চোপড়া: বেছে বেছে হিন্দুদের বাড়ি ও দোকান ভাঙচুর, বাদ গেলেন না তৃণমূল সমর্থকরাও

0
47

নির্বাচন পরবর্তী হিংসার খবর আসছে সারা রাজ্য থেকে। নির্বিচারে চলছে ভাঙচুর ও লুঠপাট। কয়েকটি স্থানে উন্মত্ত দুষ্কৃতীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ সফল হলেও বহু স্থানে হিংসা এতটাই বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে চলছে, কিছু করা সম্ভব ছিল না পুলিশের পক্ষে। তেমনই একটি ঘটনার খবর এলো উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া থেকে।

গত ২রা মে ভোটের ফলাফল ঘোষণার পরেই হিংসা ছড়িয়ে পড়ে বিস্তীর্ণ এলাকায়। একদল উন্মত্ত দুষ্কৃতী বেছে বেছে হিন্দুদের ঘরবাড়ি ও দোকানে ভাঙচুর করে। চলে নির্বিচারে লুটপাট। বহু দোকানের জিনিসপত্র বাইরে ফেলে দেওয়া হয়। ফলে ব্যাপক ক্ষতির মুখে ব্যবসায়ীরা।

২রা মে তারিখের পর আবার ৩রা মে সকালে চোপড়া বিধানসভা এলাকার চোপড়া বাজার, সোনাপুর, মাঝিয়ালি, দাসপাড়া, রামগঞ্জ ইত্যাদি বাজারে বেছে বেছে হিন্দুদের দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। এদের মধ্যে বহু হিন্দু ব্যবসায়ী আবার নিজেদেরক তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থক বলে দাবি করেছেন। তাদের কথায়, আমরা ব্যবসা করে দিন চালাই। আমরা অনেকেই তৃণমূল সমর্থক হওয়া সত্বেও আমাদের দোকান কেন ভাঙচুর করা হলো, প্রশ্ন করছেন তাঁরা। স্থানীয় কয়েকজন বলছেন, প্রথমে রাজনৈতিক হিংসা শুরু হলেও পরে আর তা রাজনৈতিক স্তরে নেই। পুরোটাই এখন দুষ্কৃতীদের হাতে চলে গিয়েছে। আর তাই নির্বিচারে ভাঙচুর ও লুটপাট চলছে।

এক মহিলা তৃণমূল কর্মী অভিযােগ করে বলেন, আমরা
তাে তৃণমূল করি আমাদের দোকানও ভাঙ্গচুর করে
দিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। মীনা সাহা নামে ওই
মহিলা তৃণমূল কর্মী এও বলেন আমি বিধায়ক হামিদুল
রহমানের কাছে জবাব চাইব কেন এই ধরনের ঘটনা
ঘটালাে। ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন চোপড়ার
বাসিন্দারা। চাপা উত্তেজনা দেখা দিয়েছে চোপড়া
বিধানসভার বিভিন্ন এলাকায়। যদিও চোপড়া ব্লক
তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি পৃঙ্খী রঞ্জন ঘােষ জানিয়েছেন, ভাঙ্গচুর লুটপাটের খবর তার কাছে আসেনি। তার পালটা অভিযােগ ভােটের আগে বিজেপিই তৃণমূল কর্মীদের মারধর করেছে ভাঙ্গচুর করেছিল তৃণমূলের অফিসও। আমরা শান্তি আর উন্নয়নের পক্ষে। তবে যদি কোনও বিক্ষিপ্ত কোনও ঘটনা ঘটে থাকে তা উচিত নয় বলে জানিয়েছেন পৃথ্বীরঞ্জন ঘােষ।

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.