শিতলকুচির অবস্থা ভয়াবহ, ঘর-বাড়ি ভাঙচুর ও গরু লুট, ঘরছাড়া কয়েক হাজার হিন্দু

0
55

নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরই ভয়াবহ হিংসা ছড়িয়ে পড়েছে কোচবিহার জেলার শিতলকুচি জুড়ে। শিতলকুচি কেন্দ্রে যদিও বিজেপি প্রার্থী জয়ী হয়েছেন, তবুও বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনার বিরাম নেই। বেশিরভাগ ঘটনার মুলভাগে রয়েছে মুসলিম দুষ্কৃতীরা।

শিতলকুচি ব্লকের যেসব গ্রামগুলোতে হিন্দু জনসংখ্যা কম রয়েছে, সেসব এলাকায় হিন্দুদের ওপর ভয়াবহ হামলা হয়েছে। গোলনওহাটি, পঞ্চারহাট, পাঠানটুলি, বড়মরিচা ইত্যাদি এলাকায় হিন্দুদের ওপর ব্যাপক হামলার ঘটনা ঘটেছে। হিন্দুদের ঘরবাড়ি ভাঙচুর করার পাশাপাশি ব্যাপক লুটপাট চালানো হয়েছে। অনেকের গোয়ালের গরু লুটপাট করে নিয়ে গিয়েছে দুষ্কৃতীরা, এমন খবরও পাওয়া গিয়েছে। 

আজ সকালে গোলনওহাটি এলাকায় একাধিক গ্রামে হামলা চালায় একদল মুসলিম দুষ্কৃতী। একের পর এক হিন্দু রাজবংশীদের বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। বহু হিন্দু নিজেদের ঘর ছেড়ে পালিয়ে কোনওরকমে নিজেদের প্রাণ বাঁচান। 

পঞ্চারহাট এলাকায় একইভাবে হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলা চালানো হয়। ছোট শালবাড়ি এলাকায় বোমা-গুলি নিয়ে হিন্দুদের ওপর হামলা চালায় একদল মুসলিম দুষ্কৃতী। কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়া হয়। তাতে মানিক মিত্র নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়। গুলি লেগে আহত আরো কয়েকজন। এদিকে এক বিজেপি কর্মীর হাত কেটে নেওয়া হয়েছে বলে অসমর্থিত সূত্রে খবর। 

ছবি: মৃত মানিক

পাঠানটুলি এলাকায়, যেখানে ভোট দিতে গিয়ে আনন্দ বর্মণ নামে এক রাজবংশী যুবক খুন হয়েছিলেন, সেই এলাকায়ও হামলা চালায় একদল মুসলিম দুষ্কৃতী। নির্বিচারে একের পর এক হিন্দু বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। বাড়ির গোয়াল থেকে লুট করে নিয়ে যাওয়া হয় সব গরু-ছাগল। বর্তমানে আনন্দের পরিবার গ্রামছাড়া। এদিকে ভাইয়ের খুনের কেস না তুলে নিলে গ্রামে ফিরতে দেওয়া হবে না, হুমকি দিয়ে গিয়েছে মুসলিম দুষ্কৃতীরা- জানিয়েছে আনন্দের পরিবার। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মাঝে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে রাজবংশী হিন্দুরা। 

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.