জয় শ্রী রাম

0
354

© দীপ্তাস্য যশ

অতীন বন্দোপাধ্যায়ের নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে গল্পটা তো নিশ্চয়ই পড়েছেন আপনি পাঠক। সেই গল্পের সোনাকেও নিশ্চয়ই মনে আছে আপনাদের। সোনা থাকত পদ্মা পাড়ের এক গ্রামে, কিন্তু সেখান থেকে একদিন তাকে শিকড় ছিঁড়ে চলে আসতে হয় এই পশ্চিমবঙ্গে। তারপর নানা ঘটনার ঘাত প্রতিঘাত পার করে সোনা জাহাজে চাকরি পায়। সেখানে তার কাছে জানতে চাওয়া হয় সে বীফ খায় কিনা। বীফ খেলে তার জাহাজের চাকরি পাকা হবে। সোনা তখন ভাবতে থাকে এই বীফ খাবেনা বলেই তো তারা আজ নিজেদের শিকড় ছিঁড়ে নিজদেশে পরবাসী। তার ভাই বোনেরা হাপিত্যেশ করে বসে থাকে কবে একটু দুবেলা দুই মুঠো পেট ভরে খেতে পারবে। সবই তো এই বীফ না খেতে চাওয়ার জন্যই। নিজেদের ধর্মরক্ষার জন্যই। তীব্র টানাপোড়নের মধ্যে পরে সোনা। একদিকে তার চোখের সামনে ভাসতে থাকে ভাইবোনেদের অসহায় মুখগুলো আরেকদিকে তার মাথায় ঘুরতে থাকে অসহয়তার কারন। সোনার কাছে বীফ খাওয়াটা আমাদের বুদ্ধিজীবীদের মতো এতোটাও সোজা ছিলনা।

সোনার সাথে অনেকেই নিজের মিল খুঁজে পাবেন। পশ্চিমবাংলায় তো নিজভূমে পরবাসী হয়ে থাকা মানুষের সংখ্যা নেহাত কম নয়। নিজেদের ভিটে, মাটি, পুকুর, জমি, তুলসীতলা, দুর্গামন্ডপ সেসব ছেড়ে তারা নিজ ভূমেই পরবাসী হয়েছিলেন। এমনকি কাউকে কাউকে নিজের বাড়ির লক্ষ্মীকেও ওপারেই ছেড়ে আসতে হয়েছিল। তারা জানেন গোমাংস না খাওয়ার জন্য, নিজেদের ধর্মরক্ষার জন্য কি অসহ যন্ত্রনা তাদের সহ্য করতে হয়েছে। গোমাংস খাওয়া এবং শুধুই গোমাংস খাওয়া, অন্য কোন মাংস নয় যাদের কাছে নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষতার বিজ্ঞাপন, তারা ঠিক বুঝবেননা এই মানুষগুলোর কষ্ট। এদের রাগ, ক্ষোভ, যন্ত্রনা। এদের অসহায়তা। এদের লড়াই, জেদ, প্রতিজ্ঞা। তারা বুঝবেননা কেন আজ এই মানুশগুলো জয় শ্রীরাম স্লোগানে এককাট্টা হচ্ছে।

বুদ্ধিজীবীরা বলছেন জয় শ্রীরামকে যুদ্ধের স্লোগান হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে মূল আলোচনায় ঢোকার আগে জানতে চাইব কেন বাঙালি জয় শ্রীরাম বলছে? এই প্রসঙ্গে প্রথমেই আলোচ্য বাঙালি এযাবৎ এই ভারত ভূখন্ডকে কি কি দিয়েছে, কি কি তাকে সহ্য করতে হয়েছে আর তার বিনিময়ে সে ঠিক কি পেয়েছে।

স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস যদি দেখা যায় দেখা যাবে আন্দামানে কালাপানি পার করে যারা যাবজ্জীবন জেল খেটেছিলেন তাদের নব্বই শতাংশই বাঙালি। বাঙালি স্বাধীনতার সংগ্রামে কি না করেছে। সে বোমা মেরেছে, গুলি চালিয়েছে, ফাঁসিতে ঝুলেছে, কালাপানি পার করে জেলে গেছে দেশপ্রেমের অপরাধে। সে সৈন্য বাহিনী তৈরি করেছে, সেই সৈন্যবাহিনীকে সাথে নিয়ে প্রবল প্রতাপশালী বৃটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে দেশের মাটিতে স্বাধীন ভারতের পতাকা তুলেছে। নারী, পুরুষ কাতারে কাতারে নিজেদের প্রানকে তুচ্ছ জ্ঞান করে স্বাধীনতার সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পরেছে। তার ফলশ্রুতিতে দীর্ঘ দিনের দাসত্ব ঘুচিয়ে এই দেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে।

শুধুই কি স্বাধীনতার সংগ্রাম, আজকের যে নতুন ভারত তার ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনেও বাঙালি ছিল অগ্রগণ্য। রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব, বিদ্যাসাগর, রাজা রামমোহন রায়রা নিজেদের জীবন উতসর্গ করেছেন এই নতুন ভারতের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে। পরবর্তীতে সেই ভিত্তিকে আরও দৃঢ় করেছেন স্বামী বিবেকানন্দ, ঋষি অরবিন্দরা। ভারতবর্ষের আধুনিকা শিক্ষার সূচনা হোক কিংবা আধুনিক অর্থনীতি ব্যবস্থার সূচনা সবেতেই এই বাংলার মাটি থেকেছে পথিকৃৎ। দ্বারকানাথ ঠাকুরের মতো উদ্যমী মানুষের হাত ধরে ভারতবর্ষ একদিকে যেমন ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে এগিয়ে গেছে, অপরদিকে জগদীশ চন্দ্র বোসের মতো মানুষ দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন বিজ্ঞান ক্ষেত্রে।

স্বাধীনতার সংগ্রাম হোক বা আধুনিক আত্মনির্ভর ভারতের গঠন, বাঙ্গালি কখনই পিছিয়ে থাকেনি। সর্বদাই অগ্রণী ভুমিকা পালন করেছে। কিন্তু এতো কিছুর পরে স্বাধীন ভারতে বাঙালি কি পেল?

একটা পোকায় কাটা জমি। যে মাটির জন্য প্রান দিলেন মাস্টারদা সূর্যসেন, বাঘা যতীনরা সেই মাটির দুই তৃতীয়াংশ বাঙালির কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হোল ধর্মের নামে। নিজভূমে প্রবল অত্যাচারিত, নিপীড়িত হয়ে এসে বাঙালির ঠাই হোল শ্যামাপ্রসাদ মূখার্জীর সংগ্রামের ফসল এই পশ্চিমবঙ্গে। কিন্তু সেখানেও তার দিন কাটতে থাকল অসহ্য দারিদ্র্যের মধ্যে। নিজ ভূমেই সে তখন পরবাসী। কখনও তাকে খেদানো হয় দন্ডকারণ্যের জঙ্গলে আবার কখনও তার ঠাই হয় সমুদ্রের অপরপারের আন্দামানে। নিজের শিকড় ছিঁড়ে এসে ছিন্নমূল মানুষগুলো কাটাতে থাকল এক মানবেতর জীবন। সে দণ্ডকারণ্যে পেল পোকায় কাটা চাল আর মরিচঝাপীতে পেল বুলেট। তার পিঠে লেগে থাকা কাঁটাতারের ঘায়ের কোন শুশ্রুষাই হোলনা। সে জীবন কাটাতে থাকল প্রান্তিক মানবের ন্যায়। এমনকি যার ভিটে মাটি গেলনা, দেশভাগের সেই তোড়ে তার সমাজ, তার আর্থিক অবস্থাও নড়বরে হয়ে গেল। সবে মিলিয়ে বাঙালি প্রবেশ করল এক অন্ধকার সময়ে। আর রাজনীতির স্বার্থে তাকে ক্রমাগত শুনিয়ে যাওয়া হতে থাকল “মোরা একই বৃন্তে দুটি কুসুম”। তার কান্না চাপা দিয়ে দেওয়া হোল সম্প্রীতির ঢাকঢোলে। এমনকি তার এই কান্নাকে অপরাধ বলে গণ্য করা হোল।

দীর্ঘদিনের অভ্যাসে আমাদের বুদ্ধিজীবীরা এটিকেই একটি চিরস্থায়ী ব্যবস্থা ভেবে নিয়েছিলেন। বাঙালি কিন্তু তার শত্রুকে চিনেছিল। সে ভুলে যায়নি তার শত্রুর কথা। তাই সে যখন দেখল ওপারের পরে এপারেও তার জমি দখল হতে শুরু করেছে। যে দুর্গা পুজো করার অধিকারের জন্য সে ওপার থেকে এপারে চলে এসেছে। সম্পন্ন পরিবার হয়েছে ভিখারী, সম্পন্ন চাষী হয়েছে মুটে মজুর, তার সেই অধিকারও ক্রমশ বিপন্ন হচ্ছে এই পশ্চিমবাংলারই নানা প্রান্তে। কখনও কোথাও স্লোগান উঠছে “আর্য জাতি ভারত ছাড়ো”, আবার কখনও বা তারই চোখের সামনে তার কলেজ পড়ুয়া মেয়েটা নৃশংস ধর্ষনের শিকার হচ্ছে বর্বরদের হাতে। তার প্রশাসনিক প্রধান “দুধেল গোরুদের লাথ” খাওয়ার নিদান দিচ্ছেন। বাধা দিচ্ছেন পুজোর নির্ঘন্ট পালনে। তখন সে বুঝল আবারও তার নিজ ভূমি থেকে উচ্ছেদ হওয়ার সময় আসন্ন। কারন সে তো দেখেছে সুপরিকল্পিতভাবে একের পর এক কলকারখানা বন্ধ করে দিয়ে কিভাবে তার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জীবিকার সুযোগ নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। কিরকম চতুরতার সাথে ভেঙে দেওয়া হয়েছে কৃষি ব্যবস্থার ভিত্তি। তার জেরে ভেঙে পরেছে গ্রামীন অর্থনীতি। এই দুইয়ের জেরে ভেঙে পরেছে বাঙালির সমাজও। সে বুঝল এবার তাকে ঘুরে দাঁড়াতেই হবে দেওয়ালে পিঠ তার অনেক আগেই ঠেকেছিল, কিন্তু এবার যদি সে ঘুরে না দাঁড়ায় তাহলে সে এই দেওয়ালেই চাপা পরবে। তাই সে মরিয়া হয়ে লড়াই শুরু করল। আর সেই লড়াইয়ের প্রতীক হোল দুইটি শব্দ। “জয় শ্রীরাম”।

একবার ভেবে দেখুন তো মেটিয়াবুরুজের সাফাই কর্মচারী সেই মানুষটি, যিনি আজও মাঝে মাঝেই ভুল করে মেয়ের জন্য চকোলেট কিনে আনেন। কিংবা বীরভূমের সেই মায়ের কথা। যিনি আজও ভাবেন মেয়েটা বেঁচে থাকলে এবছরে তার কলেজের পড়াটা শেষ হতো। একটু ভাবুন সেই মেয়েটির কথা, যে ভাবে দাদা থাকলে আজ যখন সে শ্বশুর ঘরে যাচ্ছে তখন দাদার বুকে মাথাটা গুঁজে দিয়ে একটু কাঁদতে পারত। ভাবুন একবার সেই ছেলেটির কথা যার চাকরির বয়স একটু একটু করে পেরিয়ে যায় আর সে অসহায়ের মতো দেখতে থাকে তার থেকে অনেক কম যোগ্যতার একজন শুধুমাত্র ওবিসি-এ নামক একটি সংরক্ষণের জেরে তার প্রাপ্য চাকরিটি বাগিয়ে নেয়।

একটু ভাবুন এই মানুষগুলোর এখন চাহিদা কি? তাদের একটাই চাহিদা। বিচার। কিন্তু কে দেবে সেই বিচার? এই প্রশাসন? যারা ধূলাগড়, কালিয়াচক, বসিরহাট, তেলিনীপাড়া সবকিছুর পরে আমাদের নিদান দেয় “দুধেল গোরুর লাথ” খাওয়ার। এরপরে যদি তার মনে প্রশ্ন জাগে সম্প্রীতির সব দায় কেন শুধু তারই, তাহলে কি সেই প্রশ্ন খুব অসঙ্গত? সেই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার দায় কার? এই বুদ্ধিজীবীদের নয় কি? কিন্তু তারা উত্তর পাচ্ছেনা এবং সে বুঝতে পারছে যুদ্ধের সময় উপস্থিত। এবার তাকে মরন কামড় দিতেই হবে। নচেৎ তার অস্তিত্বই থাকবেনা তারই ভূমিতে। এখন সে বুঝে গেছে, সম্প্রীতি নয় যুদ্ধই পথ। তাই তো সে রনহুঙ্কার দিয়ে নিজের পরিচয় জ্ঞাপন করছে। সে যে এই মাটিরই ভূমিপুত্র তা সে মনে করিয়ে দিচ্ছে এই বুদ্ধিজীবীদের, ভন্ড সম্প্রীতিবাজ রাজনৈতিকদের এই “জয় শ্রীরাম” শব্দবন্ধের মাধ্যমে। এই শব্দ দুটি তার কাছে কোন রাজনৈতিক স্লোগান বা ধর্মীয় স্লোগান নয় নিছক। এই শব্দবন্ধ তার অস্তিত্বের ঘোষণা। অবশ্যই জয় শ্রীরাম এখন বাঙালির “ওয়ার ক্রাই” বা রণহুঙ্কার। বাঙালি আরও একবার শিকড়চূত্য হতে রাজী নয়।

যদি কেউ প্রশ্ন তোলেন বাঙালির যুদ্ধের আয়োজনে কেন এই বহিরাগত স্লোগান। তাহলে তাকে সবিনয়ে বলব, রামকৃষ্ণ, শ্রীরামপুর, রামরাজাতলার এই বাংলায় রাম বহিরাগত নন। যে বাংলার মাটিতে বাঙালির সবথেকে বড় উৎসব, তার মেয়ের ঘরে ফেরার উদ্বযাপন হয় শ্রী রামের অকাল বোধনের দ্বারা সেই বাংলার মাটিতে তিনি বহিরাগত নন। তিনি তাদেরই ঘরের ছেলে।

বাংলাভাষী মাত্রেই কি সে বাঙালি? না। বাঙালির দুর্গাপুজো থাকবে। বাঙালির সরস্বতী পুজোতে হলুদ শাড়ি থাকবে। বাঙালির উঠোনে তুলসীতলা থাকবে। বাঙালির রান্নাঘরে নবান্নের নতুন চালের অঘ্রান থাকবে। বাঙালি তার ভাইয়ের কল্যাণ কামনায় যমের দুয়ারে কাঁটা ফেলবে। এই সংস্কৃতি, ঐতিহ্যের ধারক বাহকরাই বাঙালি। অন্যরা বাংলাভাষী হতে পারেন কিন্তু বাঙালি নয়। তাই এই মাটির উদ্বযাপন যে করে তারই এই মাটিতে অধিকার সর্বাগ্রে।

যদি কেউ বলেন এই দেশ অহিংসার দেশ, তাহলে তাকে সবিনয়ে মনে করিয়ে দেব এই দেশের ইতিহাস গত একশো বছরের নয়, এই দেশের ইতিহাস কয়েক হাজার বছরের। শ্রী রাম এই দেশের প্রান পুরুষ। যিনি নিজের স্ত্রীর মর্যাদা রক্ষায় অস্ত্র হাতে নিতে দ্বিধা করেননি। এই দেশ শ্রীকৃষ্ণের দেশ। যিনি আমাদের শিখিয়ে গেছেন, অহিংসা পরম ধর্ম ধর্ম হিংসা তথৈ বচঃ। অর্থাৎ অহিংসার পথ সর্বদাই শ্রেয়, তেমনিই ধর্ম রক্ষার্থে হিংসার পথ শ্রেয়। আমাদের ধর্ম কি? আমাদের ধর্ম এই মাটির যে হাজার বছরের সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য তাকে রক্ষা করা। আমাদের ধর্ম এই মাটিতে তার ভূমিপুত্রদের অধিকারকে বজায় রাখা। তাই আজ আমাদের যুদ্ধে নামতে হবে আর এই যুদ্ধে আমাদের রণহুঙ্কার “জয় শ্রীরাম”। তাই তো শব্দবন্ধের গুরুত্ব আমাদের কাছে অপরিসীম। তা রণক্ষেত্র ছাড়া অন্যত্র দিলে যে তার অমর্যাদা হয় তাও আমাদের বুঝতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে আমরা এসপার ওসপারের লড়াইতে নেমেছি। যদি আমরা থাকি এই দেশ থাকবে, এই বাংলা থাকবে। আমাদের লক্ষীর পাঁচালি থাকবে, কালী পুজোর পাঠা থাকবে। আমাদের ধানের মড়াই থাকবে। আমাদের ঘরের ছেলেরা ঘরে থাকবে। আমাদের মা লক্ষ্মীরা নিরাপদে থাকবে। আর সর্বপোরি এই মাটি আমাদের থাকবে। আর এই মাটিতে থাকবে আমাদের শিকড়। আমাদের আর ছিন্নমূল হতে হবেনা।

যুদ্ধ শেষে আমরা থাকি বা না থাকি এই মাটি আমাদের থাকা চাই। তাই তো আজ আমরা বাঙালিরা একসাথে একসুরে বলছি জয় শ্রীরাম।

লেখকের সংযোজন:

কিছুদিন আগে আনন্দবাজার ডিজিটাল থেকে আমার কাছে জয় শ্রীরাম বিতর্ক নিয়ে একটি লেখা চাওয়া হয়েছিল। উপরের লেখাটিই পাঠিয়েছিলাম। প্রায় দুই মাস পরে আজ জানানো হোল এতো কম্যুনাল লেখা ছাপা সম্ভব নয়। কারন এখানে বাংলাদেশের হিন্দুদের কথা বলা আছে, হাল আমলের দাঙ্গার কথা বলা হয়েছে তাই এই লেখার কারনে নাকি উত্তেজনা ছড়াতে পারে। বলা হয়েছিল এসব বাদ দিয়ে লিখতে, কিন্তু আমি বুঝতে পারিনি যে এই অতীত বাদ দিয়ে কি করে বর্তমান সম্বন্ধে লিখব।

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.