মথুরা: আগ্রার জামা মসজিদের নীচে রয়েছে শ্রী কৃষ্ণ জন্মভূমি মন্দিরের মূর্তি, পরীক্ষার দাবিতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের

0
93

শ্রী কৃষ্ণ জন্মভূমি থেকে শাহী ঈদগাহ মসজিদ সরিয়ে মন্দির পুনরুদ্ধার করার মামলা মথুরা কোর্ট গ্রহণ করার পর ওই মন্দিরের মূর্তি পুনরুদ্ধারের দাবি জানিয়ে আর একটি জনস্বার্থ মামলা(PIL) দায়ের করা হলো। মথুরা কোর্টে দায়ের হওয়া মামলায় দায়ের করা হয়েছে যে আগ্রার জামা মসজিদের নীচে সে কৃষ্ণ জন্মভূমি মন্দিরের মূর্তি পুঁতে রাখা হয়েছে এবং তা পুনরুদ্ধার করতে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষন(ASI)-কে দিয়ে পরীক্ষা করানো হোক।

জনস্বার্থ মামলাটি দায়ের করেছেন লখনৌ শহরের ৫ ব্যক্তি। তাদের পক্ষে মামলাটি লড়ছেন আইনজীবী শৈলেন্দ্র সিং। তিনি ঐতিহাসিক তথ্য তুলে ধরে দাবি করেছেন যে শ্রী কৃষ্ণ জন্মভূমির মন্দির ভেঙে গুঁড়িয়ে দেন ঔরঙজেব এবং মূর্তি আগ্রা নিয়ে আসেন। সেখানে জামা মসজিদের নীচে সেই কৃষ্ণের মূর্তি পুঁতে দেন।

এ প্রসঙ্গে আইনজীবী শৈলেন্দ্র সিং প্রখ্যাত ঐতিহাসিক শ্রী যদুনাথ সরকারের লেখা পেশ করেছেন আদালতে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, “Anecdotes of Aurangzeb And Historical Essays” By Jadunath Sarkar, Published By M. C. Sarkar & Sons. 902-a Harrison Road, Calcutta 1917. at Page 11-12’ the PIL stated: “The grandest shrine of Mathura, Kesav Rai’s temple, built at a cost of 33 lakhs of rupees by the Bundela Rajah Birsingh Dev, was razed to the ground in January 1670, and a mosque built on its site. The idols were brought to Agra and buried under the steps of Jahanara’s mosque that they might be constantly trodden on by the Muslims going in to pray.”

অর্থাৎ ঐতিহাসিক যদুনাথ সরকারের লেখা বই “Anecdotes of Aurangzeb And Historical Essays”-এর ১১-১২ পৃষ্ঠায় পরিষ্কার উল্লেখ রয়েছে চরম অত্যাচারী মুঘল শাসক ঔরঙজেব ১৬৭০ খ্রিস্টাব্দের জানুয়ারি মাসে মথুরার শ্রী কৃষ্ণ জন্মভূমি মন্দির ভেঙে গুঁড়িয়ে দেন। তারপর সেই মূর্তি আগ্রা নিয়ে আসেন ঔরঙজেব এবং জাহানারা মসজিদের সিঁড়ির নীচে পুঁতে দেন। কারণ হিসেবে যদুনাথ সরকার উল্লেখ করেছেন যে, যাতে মুসলিমরা নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় তা মাড়িয়ে যেতে পারেন। প্রসঙ্গত, আগ্রার জাহানারা মসজিদই স্থানীয়দের মধ্যে জামা মসজিদ নামে বিখ্যাত।

Image credit: Live Law

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.