বীরভূম: খ্রিষ্টানিকরণ প্রতিরোধে শুরু হওয়া আদিবাসীদের দুর্গা পূজায় বস্ত্রদান হিন্দু সমাজ কল্যাণ সমিতির

0
392

লোভ ও ভয় দেখিয়ে খ্রীষ্টানীকরনের বিরুদ্ধে লড়াই চলছে 1888 সাল থেকে অর্থাৎ ভারত স্বাধীনতা লাভের অনেক আগে থেকেই। গত মহাপঞ্চমীর দিন বস্ত্রদানের মাধ্যমে হিন্দু সমাজ কল্যাণ সমিতি(HSKS) ময়দানে নামলো।
    1888 সালে ইংরেজ L.O. Scraps এখানকার আদিবাসীদের চরম দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে “ইন্ডিয়ান হোম মিশন ফর সানতালস” নামক মিশনের মাধ্যমে আদিবাসীদের খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত করছিলেন। সেই খ্রীষ্টানীকরনের চক্রান্তকে ব্যর্থ করে দিতে এই গ্রামের বীর আদিবাসী মানুষেরা একজোট হয়ে আছেন। তখন থেকেই এই লড়াইয়ের সাফল্যের জন্য মা দুর্গার পূজা করে আসছেন এবং মায়ের কাছে আশীর্বাদ প্রার্থনাও করেন। আপনারা আরো অবাক হয়ে যাবেন, এখানের মা দুর্গা ব্যাঘ্রবাহিনী এবং বলি দেওয়া হয় একমাত্র সাদা পাঁঠাকে । এখানে সাদা পাঁঠা হলো সাদা চামড়ার প্রতীক । অর্থাৎ খ্রীষ্টানরা ছিলো সবাই সাদা চামড়ার, সেই কারনে এই অশুভ শক্তিকে পরাভূত করার জন্যই এই সাদা পাঁঠা বলি দেওয়ার প্রথা শুরু হয়েছে। এই গ্রামের (শুলুঙ্গা  বীরভূম)অর্ধেক আদিবাসী মানুষেরা চক্রান্তের শিকার হয়ে খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছেন। বাকি আছেন মাত্র 100 টি পরিবার, যাঁরা এখনও নিজের ধর্মে অটল। কিন্তু এরা কতদিন আর এই অসম্ লড়াইয়ে টিকে থাকতে পারবে জানিনা! অনেক সময় অর্থের অভাবে এই দূর্গাপুজো বন্ধও হয়ে যায়। ওখানের স্থানীয় মানুষেরা HSKS কর্মীদের আরো বলেন, এইবছর দূর্গাপূজা করতে খুবই সুবিধা হয়েছে সরকারি অনুদান পাওয়ায় জন্য। এখানে অনেক মন্দিরের ছাদ নেই অর্থের অভাবে, সেই অবস্থায় চলছে পূজো। হিন্দুসমাজ কল্যাণ সমিতি(HSKS) পক্ষথেকে একশোটি(100) বস্ত্রদান করা হয়। যাতে আদিবাসী সম্প্রদায় তাঁর মহান হিন্দুআদিবাসী ধর্ম রক্ষা করতে ভরসা পান এবং যাতে এই উৎসবের দিন গুলি উৎসব মুখর হয়ে উঠতে পারে। আশেপাশের গ্রামগুলিতে ব্যাপকভাবে খ্রীষ্টানীকরনেরপ্রক্রিয়া চলছে বলে জানান এলাকার মানুষেরা। এই গ্রামেরই এক মহিলা সুষমা দি বললেন আপনারা যদি এই গ্রামে আর না আসেন এবং যোগাযোগ না রাখেন দেখবেন একের পর এক গ্রাম ধর্মান্তরিত হয়ে যাবে। কারন, আমরা একা আর লড়াই করে উঠতে পারছিনা।

হিন্দু সমাজ কল্যাণ সমিতির(HSKS) কার্যকর্তারা কথা দিয়েছেন, এই গ্রাম গুলোর সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রেখে চলবেন এবং মন্দির সংস্কারের কাজে যথাসাধ্য সাহায্য করবেন। এই প্রতিশ্রুতি শোনার পরে গ্রামবাসীরা খুবই খুশি হন এবং ধর্ম রক্ষার জন্য শপথ গ্রহণ করেন।এখানকার নায়িকা বাবা ( পূজারী) যিনি সাঁওতালি ভাষায় নিজের মতো করে পুজো করেন তিনি বললেন – যে জাতি ধর্ম ও সংস্কৃতি হারিয়ে ফেলে সে জাতি তাড়াতাড়ি নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। আমাদের এই দারিদ্রতার সুযোগ নিয়ে আমাদেরকে ধ্বংস করার চেষ্টা করে চলেছে কিছু খ্রিস্টান মিশনারী।  আপনারা আমাদের ধর্ম বাঁচানোর জন্য সহযোগিতা করুন

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here