এদেশে হিন্দু খুন হলে ‛ধর্মনিরপেক্ষতা’ বিপদে পড়ে না কেন?

0
361

নব্বইয়ের দশকে কাশ্মীরের মাটি থেকে পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে হিন্দুদের হত্যা, ধর্ষণ, মন্দিরে আগুন দেওয়াসহ নানা ঘটনা ঘটেছিল। তারপর ধীরে ধীরে কাশ্মীর থেকে হিন্দুদের বিতাড়ন করা হয়েছিল। সেদিন দেশের সংবিধান ছিল, ধর্মনিরপেক্ষতা ছিল, আইন ছিল, পুলিশ ছিল, প্রশাসন ছিল। কিন্তু তা সত্বেও আমাদের মহান সংবিধান হিন্দুদের বাঁচাতে পারেনি। কিন্তু এত বছর পরেও যেন সেই অবস্থা ফিরে আসার প্রতিধ্বনি।

এবারে ইসলামিক মৌলবাদীরা টার্গেট করছে জম্মুর হিন্দুদের।

জম্মুর শ্রীনগরের খুবই জনপ্রিয় কৃষ্ণ ধাবা। গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি, সেই ধাবার মালিকের ছেলে আকাশ মেহেরাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় ইসলামিক সন্ত্রাসবাদীরা। তাকে তৎক্ষণাৎ ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। দশদিন পর আজ সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। তাকে হত্যার দায় স্বীকার করেছে চৌধুরী ইয়াসিন- যে ইউনাইটেড জিহাদ কাউন্সিলের নেতা। এই জিহাদ কাউন্সিলের শিকড় আবার পাকিস্তানের মাটিতে।

কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার এই যে, দেশের তামাম সেক্যুলার মিডিয়া ও বুদ্ধিজীবী আজ মুখে কুলুপ এঁটেছে। আজ কেউ টুইট করছে যে দেশের সেক্যুলারিজম বিপদে। দেশের সংবিধান বিপদের মুখে। পত্রিকায় প্রবন্ধ প্রকাশিত হচ্ছে না। টুকড়ে টুকড়ে গ্যাং রাস্তায় মোমবাতি হাতে নিয়ে বের হয়নি। আজ চারিদিকে শুধুই নিস্তব্ধতা। সবাই আজ সেক্যুলারিজমের ছায়াতলে গভীর নিদ্রামগ্ন।

ভারতে হিন্দুর প্রাণের কোনো মূল্য নেই। যে দেশের আইন, সংবিধান, সরকার হিন্দুদের নিরাপত্তা দিতে পারেনা। সেক্যুলারিজমের বুলি আউড়েও নিরাপদ নয় হিন্দুর জীবন। আকাশ মেহেরার খুন হওয়া সেটা আর একবার প্রমাণ করলো।

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.