গণতন্ত্রকে হত্যা করে সংবিধানে Secular শব্দের অনুপ্রবেশ করিয়েছিলেন ইন্দিরা গান্ধী

3
1471

@ Hindu Voice Team

সংবিধানের ‛SECULAR’ ও ‛SOCIALIST’ শব্দ দুটি বাদ দেওয়ার দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে ইতিমধ্যেই। প্রকৃতপক্ষে এটি ভীমরাও আম্বেদকরের তৈরি সংবিধানের আদি রূপে ফিরিয়ে দেওয়ার একটা প্রচেষ্টা মাত্র। কারণ ভীমরাও আম্বেদকরের রচিত সংবিধানের খসড়ায় Secular ও Socialist – এই দুটি শব্দের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। পরে ১৯৭৬ সালে দেশে জরুরি অবস্থার সময় সংবিধান সংশোধন করেন ইন্দিরা গান্ধী এবং গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করে এই দুটি শব্দের অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছিলেন সংবিধানে। 

ভীমরাও আম্বেদকরের খসড়াকৃত সংবিধানকে এখনো পর্যন্ত ১০৪ বার সংশোধন করা হয়েছে। তাঁর মধ্যে বিজেপি সরকার এখনও পর্যন্ত ২০ বার সংবিধান সংশোধন করেছে। কিন্তু এর মধ্যে সবথেকে ন্যাক্কারজনক সংশোধনের ঘটনা ছিল ১৯৭৬ সালের কংগ্রেসের শাসনকালে। সেটা ছিল সংবিধানের ৪২ তম সংশোধন। গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করে, বিরোধী নেতাদের জেলবন্দি করে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব এনেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। তারপর সংবিধানে অনুপ্রবেশ ঘটে ধর্মনিরপেক্ষ ও সমাজবাদের। কিন্তু Secular ও Socialist কি গণতন্ত্রের পক্ষে উপযুক্ত? কারণ Secularism এবং Socialism প্রকৃতপক্ষে রাজনৈতিক মতবাদ। Secularism গণতন্ত্রের পক্ষে স্বাস্থ্যকর নয়। কারণ এটি সংবিধানের স্বাধীন ধর্ম আচরণের অধিকারকে খর্ব করে, যা সংবিধানের ২৫ নং ধারায় সুনিশ্চিত রয়েছে। এছাড়া, বাক স্বাধীনতার অধিকার যা সংবিধানের ১৯(১) (এ) ধারা প্রত্যেক ভারতবাসীকে অধিকার প্রদান করে, তাও খর্ব হয়। ফলে গণতন্ত্রের পক্ষে এই দুটি মতবাদ কখনোই কাম্য নয়। 

তবে ইন্দিরা গান্ধীর সময়কালের অনেক আগেই এই দুটি শব্দকে সংবিধানে ঢোকানোর অনেক প্রচেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু প্রতি ক্ষেত্রেই সেইসব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। ১৯৪৮ সালে অধ্যাপক কেটি শাহ প্রস্তাব দেন যে সংবিধানে “Secular, federal and Socialist Nation” কথাটি যুক্ত করা হোক। কিন্তু ১৫ই নভেম্বর সেই প্রস্তাব খারিজ করে Constituent Assembly। ওই বছর ২৫ নভেম্বর, আর একটি সংশোধনী প্রস্তাব আনা হয় যে সংবিধানে Secular শব্দটি যুক্ত করা হোক। সে প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়নি। তারপর একই বছর অর্থাৎ ১৯৪৮ সালের ৩রা ডিসেম্বর, আর একটি প্রস্তাব আনা হয় যে সংবিধানের ১৮নং ধারায় ‛Secular’ শব্দ যোগ করা হোক। কিন্তু সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে Constituent Assembly। কিন্তু ইন্দিরা গান্ধী গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করে, বাবাসাহেব আম্বেদকরের আদি সংবিধানে ‛Secular’ ও ‛Socialist’ এই দুটি বস্তুর অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছিলেন। 

(Image Credit – OpIndia)

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.

3 COMMENTS

  1. শুধু একটা দেশের সংবিধানে কেন ‘সেকুলারিজম’ থাকবে? থাকলে পৃথিবীর সব দেশের সংবিধানেই থাকতে হবে তা নাহলে কোনো দেশের সংবিধানেই থাকবেনা। এদেশে আমাদেরকে সেকুলারিজমের জাতাকলে পিশে শেষ করা হচ্ছে।

  2. Avatar It is nightmare situation that secularism has introduced in our country. But it is a fallacy and paradox for the nation. Our country divided according to religion,so the question of secularism is a suicidal aspect. This to be removed.

    A.Kundu

  3. Bhimrao Babasaheb Ambedkar, as I see Him, was A Demi+God. Creation by His Own hand can never be wrong. The Air, Ocean, The forest and the like all which are creation of God are for the good of the mankind. Any change to these may call in the total distruction human beings.

Comments are closed.