মিডিয়া নীরব; রাজ্যে ভয়াবহ হিন্দু অত্যাচারের ছবি টুইটারে তুলে ধরলেন রাজ্যপাল

0
100

নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরবর্তী হিংসায় রাজ্যের পরিস্তিতি ভয়াবহ। কিন্তু রাজ্যের মেইনস্ট্রিম মিডিয়া এক প্রকার নীরবতা পালন করায় সাধারণ জনতার অনেকেই জানতে পারেননি ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা। এদিকে এমনও অভিযোগ সামনে এসেছে যে রাজনৈতিক হিংসার আড়ালে বেছে বেছে টার্গেট করা হয়েছে হিন্দুদের। হিংসার তীব্রতা এতটা ছিল যে, বহু স্থানে তা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে পুলিশ ও নিরাপত্তা কর্মীরা। বহু মানুষ ঘরছাড়া, বহু মানুষ সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর হিংসা কবলিত এলাকা ঘুরে দেখেন।

রাজ্যপাল হিংসা কবলিত পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রাম, কোচবিহার জেলার দিনহাটা, মাথাভাঙ্গায় অত্যাচারিত মানুষদের সঙ্গে কথা বলেন। সর্বত্র হিংসার ভয়াবহ ছবি চোখে পড়ে তাঁর। ভাবুক হয়ে পড়েন তিনি। সেইসব ঘটনা তিনি তাঁর টুইটারে তুলে ধরেন।

রাজ্যপাল নন্দীগ্রামে উপস্থিত হন। হিন্দু মহিলারা রাজ্যপালের পা ধরে কাঁদতে থাকেন। এক মহিলাকে বলতে শোনা যায়, ‛আমাদের ঘর-দোর সব পুড়ি দিছে। আমানে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরি বেড়াইটি’। এক মহিলা বলেন, ‛আমার দেওরকে মারি দিছে’।

এছাড়াও, নন্দীগ্রামে যাওয়ার পথে হাতে লেখা কয়েকটি পোস্টার নিয়ে অনেকেই রাস্তার ধারে দাঁড়িয়েছিলেন। সেইসব পোস্টার নজর এড়ায়নি রাজ্যপালের। তিনি সেইসব ছবি পোস্ট করেছেন নিজের টুইটারে। হিন্দু হওয়ায় খুন করা হয়েছে এক ব্যক্তিকে, এমন বক্তব্য দেখা গিয়েছে একটি পোস্টারে।

নন্দীগ্রামের যেখানেই গিয়েছেন, সেখানেই রাজ্যপালের পা ধরে কাঁদতে কাঁদতে ভয়াবহ অত্যাচারের বর্ণনা দিয়েছেন মহিলারা।

এছাড়াও, রাজ্যপাল কোচবিহার জেলার দিনহাটা ও মাথাভাঙ্গায় বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন। সঙ্গে ছিলেন সাংসদ নিশীথ প্রামানিক। সেখানে এক বৃদ্ধা মহিলা রাজ্যপালকে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

পরে আসামে আশ্রয় নেওয়া মানুষদের সঙ্গে দেখা করেন রাজ্যপাল। পরে শিলিগুড়িতে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন তিনি। সেই সম্মেলনে নিজের চোখে দেখা অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন তিনি।

বিঃ দ্রঃ – উপরের লেখাটি পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল শ্রী জগদীপ ধনকরের টুইটারে প্রাপ্ত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে লিখিত। আরও তথ্যের জন্য আপনারা রাজ্যপাল মহাশয়ের টুইটার দেখতে পারেন।

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.