কোথায় যায় মন্দিরের ট্যাক্সের টাকা? কুম্ভমেলার আয়োজন হিন্দুদের ওপর কোনো দয়া নয়

0
479

উদিত রাজ- যিনি পূর্বে বিজেপির সাংসদ ছিলেন, বর্তমানে কংগ্রেস নেতা। কংগ্রেস নেতা হওয়া মানেই হিন্দু বিরোধী বক্তব্য রাখা এবং জাতপাতের কথা বলে হিন্দু সমাজে বিভেদ সৃষ্টি করা অতি সাধারণ বিষয়। যে নেতা এরকম বলে না, সে খাঁটি কংগ্রেসি হতে পারে না এবং ইতালিয়ান আন্তোনিও মাইনো তাতে খুশিও হয়না। 

সেই একই চরিত্র ফুটে উঠেছে কংগ্রেস নেতা উদিত রাজের মধ্যে। 

আসামে সরকারী খরচে চলা মাদ্রাসা ও সংস্কৃত টোল বন্ধ করার উদাহরণ দিয়ে উদিত রাজের বক্তব্য:- সরকারি খরচে কুম্ভ মেলার আয়োজন বন্ধ করুক সরকার। কিন্তু এ প্রসঙ্গে একটি লক্ষ্য করার মতো বিষয় হলো এই যে, ওই কংগ্রেস নেতা সরকারি খরচে চলা উত্তর প্রদেশের মাদ্রাসা বন্ধ করার কথা একবারও বলেননি। কারণ একজন খাঁটি কংগ্রেসি কখনও মুসলিম তোষণের বিরুদ্ধে বলতে পারেন না। কারণ প্রথমে ইংরেজের দালালি এবং পরে মুসলিমদের জন্য দেশভাগ- এই দুটি কংগ্রেসের কুকীর্তি। 

কিন্তু উদিত রাজ হয়তো ভুলে গিয়েছেন যে, দেশের তামাম বড়ো বড়ো মন্দির সরকারের নিয়ন্ত্রণে। উত্তর প্রদেশও তাঁর ব্যাতিক্র নয়। প্রতি বছর উত্তর প্রদেশের সরকার মন্দির থেকে কোটি কোটি টাকা ট্যাক্স আদায় করে রাজকোষে জমা করে। ফলে সরকারি টাকায় কুম্ভমেলার আয়োজন করা সরকারের দায়িত্ব। ফলে সরকার কুম্ভমেলার আয়োজন করে হিন্দুদের ওপর কোনো দয়া করছে না। বরং হিন্দুদের মন্দির থেকে লুটে নেওয়া টাকা খরচ করছে সরকার। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, দেশের মন্দিরের ওপরই কেবলমাত্র সরকারের নিয়ন্ত্রণ আছে। মসজিদ, চার্চ কিংবা গুরুদ্বারার ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই। একবার ভাবুন, এটাই কি আমাদের মহান সংবিধানের সমানতা? 

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here