অনেকেই স্নান করতেও আসেন।

গত ২৪শে মে তারিখে নদীতে স্নান করতে আসা কয়েকজন হিন্দু বাসিন্দা লক্ষ্য করেন যে তিন যুবক মন্দিরের ভিতরে ঢুকছে। তাঁরা আরও কয়েকজনকে বিষয়টি জানিয়ে সবাই মিলে যখন মন্দিরে চত্বরে আসেন, তখন দেখেন যে মন্দিরের ভিতরে থাকা বাবা মহাদেবের মূর্তিটি ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। তাঁরা দেখেন যে মহাদেবের মূর্তির মাথা কেটে নেওয়া হয়েছে এবং মূর্তিটির হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ওই তিন যুবক দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ১ জন পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও স্থানীয় হিন্দুরা অন্য ২ জনকে ধরে ফেলেন। ওই ২ জন হলো হাফিজুল ইসলাম এবং খাদেমুল ইসলাম। কিন্তু মোঃ কালাম পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরে তাদেরকে পার্বতীপুর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

পরে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে রাম চন্দ্র রায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়েই ধৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ, যার নম্বর-৩১/২৫-০৫-২১। ধৃতদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ আইনের ২৯৫, ২৯৫(ক) ও ২৯৭ ধারায় মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পাশাপাশি, পলাতক কালামকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.