নদীয়া: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বলবৎ করার দাবিতে চাকদহে মতুয়া-উদ্বাস্তু মহাসমাবেশ

0
504

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন(CAA) পাস হওয়ার পরে প্রায় এক বছর হতে চললো। কিন্তু সেই আইন দেশে বলবৎ না হওয়ায় আইনের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ধর্মীয় কারণে সর্বস্ব হারানো হিন্দু শরণার্থীরা। উল্লেখ্য, এই শরণার্থীদের মধ্যে বিরাট সংখ্যক মানুষ সনাতনী মতুয়া সম্প্রদায়ের। ফলে আইন লাগু না হওয়ায় তাদের মধ্যে কিছুটা হলেও ক্ষোভ ছড়িয়েছে। সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটছে মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষদের একের পর এক মিছিল ও সমাবেশে।

কয়েকদিন আগেই নদীয়ার বগুলায় বিরাট সমাবেশ থেকে সনাতনী মতুয়া মনুষজন দেশে অবিলম্বে CAA আইন লাগু করার দাবি তুলেছিলেন। তারপরেই আজ ২২শে নভেম্বর, রবিবার ওই একই জেলার চাকদহের শিলিন্দায় আরও একটি উদ্বাস্তু-মতুয়া সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলো। দাবি সেই একই- দেশে অবিলম্বে CAA বলবৎ করতে হবে। হিন্দু উদ্বাস্তু-শরণার্থীদের নাগরিকত্ব সুনিশ্চিত করতে হবে। অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘের ডাকে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মতুয়া মনুষজন ডঙ্কা, নিশান ও কাঁসরসহ মিছিল করেন শিলিন্দা বাজারে। মিছিলে প্রচুর সংখ্যায় উদ্বাস্তু, শরণার্থী মানুষেরা ভিড় করেন। সকলের এক দাবি- দ্রুত নাগরিকত্ব আইন বলবৎ করে হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিতে হবে। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শ্রী শান্তনু ঠাকুর, ডাঃ মুকুটমনি অধিকারী এবং নদীয়া জেলার মতুয়া মহাসঙ্ঘের অন্যান্য নেতারা।

উল্লেখ্য, লোকসভা ভোটে হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন স্বয়ং মোদি। এমনকি ঠাকুরনগরে ঠাকুরবাড়িতেও গিয়েছিলেন তিনি। পরে CAA আইন পাস করে সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছিলেন। ফলে আশায় বুক বেঁধেছিলেন এ রাজ্যের লক্ষ লক্ষ হিন্দু শরণার্থীরা। কিন্তু এর বিরুদ্ধে দেশজুড়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলের বাধার মুখে আইন বলবৎ করার ক্ষেত্রে পিছু হটে মোদি সরকার। ফলে কিছুটা হলেও মতুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আর সামনেই একুশের বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিজেপি নেতৃত্ব যদি সেই ক্ষোভ প্রশমন না করতে পারে, তবে বিজেপির বাংলা জয়ের স্বপ্ন সহজ হবে না বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here