বাংলাদেশ: পার্বত্য চট্টগ্রামে ৭০টি আদিবাসী পরিবারকে উচ্ছেদের চেষ্টা, অভিযোগ ‛আনসার’ বাহিনীর বিরুদ্ধে

0
65

ত্রিপুরা আদিবাসী হিন্দু সম্প্রদায়ের ৭০টি সংখ্যালঘু পরিবারকে বেআইনিভাবে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ এর অভিযোগ উঠেছে আবুল খায়ের গ্রুপের বিরুদ্ধে। উল্লেখ্য, ওই আদিবাসীদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছে, ভয় দেখানো হলো বন্দুক উঁচিয়ে, এমনই অভিযোগ উঠেছে মুসলিম দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে।

চট্রগ্রামের সীতাকুণ্ডে সোনাইছড়ি ত্রিপুরা পাড়ায় বসবাসরত হিন্দু আদিবাসী ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীকে ওই এলাকা ছেড়ে না গেলে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আবুল খায়ের গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের বিরুদ্ধে। ঘটনার বিস্তারিত বিবরণে জানা যায়, গত ১৪ই মে, শুক্রবার আনসার বাহিনীর সদস্যসহ আবুল খায়ের গ্রুপের প্রায় ৫০ জন আসেন।  সেখানে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করা ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের লোকজনকে পাড়া ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দিয়ে যান। পাড়া ছেড়ে না গেলে তাদের মেরে ফেলা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।  

প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানিয়েছেন, ৫০ জনের মধ্যে প্রায় ২০ জন আনসার বাহিনীর লোক ছিলেন। উল্লেখ্য, যে জায়গায় ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের লোকজন বসবাস করছেন তার বর্তমান মালিক স্থানীয় চেয়ারম্যান এস এম আল মামুন ডেইলি স্টার সহ বিভিন্ন নিউজ মিডিয়ায় ইতিমধ্যে জানিয়েছেন, “প্রায় ২০ বছর আগে আমি এনাম চৌধুরী নামে একজনের কাছ থেকে প্রায় ১৩ একর জায়গা কিনেছিলাম। আমার জায়গায় বসবাস করা ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের  কাছ থেকে আমি কোনো সময় ভাড়া দাবি করিনি। বরং বিভিন্ন সময় আমি তাদের পাশে ছিলাম। ওই জায়গা আবুল খায়ের কোম্পানি কীভাবে নিজেদের বলে দাবি করে?’

এছাড়াও সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিল্টন রায় সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, “প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের একটি প্রকল্পের মাধ্যমে ওই এলাকায় ত্রিপুরাদের জন্যে ১০টি ঘর নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যে জায়গায় ঘরগুলো তৈরি করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল, সেই জায়গা আবুল খায়ের গ্রুপ নিজেদের দাবি করে আদিবাসীদের বাধা দিয়েছে বলে স্থানীয়রা আমাকে জানিয়েছেন। আবুল খায়ের গ্রুপ  সেই জায়গা নিজেদের বলে দাবি করছে। সেই জায়গার কিছু অংশ বন বিভাগের হতে পারে। কিন্তু, কোনোভাবেই তা আবুল খায়ের গ্রুপের নয়।’

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.