হিন্দু জাতির অধঃপতনের নেপথ্যে চিত্র- ষষ্ঠ পর্ব

0
201

© পবিত্র রায়


এরপর এলো ভারতবর্ষে মুসলমান আগ্রাসনের প্রাথমিক পর্বের সমাপ্তি পর্যায়। রাজা দাহিরের সাথে ঘনিয়ে এলো বিন কাশিমের যুদ্ধের সম্ভাবনা। দাহির নিজে মিহরান নদীর তীরে ও পূত্র জয়সিয়াকে বেইজ দুর্গে নিয়োগ করলেন।কাশিম নদী পার হওয়ার চেষ্টা করছেন জানতে পেরে এক মন্ত্রী,যিনি আবার বৌদ্ধ শ্রমণ,তাঁকে বাধা দেওয়ার জন্য পাঠালেন। আরোর দুর্গের দায়িত্ব দিলেন দাহিরের অন্য এক পূত্র ‘ফুফি’কে। মন্ত্রী শ্রমণ কাশিমের নদী পার হওয়া আটকাতে পারলেন না। নিজের পরাজয়ের খবর নিয়ে দাহিরের কাছে পৌঁছালে ক্রুদ্ধ দাহির শ্রমণের শিরোচ্ছেদ করলেন। এরপর চুড়ান্ত যুদ্ধ হলো । চুড়ান্ত যুদ্ধে দাহিরের পরাজয় হলে ১০ রমজান, হিজরি ৯৩ তারিখ বা ৭১২ খ্রিস্টাব্দের জুন মাসে সূর্যাস্তের সময় রাওয়ার দুর্গে রাজা দাহিরকে হত্যা করা হয়।সূর্যাস্তকে সামনে রেখে বলা যায় ভারতবর্ষেরও সূর্যাস্ত হয়ে এই দেশের ললাটে শুরু হল এক অন্তহীন অমানিশার। রাজা দাহিরের পরাজয় ও মৃত্যু সংবাদ শুনে বৌদ্ধরা অতি আহ্লাদিত হয়ে বিহার, মন্দির ও মঠগুলোতে বড় বড় ঘন্টাগুলো নিরন্তর বাজাতে থাকল মহম্মদ বিন কাশিমের বাহিনীকে স্বাগত জানাতে- মুসলমানদের সমৃদ্ধির জন্য বৌদ্ধরা সমবেত প্রার্থনাও করল।

এ পর্যায়ে দেখা যায় রাজা দাহিরের পরাজয় ও মহম্মদ বিন কাশিমের তথা মুসলমানদের প্রথম সফল আক্রমণকে সফলতা দেওয়ার ক্ষেত্রে বৌদ্ধদের বিশ্বাসঘাতকতা যে বেশ ভালরকম ভূমিকা রেখেছিল- সে বিষয়ে নিঃসন্দেহ হওয়া যায়।এইমতভাবে বৌদ্ধরা বিশ্বাসঘাতকতা না করলে বিন কাশিমের প্রথম ‘সফল ভারত হামলা’ নামক যুদ্ধ কোনওমতেই সফল হতে পারত না বৌদ্ধদের মত আত্মঘাতী ধর্মীয় মতবাদ পৃথিবীতে বোধকরি আর দ্বিতীয়টি নেই। ভূমধ্যসাগরের উপকূল থেকে মারতে মারতে যে ধার্মিক ব্যক্তিরা বৌদ্ধদের উৎপত্তিস্থল ভারতবর্ষে এনে ঠেকিয়েছিল,যে হিন্দুরা তাঁদের ঠাঁই দিয়েছিল, সেই হিন্দুদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে খুনিদেরকেই আপন করে নিল এই উন্মাদ বৌদ্ধদের দল।

দাহিরের মৃত্যুর কারণ হিসেবে দৃষ্টিপাত করলে দেখা যায় প্রথম কারণ হলো মন্ত্রী বুধিয়ানের ভাড়াটে মুসলিমদের সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগ, যাঁরা যুদ্ধের সময় বিশ্বাসঘাতকতা করে গোপন সব খবর পাচার করে শত্রু মুসলিম পক্ষে যোগদান করে। এর পরেই চলে আসে বৌদ্ধদের বিশ্বাসঘাতকতার কথা। সিন্ধু অভিযান কালে নিরুনের গভর্নর এক বৌদ্ধ শ্রমণের ব্যবস্থাপনায় সিয়ুস্তানের দিকে এগিয়ে যায় মুসলিম বাহিনী। বাহরাজ থেকে আরও এক শ্রমণকে নিয়ে বজ্রের সাথে দেখা করে রক্তপাত বিরোধিতার কথা বলে সর্বপ্রথমেই বজ্রের মনোবল ভেঙে দেওয়া হয়। এরপর জানমালের নিরাপত্তার কথা বলে ভীতি প্রদর্শন করা হয়।আরবদের বড় দেখানোর জন্য চুক্তি রক্ষাকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে বজ্রের মন আরবদের প্রতি কোমল বানানোর চেষ্টা করে বৌদ্ধ শ্রমণরা। এখান থেকেই বজ্রকে মানসিকভাবে দুর্বল করে দিয়ে পরাজয়ের সুবন্দোবস্ত করে দেয় শ্রমণরা।আধা পরাজিত বজ্র যখন পূর্ণ পরাজয়ের আশঙ্কা করে পালালেন এবং এমনই এক জায়গায় আশ্রয় পেলেন যেখানকার প্রশাসক নিজেও একজন শ্রমণ। সিসাম দুর্গের সেই শ্রমণের নাম ছিল ‘কাকা’। এই কাকা আবার জ্যোতিষ শাস্ত্রের উল্লেখ দেখিয়ে বজ্রকে শুধু মানসিকভাবে ভেঙে দিলেন না,বিশ্বাসঘাতকতা করে যোগ দিলেন শত্রু আরবদের দলে। তন্ত্র ও জ্যোতিষশাস্ত্র বৌদ্ধ মতবাদকে কী ভাবে আশ্রয় নিয়েছিল তথা সমাজটাকে গ্রাস করে নিয়েছিল, শ্রমণ কাকা তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে। আজও আমরা সেই বৌদ্ধিক তন্ত্র- মন্ত্র ও জ্যোতিষ নিয়ে চর্চা করে চলেছি।নিজেদের হীনবল করার জন্য সেসব বিশ্বাসও করছি!
বিশ্বাসঘাতকতার পরিণাম ফল বৌদ্ধরা অচিরেই পেল। দাহিরের মৃত্যুর পর বিন কাশিম ও তাঁর মুসলিম বাহিনী সিন্ধু প্রদেশে যেখানে যত বৌদ্ধদের পেল,পাইকারি হারে কচুকাটা করতে থাকল।যাঁদের খুন করা হলো না,তাদের করা হল ধর্মান্তর। খুন হওয়া দল মহাযানে চেপে বুদ্ধলোক গমণ করল,আর বেঁচে থাকা দল হীনযানে চেপে বসে মুসলমান হয়ে উদ্ধার পেল!দাহিরের মৃত্যুর পর হিন্দুরা বিক্ষিপ্তভাবে যেখানে সেখানে মুসলিম বাহিনীকে আক্রমণ করে বাধা প্রদান করছিল ফলে হিন্দুদের সমীহ করতে শুরু করল মুসলিম বাহিনী।

এরপর হিন্দুদের দিক থেকে মুসলিম বাহিনী মুখ ঘোরাল বৌদ্ধদের দিকে। বৌদ্ধদের বাধা দেওয়ার কেউ ছিল না।দেশের সাথে বিশ্বাসঘাতকতার ফল বেশ রসিয়ে রসিয়ে পেতে থাকল বৌদ্ধ নামক উন্মাদ মতবাদধারীদের দল প্রসঙ্গত, রাজা দাহিরের মৃত্যুর পর হিন্দুদের চাইতে বৌদ্ধরা মৃত্যুবরণ করেছিল অনেক বেশী।অনেকেই মনে করেন,সিন্ধু প্রদেশে বৌদ্ধ হত্যার পরিমাণ এতটাই বেশি ছিল যে একপ্রকার বৌদ্ধশূন্য হয়ে গিয়েছিল সিন্ধু প্রদেশ। এরপরও ভারতবর্ষে বেশ ভালভাবেই বৌদ্ধমতবাদ বিদ্যমান ছিল।আস্তে আস্তে সেই মতবাদ স্তিমিত হতে থাকে ।

বৌদ্ধ ধর্মের অবলুপ্তির কারণ হিসেবে অনেকেই মনে করেন:-
১) বৌদ্ধ মতবাদের অসারতা বৈদিক পন্ডিতগণ নিরন্তর যুক্তি সহকারে মানুষকে বুঝাতেন ও দেখিয়ে দিতেন।
২) বৌদ্ধরা আগাগোড়াই রাষ্ট্রদ্রোহী।এর জন্য বৈদিক হিন্দুগণ এদের ঘৃণা করত।এই মতবাদ উপড়ে ফেলার জন্য নিরন্তর কাজ করে গিয়েছে হিন্দু সমাজ – বিশেষ করে রাজপুত রাজ্যগুলি এব্যাপারে সবচাইতে বেশি এগিয়েছিল।
৩)বৌদ্ধদের অহিংসা নামক গোঁড়ামি।
৪)বৌদ্ধ ধর্ম অস্পৃশ্যতাকে বাড়িতে তুলেছিল। বৌদ্ধদের অস্পৃশ্যতা সম্পর্কে এই স্থলে কিছু না বললে অসম্পূর্ণ থেকে যায়। অশোকের উদাহরণ অনুসরণ করে শ্রীহর্ষ তাঁর রাজ্যে প্রাণীহত্যা বা মাংস ভক্ষণ নিষিদ্ধ করেছিলেন এইমত কিছু করলে প্রাণদণ্ডের বিধান চালু ছিল গুজরাতের জৈন রাজা কুমার পাল অনুরূপভাবে প্রাণীহত্যা বা মাংস ভক্ষণ করলে কঠোর শাস্তির বিধান চালু করেছিলেন।এই নিয়মের কোনও ব্যত্যয় হচ্ছে কি না দেখার জন্য গুপ্তচর নিয়োগ করেছিলেন।
একবার এক বণিক একটি ছারপোকা মেরেছিলেন বলে অনিলবাড়ায় ডেকে এনে তাঁর বিচার করা হয় ও সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়।একবার এক হতভাগ্য রাজধানীতে কাঁচা মাংস এনে রাজধানীর পবিত্রতা নষ্ট করেছিল বলে তাঁর প্রাণদণ্ড দেওয়া হয়।বৌদ্ধিক বা জৈন মতবাদ হিসেবে প্রাণদণ্ডটা অহিংসই ছিল বোধকরি ! উঁকুন মারার অপরাধে যে বণিকের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল – সেই সম্পত্তি বিক্রি করে জৈন আচার্যের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী লক্ষ টাকা ব্যয় করে এক স্মারক মন্দির নির্মাণ করা হয় ও সেই মন্দিরের নামকরণ করা হয় ‘জুক বিহার’ বা ছারপোকা বিহার।এইসব কিন্তু অন্য কোনও ধর্মাবলম্বী বা মতবাদধারীদের লেখা নয়-লিখে রেখে গিয়েছেন জৈন লেখকরাই।জৈন শাসনে চন্ডালদের শহরের বাইরেই থাকতে হত। ঘুঙুর বাঁধা লাঠি বহন করে পরিচয় দিতে হত ‘আমি চন্ডাল’।চৈনিক পরিব্রাজকদের ভাষায় অহিংস বৌদ্ধ ধর্মের উৎপাতে বুদ্ধগয়া,মৃগদাব,শ্রাবন্তী নগর,কুশীনগর,কপিলাবস্তু প্রভৃতি জনপদ একপ্রকার জনশূন্য হয়ে গিয়ে জঙ্গলাকীর্ণ হয়ে যায়। আশা করা যায় বৌদ্ধ ও জৈন মতের অহিংস মতবাদ সম্পর্কে সম্যক ধারণা দেওয়া গেল।

রাজা দাহিরের পরাজয়ের কারণ প্রত্যক্ষভাবে মহম্মদ বিন কাশিম হলেও পরোক্ষভাবে দায়ি ছিল ক্ষাত্রতেজ পূর্ণ দাহিরের সম্যক নির্বুদ্ধিতা। যদি সত্যিই তিনি বুদ্ধিমান হতেন,তাহলে জেনে থাকা বৌদ্ধ মতবাদ সম্পর্কে তিনি সাবধান থাকতেন আসলে তিনি ছিলেন মহা উদার এক ব্যক্তি।বৌদ্ধ দের হিংসা না করে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বহু জায়গায় ও দফতরে বৌদ্ধ নামক অহিংসবাদীদের নিয়োগ রেখে নিজের মৃত্যু গহ্বর নিজেই খুঁড়েছিলেন।তবে বিন কাশিমের বৌদ্ধ নিধনের পর বহু বৌদ্ধ বুদ্ধধর্ম পরিত্যাগ করে পুনরায় হিন্দুধর্ম গ্রহণ করেছিল স্রেফ বাঁচার আশায়, কারণ হিন্দু হলে কাশিম আক্রমণ করতে ভয় পেত বা এড়িয়ে যেত।
মুসলমান ও বৌদ্ধরা যখন মুখোমুখি হল,তখন বৌদ্ধদের নির্দয় অহিংসা সমভাবে ফিরে এলো তাদের দিকে প্রত্যক্ষ সহিংসা হয়ে।এবার বৌদ্ধদের উপর নির্দয় সহিংসা প্রয়োগ আক্ষরিক অর্থেই প্রয়োগ শুরু করল মুসলমানরা।বেশ কিছু বৌদ্ধ বাঁচার জন্য হিন্দুধর্মে আশ্রয় নিল,বেশ কিছু স্থান ত্যাগ করে চলে এলো উৎপত্তিস্থলে, অন্যরা ন্যাড়া মাথা নিয়ে ইসলাম কবুল করল।‌ অনেকেই বলে থাকেন ও মনে করেন ৭১২ খ্রিস্টাব্দে রাজা দাহিরের পরাজয় ও মৃত্যুর পর হিন্দু জাতির অবক্ষয়ের শুরু হয়। ধারণাটা একেবারেই সঠিক নয়।তখনও হিন্দু সমাজে ক্ষাত্রতেজ ছিল বেশ ভালরকম উঁচু মাত্রায়।

বিন কাশিমের সিন্ধু জয়ের পরও তিনশো বছরের মধ্যে হিন্দুরা সিন্ধুর এপারে মুসলমানদের এক পা’ও এগোতে দেয়নি বা আরব মুসলমানরা হিন্দুস্তানের মূল ভূমি চিনতেও পারেনি।এই তিনশো বছরের মধ্যে মুসলমানরা বাগদাদ থেকে ভূমধ্যসাগর,জিব্রাল্টার, পর্তুগাল, স্পেন,দক্ষিণ ফ্রান্সের দরজায় হানা দিয়েছে,এক একটা জাতিকে নিশ্চিহ্ন করেছে – ভারতকে কব্জা করতে পারেনি।অনেকেই হয়ত জিব্রাল্টার নামকরণের তাৎপর্য জানেন না।জিব্রাল্টার নামকরণের অর্থ হলো ‘জেড অল তারিক’ বা তারিক কর্তৃক বিজিত সমুদ্র দ্বার – সেই থেকে জিব্রাল্টার।

মুসলিম সেনাপতি তারিক বিন নুসায়ের কি শুধু বিজয়ে ক্ষান্ত ছিল ? শুধু জয় করেই ক্ষান্ত ছিল না তারিক।স্পেন ও পর্তুগালকে ইসলামে দীক্ষিত করে নিয়েছিল। পশ্চিম এশিয়া ও উত্তর আফ্রিকা পদানত করে ইসলাম গেঁড়ে দিয়েছিল অন্যান্য মুসলিম বাহিনী।আর তিনশো বছরের মধ্যে মুসলিমরা ভারত আক্রমণ করে ভারতীয় হিন্দু রাজাদের কাছে বেশ ভালরকম মার খেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। চিত্রের রাজা বাপ্পা রাওয়াল একবার সিন্ধু আক্রমণ করে সেখান থেকে মুসলিম শাসকদের হটিয়ে সিন্ধুকে নিজের রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করে নেন।এরপর আরবরা পূণরায় সিন্ধু আক্রমণ করে জয় করে নেয়।এরপর সুমের রাজপুতরা আবারও সিন্ধু জয় করে নেয় এবং সেই সাথে নিজেদের রাজসত্ত্বা দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেন।এরপর বহুকাল মুসলিম বাহিনী সিন্ধু প্রদেশে ঢুকরতে পারা তো দূরের কথা,চোখ তুলে তাকাতেও সাহস পায়নি। না,তখনও ক্ষাত্রছটা সম্পূর্ণ বিবর্ণ হয়নি।

যে সুলতান মাহমুদকে মুসলিম সমাজ নয়নমণি মনে করে,বামপন্থী ইতিহাসবিদগণ ইতস্ততঃ করতে করতে লুটেরা বললেও শৌর্যের প্রতীক বানাতে কার্পণ্য করেন না,সেই সুলতান মাহমুদ ১০২৬ খ্রিস্টাব্দে সৌরাষ্ট্রের বা বর্তমান গুজরাতের সোমনাথ মন্দির আক্রমণ করে। পঞ্চাশ হাজার হিন্দু সোমনাথ মন্দির রক্ষায় প্রাণ বিসর্জন দেয়।দুঃখের বিষয় সেই সময়ে হিন্দুদের মধ্যে বৌদ্ধ ও জৈন দর্শনের বেশ প্রভাব ঢুকে পড়েছিল।সোমনাথ মন্দির রক্ষায় নিরস্ত্র হয়ে মাহমুদ বাহিনীর হাতে কচুকাটা না হয়ে এই পঞ্চাশ হাজার হিন্দু যদি দেবতাকে উদ্ধারকর্তা না বানিয়ে একটা করে পাথরের টুকরো মাহমুদ তথা তাঁর বাহিনীর দিকে ছুঁড়ে মারত,তাহলে অদ্যকার দিনে ইতিহাসটা আমাদের অন্যভাবে পড়তে হত।ইতিহাসের ধারাটাই অন্যভাবে লিখতে হত ঐতিহাসিকদের।বামপন্থী ইতিহাসবিদরা মিথ্যা প্রচারণা করার জন্য এইমত নিষ্ঠুরতম ইতিহাসের মধ্যে যতটুকু হিন্দু উজ্জ্বল অধ্যায়,সেটুকুও বেমালুম চেপে গিয়েছেন। অন্তরালে থেকে গিয়েছে সেই গৌরবোজ্জ্বল পরের ইতিহাস।

(ক্রমশঃ)

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.