প্রাণ বাঁচাতে ভারতে ঢুকেছে ৬০০০ মায়ানমারের নাগরিক, রিপোর্ট রাষ্ট্র সংঘের

0
128

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে দেশের একাধিক রাজ্য যখন কড়া লক ডাউনের পথে হেঁটেছে, তখন চিন্তাজনক খবর এলো উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে। কারণ ভারতের উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে মায়ানমারের নাগরিকদের আগমন। তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৬০০০ শরণার্থী সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্যগুলিতে ঢুকে পড়েছেন।

গত ১লা ফেব্রুয়ারিতে মায়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে দেশের পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে। সেনার অত্যাচার থেকে বাঁচতে বহু নাগরিক দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিচ্ছেন। মায়ানমারের বহু নাগরিক সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য মিজোরামে আশ্রয় নিয়েছেন। মিজোরাম সরকারের তরফে ওই সব শরণার্থীদের জন্য থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যদিও ভারত সরকারের তরফে এখনও পর্যন্ত ওই মানুষগুলিকে শরণার্থীর তকমা দেওয়া হয়নি।

রাষ্ট্র সংঘের মুখপাত্রের দাবি যে, মায়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের কারণে প্রায় ৪০০০ থেকে ৬০০০ মানুষ ভারতের একাধিক রাজ্যে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়াও, সেনার অত্যাচারের কারণে বহু মানুষ ঘর-বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন। দিন দিন সেই সংখ্যা বাড়ছে বলেও মন্তব্য রাষ্ট্র সংঘের মুখপাত্রের। UNHCR-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৬৭,০০০ মানুষ মায়ানমারে ঘরছাড়া হয়েছেন। তাদের মধ্যে বহু মানুষ থাইল্যান্ডে আশ্রয় নিলেও বেশিরভাগ মানুষ ভারতের একাধিক রাজ্যে আশ্রয় নিয়েছেন। তবে সঠিক সংখ্যা এখনও জানা যায়নি। তবে সেই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, মায়ানমারের সঙ্গে ভারতের ১৬৪৩ কিলোমিটার আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। এই সীমান্ত মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, মনিপুর এবং অরুণাচল প্রদেশের সঙ্গে যোগ রয়েছে। তাছাড়া, সীমান্তের বহু এলাকা দুর্গম পার্বত্য অঞ্চল হওয়ায় আশঙ্কা আরও বেড়েছে। সেনার নজর এড়িয়ে ভারতে মায়ানমারের নাগরিকদের প্রবেশ বাড়ছে।

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.