পূর্ব মেদিনীপুর: রামনগরে হিন্দু ব্যবসায়ীকে ধারালো অস্ত্রের কোপ, অভিযুক্ত শেখ কালেমের দলবল

0
84

এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে বেধড়ক মারধর করার পাশাপাশি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর ঘটনা ঘটলো পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে। গুরুতর আহত ওই ব্যবসায়ী ইতিমিধ্যেই ওই মুসলিম দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে রামনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। গত ১৭ই এপ্রিল এই ঘটনা ঘটে।

ছবি: FIR কপি

ঘটনার সূত্রপাত

জানা গিয়েছে, রামনগর থানার অন্তর্গত রাউত্রাপুর গ্রামের কৌশিক দাস পেশায় ব্যবসায়ী এবং তাঁর একটি মুদি দোকান রয়েছে। ঘটনার দিন তিনি দোকানে কেনাবেচা করছিলেন। সেইসময় দুই মুসলিম দুষ্কৃতী শেখ কালেম ও শেখ আলেম দোকানের সামনে উপস্থিত হয়। তাঁরা দোকানের সামনে থাকা স্বরূপ শ্যামল নামে এক ব্যক্তিকে মারতে শুরু করে। কৌশিক বাবু এর প্রতিবাদ করলেই ক্ষেপে যায় মুসলিম দুষ্কৃতীরা।

হিন্দু ব্যবসায়ীকে ধারালো অস্ত্রের কোপ

কিছুক্ষন পরেই জনা পঞ্চাশেক মুসলিম দুষ্কৃতী পৌঁছে যায় দোকানের সামনে। তাঁরা কৌশিক দাসকে বেধড়ক মারতে শুরু করে। তারপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে কৌশিক বাবুর ঘাড়ে কোপ মারে। অস্ত্রের আঘাতে লুটিয়ে পড়েন কৌশিক বাবু। সেই সুযোগে পুরো দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় ওই মুসলিম দুষ্কৃতীরা। পাশপাশি দোকানের ক্যাশ বাক্সে থাকা টাকা এবং কৌশিক দাসের গলায় থাকা সোনার চেন নিয়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা।

পরে স্থানীয়রা কৌশিক বাবুকে উদ্ধার করে বড়রাঙ্কুয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করে। কিন্তু অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে কাঁথি হাসপাতালে রেফার করেন চিকিৎসক। বর্তমানে ওই ব্যবসায়ী কিছুটা সুস্থ আছেন।

মুসলিম দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে FIR দায়ের

পরে ওই ব্যবসায়ীর মা গৌরী দাস রামনগর থানায় অভিযুক্ত মুসলিম দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে FIR দায়ের করেন। পুলিশে দায়ের করা অভিযোগে গৌরী দেবী কাঁটাবনী গ্রামের বাসিন্দা শেখ রহমতুল্লাহ (পিতা-শেখ মমতাজ), শেখ মিনাজুল ইসলাম (পিতা-শেখ বাবর), শেক আব্দুল, শেখ মুজিবর, ও দুর্গাপুরের বাসিন্দা শেখ শাকিল ( পিতা-শেখ ওসমান), শেখ ওসমান (পিতা-শেখ গজ) এবং আরও অনেকের নাম উল্লেখ করেছেন। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ৩০৭, ৩২৫, ৪২৭, ৩৭৯ এবং ৫০৬ ধারায় মামলা দায়ের করেছে; যার FIR নং- ১৩২/২০২১। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে পুলিশ।

Image Credit: হিন্দু সমাজ কল্যাণ সমিতি

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.