বেপরোয়া মুসলিম তোষণ! গঠিত হলো পশ্চিমবঙ্গ নস্যশেখ উন্নয়ন পর্ষদ

0
736

নস্যশেখদের দাবি মেনে অবশেষে তাদের উন্নয়নে পশ্চিমবঙ্গ নস্যশেখ উন্নয়ন পর্ষদ গঠন করলো রাজ্য সরকার। ২২শে ফেব্রুয়ারি গেজেটে তা প্রকাশ করা হলো। কোচবিহারের জেলাশাসককে পর্ষদের চেয়ারম্যান করে প্রাথমিকভাবে আটজনের তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। জেলা শাসক ছাড়াও তালিকায় বজলে রহমান, মহম্মদ সর্বাদি, মিন্টি আলী মন্ডল, ফরিদ আকতার গাজী, আনারুল ইসলাম, শওকত আলী ও শফিউর রহমান রয়েছেন। কোচবিহারে পর্ষদের সদর দপ্তর হবে। জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গের কোচবিহার থেকে মালদহ পর্যন্ত ৪০ লক্ষ নস্যশেখের উন্নয়নে এই পর্ষদ কাজ করবে।

নস্যশেখ কারা? যে সমস্ত হিন্দু রাজবংশী বহু পূর্বে ইসলামে ধর্মান্তিরত হয়েছিলেন, তাঁরা নিজেদেরকে নস্যশেখ বলে দাবি করে থাকেন। এরা এমনিতেই সংখ্যালঘু মুসলিম হিসেবে সরকারি নানা সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন। এমনাকি মমতা ব্যানার্জির তৃণমূল সরকার নস্যশেখদের দাবি মেনে ওবিসি আইনে সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণের আওতায় এনেছেন। তারপরেও এদের দাবি ছিল যে নস্যশেখদের উন্নয়নে উন্নয়ন পর্ষদ গঠন করা হোক। দাবি ছিল, রাজবংশীদের সমান সুযোজ সুবিধা তাদেরকে দেওয়া হোক। এমনকি কিছুদিন আগে তাদের দাবি না মানলে তাঁরা মীমকে ভোট দেবেন বলে হুমকিও দিয়েছিলেন। আর তাতেই তড়িঘড়ি নস্যশেখ উন্নয়ন পর্ষদ গঠন করলো রাজ্য সরকার।

এমনিতেই উত্তরবঙ্গের ভূমিপুত্র হলেন হিন্দু রাজবংশীরা। হিন্দু রাজবংশীরা যথেষ্ট বঞ্চিত। শুধু তাই নয়, পুরো উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি জেলায় তাঁরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। ভোটের মুখে তাদের দিকে নজর না দিয়ে মুসলিম তোষণের পদক্ষেপ হিসেবে নস্যশেখ উন্নয়ন পর্ষদ উন্নয়ন গঠন করায় বিস্মিত অনেকেই। তাছাড়া, নস্যশেখ কারা, তা কিভাবে ঠিক করা হবে, তা নিয়ে এমনিতেই ধোঁয়াশা রয়েছে। ফলে সাধারণ মুসলিমরা এই তালিকায় ঢুকে সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিতে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে। আর এই তোষণের ফকে হিন্দু ভোটাররা তৃণমূল থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় কিনা, সেটাই দেখার।

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.