১৮৫৭ পরবর্তী অধ্যায়: হিন্দুর জন্য শিক্ষা(দ্বিতীয় পর্ব)

0
684

© তপন ঘোষ

(প্রথম পর্বের পর)
 এর আগের পর্বে দেখানাের চেষ্টা করেছি , ১৭৫৭ থেকে ১৮৫৭ পর্যন্ত ভারতে ইংরেজ ও মুসলমানের মধ্যে চরম বৈরী সম্পর্ক , চরম শত্রুতা। ১৮৫৭ সিপাহী বিদ্রোহে দু’পক্ষেরই পরস্পরের রক্ত ঝরানাে। ব্রিটিশরা গুঁড়িয়ে দিল সিপাহী বিদ্রোহ, মুসলমানের জেহাদ করার স্বাদ, ভারতকে পুনরায় দারুল ইসলামে পরিণত করার স্বপ্ন ও বাহাদুর শাহ জাফরকে পুনরায় ভারতের বাদশা করার বাসনা। কিন্তু তারপর ? তারপর পাল্টালাে ভারতের মুসলমানের দৃষ্টিভঙ্গি ও মানসিকতা। শত্রু ইংরেজের বশ্যতা স্বীকার করে নিল এবং তাদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করে নিল। তাদের এই দিল পরিবর্তনে একটা বড় ভূমিকা পালন করেছিলেন স্যার সৈয়দ আহমেদ খাঁন। তাঁর স্থাপিত আলিগড় মহমেডান অ্যাংলাে ওরিয়েন্টাল কলেজ এই কাজে মাধ্যম হিসাবে কাজ করেছিল। 
  মুসলমানের দিল(হৃদয়) কতটা পরিবর্তন হল? উত্তরটা ইতিহাসে স্পষ্ট। ১৮৬০-৭০ দশকে বাংলায় শুরু হল হিন্দু জাতীয়তাবাদী আন্দোলন। সেটাই ১৯ শতকের শুরুতেই রূপ নিল ব্রিটিশ বিরােধী সহিংস ও সশস্ত্র আন্দোলনে। সেটা চললাে উনিশশাে তিরিশের দশক পর্যন্ত। ওদিকে মহারাষ্ট্রে আঠারােশাে সত্তরের দশকে বাসুদেব বলবন্ত ফাড়কের নেতৃত্বে শুরু হল ব্রিটিশ বিরােধী সশস্ত্র সংগ্রাম। আঠারােশাে সাতানব্বই সালে মহারাষ্ট্রে চাপেকর’রা তিনভাই হত্যা করলেন অত্যাচারী ব্রিটিশ অফিসার ডব্লিউ সি রান্ড সাহেবকে। সারা ভারতে ব্রিটিশ বিরােধী সহিংস ও অহিংস আন্দোলন ব্যাপকভাবে শুরু হয়ে গেল। ইংরাজ বাহাদুরের রাতের ঘুম কেড়ে নিল। দেশপ্রেমিকরা। রবীন্দ্রনাথের লেখা “ লক্ষ পরাণে শংকা না জানে না রাখে কাহারাে ঋণ, জীবন মৃত্যু পায়ের ভৃত্য চিত্ত ভাবনাহীন ” কবিতার লাইনকে মূর্ত রূপ দিল ভারতমাতার ত্যাগী সাহসী সন্তানেরা।  ‘ বন্দেমাতরম্ ’  বলতে বলতে ফাঁসির দড়িকে চুমু খেয়ে গলায় পড়ল কত বিপ্লবী। ব্রিটিশ সৈন্যের গুলির সামনে বুক এগিয়ে দিল কত দেশপ্রেমিক। কালাপানির পাড়ে আন্দামানের ভয়ঙ্কর সেলুলার জেলে বলদের পরিবর্তে কত বিপ্লবী তেলের ঘানি টানতে লাগল স্বদেশী গান গাইতে গাইতে। এসবের তালিকা অন্তহীন। এতে শহীদের তালিকাও আছে , সেলুলার জেলে বন্দী তালিকাও আছে। সেই তালিকা গুলির একটু সমীক্ষা ঐতিহাসিকরা করেছেন কি? করে থাকলেও তার থেকে যে সত্যটা বেরিয়ে আসে সেই সত্যকে স্বীকার করার মত সাহস ও সততা আমাদের দেশের তথাকথিত প্রগতিশীল সেকুলার ঐতিহাসিকদের নেই। নেহেরু স্তাবক ডঃ তারাচাঁদেরও নেই , কমিউনিস্টের সেবক রােমিলা থাপার , ইরফান হাবিব , বিপান চন্দদেরও নেই । 

শহীদ তালিকার সামান্য পর্যবেক্ষণ ও সমীক্ষা থেকে বেরিয়ে আসা সত্যটা হল , ভারতে মুসলমানরা ব্রিটিশ বিরােধী ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রাণ দেয়নি রক্ত দেয়নি । যদিও তারা ছিল ভারতের মােট জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ । তিনটি রাজ্যের যুবকরা সবথেকে বেশি সংখ্যায় শহীদ হয়েছে বাংলা , পাঞ্জাব ও মহারাষ্ট্র । এর মধ্যে দুটি রাজ্য আবার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ ও হিন্দু সংখ্যালঘু রাজ্য — বাংলা ও পাঞ্জাব । অথচ এই তিনটে রাজ্যেই শহীদের তালিকায় একজনও মুসলমানের নাম নেই । কেন ? আর সারা ভারতের তালিকায় অনুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে খুঁজলেও বড় জোর এক-আধটা নাম পাওয়া যেতে পারে । একটি নাম বহুল পরিচিত — উত্তপ্রদেশের আসফাকুল্লা খাঁ । এটাকে কি একেবারেই ব্যতিক্রম বলব না ? মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলায় ও পাঞ্জাবে একজনও মুসলিম শহীদের নাম পাওয়া যায় না কেন ? 
   

অর্থাৎ ১৮৫৭ পর্যন্ত প্রচণ্ড পরিমাণে ব্রিটিশ বিরােধী মুসলমানেরা ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে সেই ব্রিটিশের বিরুদ্ধে অংশ নিল না কেন ? প্রাণ দিল না কেন ? আশি শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত চট্টগ্রাম জেলায় মাস্টারদা সূর্য সেনের পরিচালিত গুপ্ত বিপ্লবী দলের ১৫০ জন সদস্যের মধ্যে একজনও মুসলমান ছিল না কেন ? এই প্রশ্নের উত্তর হল — ওদের দিল্ পরিবর্তন হয়ে গেছে । ১৮৫৭ পর্যন্ত ইংরেজ বিরােধী মুসলমান ১৮৫৭-র পর ইংরেজের বন্ধু হয়ে গেল । এই পরিবর্তনের প্রক্রিয়াটা শুরু করেছিলেন , স্যার সৈয়দ আহমেদ খাঁন । কিন্তু এতবড় দেশে ( তখন অখণ্ড ভারত ) এত বিশাল মুসলিম সমাজের মধ্যে এত দ্রুত এত সহজে এই পরিবর্তন ঘটানাে গেল কী করে ? এটা একটু অস্বাভাবিক মনে হয় না কি ? আমার ইতিহাসবােধ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে আমি মনে করি , এই বিরাট পরিবর্তন স্যার সৈয়দ আহমদ খাঁন ঘটান নি । মুসলিম সমাজ এই পরিবর্তনের জন্য তৈরি ছিল , তৈরি আছে ও সবসময় তৈরি থাকে । স্যার সৈয়দ আহমেদ শুধুমাত্র প্রদীপের সলতেতে আগুন দেওয়ার কাজটা করেছিলেন । 
  

ব্যাখ্যা করে বােঝানাে একটু কঠিন , তাও চেষ্টা করছি। মুসলমানদের স্থায়ী শিক্ষা , মূল শিক্ষা , প্রধান শিক্ষা , শুরু থেকে শিক্ষা হল এই যে একমাত্র আল্লা ও আল্লার বান্দারা তােমার আপন। আর সবাই পর । সেই পর-এর মধ্যে ইংরেজ , খ্রিস্টান , হিন্দু , বৌদ্ধ , জৈন , ইহুদি সবাই পড়ে। সবাই যখন পর , তখন তাদের মধ্যে কেউ স্থায়ী বন্ধু হতে পারে না , স্থায়ী শত্রুও হতে পারে না। আপন শুধু আল্লা। সেই আল্লার কাজ করতে , আল্লার নির্দেশ পালন করতে , জগতকে দারুল ইসলাম করতে , জগতে শরীয়তি শাসন লাগু করতে প্রয়ােজন মতাে বন্ধু পাল্টানাে যায় । তাইতাে ১৮৫৭ আগের শত্রু ১৮৫৭-র পরে বন্ধু হয়ে গেল । ইংরাজকে মেরে যখন ঠাণ্ডা করতে পারলাম না , তখন তাদের ছাতার তলাতে থেকেই আল্লার কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যাক । একেই এতক্ষণ বলছি দিল্ পরিবর্তন । ভুল বলেছি । এটা দিল পরিবর্তন নয় , দিমাগ পরিবর্তন । অর্থাৎ রণকৌশল পরিবর্তন , স্ট্র্যাটেজি পরিবর্তন । রণকৌশল তাে পাল্টানাে যেতেই পারে ! উদ্দেশ্যটা তাে ঠিক আছে — আল্লার কাজ । ওরা তা করে দেখিয়ে দিল । প্রাক্তন শত্রু ইংরেজের ছাতার তলাতে থেকেই এক তৃতীয়াংশ ভারতকে ১৯৪৭ সালে দারুল ইসলাম করে নিল । ওদেরনীতি হল আল্লার কাজে কেউ স্থায়ী বন্ধু নয় , কেউ স্থায়ী শত্রু নয়।
   

আমার এই বক্তব্যকে বােঝাতে আরাে একটা বড় উদাহরণ দেবাে । ১৯৪৭ সাল থেকে ভারত পাকিস্তান জন্ম শত্রু । আজও সেই একই অবস্থা । ১৯৪৭ সেপ্টেম্বর মাসেই পাক হানাদার বাহিনী কাশ্মীর আক্রমণ করলাে । ১৯৬২ তে চীনের সঙ্গে যুদ্ধে আমরা হেরে যাওয়ায় পাকিস্তান উৎসাহিত হয়ে ১৯৬৫ তেই আবার ভারত আক্রমণ করলাে । ১৯৭১-এ ইন্দিরা গান্ধী প্রাে-অ্যাকটিভ রােল নিয়ে পূর্ব-পাকিস্তানে সেনা ঢুকিয়ে দিলেন । আবার তুমুল যুদ্ধ হল । তিনটে যুদ্ধেই পাকিস্তান গাে-হারান হেরে গেল । শুধু তাই নয় , ১৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর ৯৩ হাজার পাক সৈন্য ঢাকা রমনা ময়দানে অস্ত্র নামিয়ে রেখে ভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে লজ্জা ও অপমানের বিশ্বরেকর্ড স্থাপন করলাে । পাকিস্তান ভেঙে দু টুকরাে হয়ে গেল । জন্মশত্রু চিরশত্রু ভারতের কাছে এই লজ্জাজনক আত্মসমর্পণ এই অপমান তাদেরকে সহ্য করতে হল । পূর্ব পাকিস্তানের বাংলাভাষী মুসলমানের বেইমানির জন্য পাকিস্তানের কোমর ভেঙে যাওয়া , দু-টুকরাে হয়ে যাওয়ার অপমান তাদের বুকে মৃত্যুবাণের থেকেও বেশি আঘাত হেনেছে । হুমায়ুন আজাদের লেখা ‘ পাক সার জমিন সাদবাদ ’ বইটির ছত্রে ছত্রে ওদের সে বেদনার বর্ণনা পাওয়া যায় । এমনিতেই বাংলাভাষী মুসলমানকে পশ্চিম পাকিস্তানের মুসলমানরা অবজ্ঞার চোখে দেখত । আর ১৯৭১-এর চরম পরাজয় ও পরম অপমানের পর তারা তাে নবগঠিত বাংলাদেশের মুসলমানদের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে পড়েছিল । কিন্তু দিল্ ক্ষেপে গেলে কি হবে , দিমাগ বা মাথা ছিল তাদের ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা কুল কুল । মাত্র চার বছরের মধ্যেই বাংলাদেশের পালের গােদা , হতচ্ছাড়া নচ্ছার ( ওদের চোখে ) মুজিবুর রহমানকে ১৯৭৫ সালে ১৫ ই আগস্ট প্রাসাদ চক্রান্তে ( ইসলামিক আর্ট ) খতম করে দিয়েই বাংলাদেশের প্রতি সব শত্রুতা ভুলে গিয়ে তাকে আবার আপন করে নিল পাকিস্তানিরা । আল্লার কাজ করতে হবে তাে ! জন্মশত্রু চিরশত্রু ভারতের থেকেও মুসলিমপ্রধান বাংলাদেশ কি বড় শত্রু হবে ? ওরাও তাে আল্লার বান্দা ! তাই ওদেরকে কাজে লাগাও জন্মশত্রু ভারতকে টাইট করতে এবং আল্লার কাজ হাসিল করতে ।
 

 আল্লার কাজটা কী ? এত বড় ভারতটাকে দারুল ইসলাম করতে হবে না ? সে কাজেও বাংলাদেশ সহায়ক হতে পারে । এতবড় দেশটাকে এক সঙ্গে গেলা যাবে না । কেকের মত কেটে কেটে গিলতে হবে। এর জন্য কাশ্মীরের পর সবথেকে নরম জায়গা হল ভারতের পূর্বাঞ্চল। প্রথম আসাম তারপর পশ্চিমবঙ্গ , তারপর বিহার।  ভারতের এই পূর্বাঞ্চলকে ইসলামিকরণ করার জন্য , দারুল ইসলামে পরিবর্তিত করার জন্য বাংলাদেশ বড় হাতিয়ার হতে পারে। তাই ভুলে যাও পূর্ব শত্রুতা , আগের ঘৃণা বিদ্বেষ । কাছে টেনে নাও ওদের । ঘাঁটি গাড় ওখানে । আল্লার থেকে আর কে আছে বেশি আপন ? কেউ নয় । তাই আল্লার কাজ করতে আগের শত্রুকে বন্ধু করে নাও । 

   

আল্লার প্রতি এই নিষ্ঠা ও আনুগত্য থেকে মুসলমানদের মধ্যে তৈরি হয়ে আছে এক বিরাট নমনীয়তা বা ফ্লেক্সিবিলিটি। তাই তারা আজ শত্রুকে কাল বন্ধু করতে পারে, আজকের বন্ধুকে কালকে শক্র করতে পারে। ওদের মধ্যে এই শিক্ষা এই দীক্ষা স্যার সৈয়দ আহমেদ খাঁনের তৈরি নয়। এ ওদের কোরান হাদিসের শিক্ষা , শরীয়তের শিক্ষা , ইসলামিক ইতিহাসের শিক্ষা । এই শিক্ষা ওদের মধ্যে ছিল-আছে-থাকবে । স্যার সৈয়দ আহমেদ খাঁনের মত ব্যক্তিরা এতে শুধু সলতেতে আগুন ধরানাের কাজটুকু করেন ।
   

আমাদের খুব কাছের দৃশ্য একটু তাকিয়ে দেখুন । রেজ্জাক মােল্লা , শওকত মােল্লা , সাজাহান শেখ , মগরাহাটের সেলিমদের – কে দেখুন । কত সহজেই এরা লালঝাণ্ডা ছেড়ে দিয়ে দিদির সবুজ সাদা আঁচলের নিচে আশ্রয় নিলেন । এদের বিবেকে , আত্মসম্মানে একটুও ঘা লাগল ? না লাগেনি । আল্লার কাজই বিবেক , আল্লার কাজই তাে আত্মসম্মান । তার থেকে বড় বিবেক বড় আত্মসম্মান আর কিছু আছে নাকি ? লালঝাণ্ডা ধরে ওরা আল্লার কাজকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে । ভাঙড় , মগরাহাট , জীবনতলাকে হিন্দু অতি-সংখ্যালঘু ব্লকে পরিণত করে দিয়েছেন । পশ্চিমবঙ্গে একশাের বেশি ব্লক হিন্দু সংখ্যালঘু হয়ে গিয়েছে । আর একশােটা ব্লকে করতে পারলেই “ নারায়ে তকবীর — আল্লা হু আকবর ” । ফিরে আসবে ১৯৪৬-৪৭ । আবার দেশভাগ । আবার ইসলামের হাতে একটা বিরাট ভূমিখণ্ডকে সমর্পণ । বেচারা কমিউনিস্ট সুভাষ চক্রবর্তী একবার মাত্র তারাপীঠ গিয়ে ( তাও যাতায়াতের পথে ) মন্দির ঢুকে শুধু হাতজোড় করে তারামা’কে প্রণাম করেছিলেন , পুজোটুকুও দিতে পারেন নি । তাতেই গেল গেল রব উঠেছিল । আর এই একই দলের আর এক নামকরা কমিউনিস্ট নেতা রেজ্জাক মােল্লা বুক ঠুকে হজ করে এসে জমজমের পানি দিতে চলে গেলেন ত্বহা সিদ্দিকীর কাছে। কেউ রে-রে করে উঠল না । রেজ্জাক মােল্লা সাহেবের এই ফ্লেক্সিবিলিটির উৎস কোথায় ? স্যার সৈয়দ আহমেদ খানের শিক্ষায় ? না। কোরান হাদিসের শিক্ষায় । 
 

এই আমার ১৮৫৭-র কাহিনী / গল্প । মহা বিদ্রোহ , মহাজেহাদ , মহারক্তক্ষয় , মহাপরিবর্তন — এসব কিছুর পরেও ইসলামের প্রসার , দারুল ইসলামের এলাকা বৃদ্ধি, ইসলামিক উম্মার আয়তন বৃদ্ধি। মহা হাতিয়ার মহা নমনীয়তা , মহা ফ্লেক্সিবিলিটি, অবশ্যই কোরান হাদিসের শিক্ষার আলােকে। 

(সমাপ্ত)

(লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয় হিন্দু সংহতির মুখপত্র ‛স্বদেশ সংহতি সংবাদ’-এর এপ্রিল, ২০১৬ সংখ্যায়)

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.