বেদ সম্পর্কে ধারণা- দ্বিতীয় পর্ব

0
59

© পন্ডিত সুভাষ চক্রবর্তী

(৮)

যজুর্বেদ(আলােচ্যমান)

২.শুক্লযজুর্বেদ:-

শুক্লযজুর্বেদের বাজসনেয়ী সংহিতা ৪০টিঅধ্যায়ে বিভক্ত। প্রতিটি অধ্যায় কয়েকটিঅনুবাকে, প্রত্যেক অনুবাক কতকগুলিকণ্ডিকায় বিভক্ত। সাকুল্যে(শুরুজুর্বেদে)বাজসনেয়ী সংহিতায় ৪০টিঅধ্যায়, ৩০৩টি অনুবাক ও ১৯১৫টিকণ্ডিকা রয়েছে। দর্শপূর্ণমাস নামকইষ্টিযাগ, পিতৃপিওযজ্ঞ অগ্নিহােত্রযজ্ঞ, সৌত্রামণীযাগ অশ্বমেধ্যজ্ঞের বিধানের সাথে সাথে পুরুষমেধ, সর্বমেধ ও পিতৃমেধ যজ্ঞের পূর্ণ বিবরণ রয়েছে এতে। শুক্লযজুর্বেদ সংহিতার ৪০তম বাশেষ অধ্যায় ঈশােপনিষদ নামে বিখ্যাত।

শুক্লযজুর্বেদের দুইটি সম্প্রদায় বা শাখারয়েছে–১. কাথ্থ শাখাভাষ্যকার-সায়নাচার্য২. মাধ্যন্দিন শাখাভাষ্যকার-মহীধরশুক্ল যজুর্বেদের বৈশিষ্ট্য:—-বৈদিক যজ্ঞে যজুর্বেদের পুরােহিত অধ্বর্যুর করণীয় কর্মের নির্দেশ আছে। যজু:-বেদের মন্ত্রগুলি গদ্যে নিবদ্ধ ও অতি সংক্ষিপ্ত। অধ্ব্যু এই বেদের সাথে সম্পূক্ত বলে যজুর্বেদকে অধ্বর্যু বেদও বলা হয়।এই বেদে একশব্দাত্মক/একবর্ণাত্মক মন্ত্র/মন্ত্রাংশ (স্বাহা,স্বধা,বষট, ওঙ্কার ইত্যাদি) ছাড়াও স্তুতি বা প্রার্থনামূলকমন্ত্র(যেমন– শিবের শতরুধর্মসাধনার ইতিহাসে প্রার্থনা/স্তুতিরউৎপত্তি, ক্রমবিকাশ এবং তাৎপর্য জানতে গেলে যজু:বেদ পড়তেই হবে। তাছাড়া,তৎকালীন সমাজে প্রচলিত চতুর্বর্ণ, অনুলােম-প্রতিলােম বর্ণ, জাতিভেদ, বর্ণভেদে বৃত্তির ব্যবস্থা ছাড়াশৈব ধর্মের উৎপত্তি ও প্রসারেরইতিহাসে শুর্লযজুর্বেদের গুরুত্ব যথেষ্ট।( পশুপতি, শ্ভু, শিব, শঙ্কর, কৃত্তিবাস, গিরিশ, শিতিকণ্ঠ, কপদী প্রভৃতি নামেরুদ্র অভিহিত হয়েছেন।মন্ত্র) দেখা যায়।

 (৯)

সামবেদ :–চার বেদের মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় হচ্ছে সামবেদ।সাম শব্দের অর্থ গান বা গীতি।সুরসহযােমমগে ঋক্ মন্ত্র গাওয়া হলে তাকে সামমন্ত্র বলা হয়।  ঋক্ বেদের পাদবদ্ধ ছন্দ: গুলিতে সুর সংযােগ করলেই তাসামে পরিণত হয়। সাতটি স্বর প্রয়ােগ করে বিভিন্ন সুরে বাদ্যযন্ত্র এবং কখনাে কখনাে ঋত্বিকদের স্ত্রীদের নৃত্যসহযােগে সামগানকরা হত। বৈদিক যুগে সংগীত ছিল যাগযজ্ঞের অঙ্গীভূত।সামবেদ সংহিতায় মােট ১৮১০টি(১৯৪৯টি?) মন্ত্রের মধ্যে ৭৫টি বাদে বাকিসবই ঋক্ বেদের মন্ত্র।যােনিমন্ত্র বলা হত (ঋক্সা ম্নাম্ যােনি:)।বলা হয়, সাম বেদের (দেশ-কালভেদে) সহস্র শাখা ছিল। কিন্তু ১৩টি মাত্র শাখার নাম জানা যায় (সত্যব্রত সামশ্রমীর মতে)। বর্তমানে মাত্র তিনটি শাখাপাওয়া যায়–১.কৌথুমীয়২.জৈমিনীয় ৩.রাণায়নীয়।কৌথুমীয় শাখাধ্যায়ীদের বাংলা ও গুজরাটে, জৈমিনীয়দের কর্ণাটকে এবংরাণায়নীয়দের মহারাষ্ট্রে দেখা যায়।

(১০)

সামবেদ (আলােচ্যমান):–সামবেদ সংহিতা তিন আর্চিকে বিভক্ত-১. পূর্বারচিক২. উত্তরার্চিক ৩.মহানান্নীঋক্ ও গানের সংকলনকে বলা হয়পূর্বার্চিক। এটি ৬টি প্রপাঠকে বিভক্ত। প্রতিটি প্রপাঠকে ১০টি করে সূক্ত আছে। এই ১oটি সূক্তের সংকলনকে বলা হয় দশতি। দশতিতিন ভাগে বিভক্ত—১.ছন্দ: ২.আরণ্যক ৩.উত্তরাউত্তরার্চিক নামে দ্বিতীয় খণ্ডে রয়েছে ৯টি প্রপাঠক,২১টি অধ্যায় ও ৪০০টি সাম।প্রতিটি সামে আছে ৩টি করেঋক্ ও প্রতি ঋকে আছে ঋক্-বেদের ৩টিকরে পদ(কোনাে কোনাে ঋকে ৩টিরবেশিও পদ দেখা যায়)। উত্তরার্চিকেরমন্ত্রগুলি প্রধান প্রধান যাগের পারম্পর্য অনুসারে সাজানাে হয়েছে।যেমন–দশরাত্র, একাহ, অহীন, সত্র, প্রায়শ্চিত্ত, ক্ষুদ্র। পূর্বার্চিক ৫৮৫টি যােনি ঋকের সমষ্টি। যোনিঋক-গুলি ৩ ভাগে বিভক্ত–১. ১থেকে ১১৪ যোনি অগ্নির,২. ১১৫ থেকে ৪৬৬ যােনি ইন্দ্রের ৩.৪৬৭ সংবৎসর, থেকে ৫৮৫ যােনি সােম-পবমানের উদ্দেশ্যে নিবেদিত।

(১১)

সামবেদ (আলোচ্যমান)যজ্ঞরত ব্রাহ্মণেরা ছয় শ্রেণীতে বিভক্তছিল-ঋক বেদীয় যাজ্ঞিক- হােতা(প্রধান), মৈত্রাবরুণ, অচ্ছা-বাক্, গ্রাবস্তুত। এঁরা ছন্দোবদ্ধ পদে এবং একটিমাত্র স্বরে( উদাত্ত) ঋক্-মন্ত্র পাঠ করতেন। সামবেদীয় যাজ্ঞিক উদগাতা(প্রধান), প্রস্তোতা, প্রতিহর্তা, সুব্রহ্মণ্য। এঁরা ঋক্মন্ত্রের উপর সুর-তাল-লয় এবং বিভিন্নবাদ্যযন্ত্র ও নৃত্য সহযােগে (ঋস্বিকদের স্ত্রীরা) গান করতেন। যজুর্বেদীয় যাজ্ঞিক- অধ্বর্যু(প্রধান), প্রতিপ্রস্তোতা, নেষ্টা, উন্নেতা। এঁরা আহুতিদ্রব্য প্রস্তুত করতেন, সােমরস ওঘৃতাদি যজ্ঞাপ্নিতে আহুতি দিতেন।অথ্ববদীয় যাজ্ঞিক-ব্রহ্মা (প্রধান উপদেষ্টা), ব্রাহ্মণা-চ্ছস্সী, অগ্নিপ্র ও হােতা। এঁরাসমগ্র অনুষ্ঠানের নির্দেশ দিতেন।রক্ষকবা রক্ষা পলাশ কাঠের বজ্র হাতে নিয়েযজ্ঞগৃহের দরজায় দাঁড়িয়ে অবাঞ্জিতকাউকে ঢুকতে বাধা দিত।সামবেদীয় ব্রাহ্মণ সাহিত্য :-সামবেদের ব্রাহ্মণগুলিতে বিভিন্ন যজ্ঞেকোন কোন সাম কোন সুরে গাইতে হবেএবং তার ফলশ্রুতি মূলককাহিনীর অবতারণা খুবই চমৎকার।ব্রাহ্মণ সাহিত্য ৮ভাগে বিভক্ত—-১.তাণ্ড্যমহাব্রাহ্মণ পঞ্চ-বিংশ/প্রৌঢ় ব্রাহ্মণ।২.সামবিধান।৩.মন্ত্রমহাব্রাহ্মণ/উপনিষদ ব্রাহ্মণ/ছান্দোগ্যব্রাহ্মণ।8.আর্ষেয়।৫. বংশ।৬.দেবতাধ্যায়।৭.জৈমিনীয়/তবলকার৮.সংহিতােপনিষদ্(তবল-কারের ৪র্থ কণ্ডিকা)(১২)
সামবেদ (আলােচ্যমান)উপনিষদ :–প্রধান উপনিষদ দুইটি–১. ছান্দোগ্য উপনিষদ২.কেনােপনিষদ(তবলকার)অপ্রধান উপনিষদ তিনটি—১.আরুণি উপনিষদ২.মৈত্রেয়ী৩.মৈত্রায়ণীসামবেদ (আলােচ্যমান)(সামিক সংগীত)সাম হচ্ছে মুখ্যত মন্ত্র যা গানে রূপায়িতহত। উদগাতারা বিশেষ বিশেষ বৈদিক ছন্দেসুরসহযােগে এই সব গান প্রচার করতেন।কিন্তু,এই উদগাতারাই সামেরস্ৰষ্টা নয়। বহু পূর্বে বিভিন্ন ঋষি বা বিশিষ্টব্যক্তিরা বিভিন্ন ঘটনা উপলক্ষ্যে ঋক্মন্ত্রাদি প্রত্যক্ষ করতেন এবংবিশেষ বিশেষ সুরে সেগুলিগাইতেন। এইভাবে অলৌকিক আখ্যানেরসাথে অলৌকিক সুর মিশে গিয়ে এই সামগান শিষ্য পরম্পরায় রক্ষিত হয়েছে। রক্ষিত এই গানগুলি হচ্ছে গ্রামেগেয় ওআরণ্যগেয় সামগান। গানেরদিক থেকে পূর্বাচিক দুভাগেবিভক্ত–১. গ্রামেগেয়২.আরণ্যগেয়পূর্বারচিকের শেষ ভাগে একটিক্ষুদ্র পর্ব আছে– যার নাম অরণ্যকাণ্ড। এই পর্বের মন্ত্র-গুলিকে বলা হয় মহানায্নী আর্চিক। আরণ্যগেয়ের গান-গুলি এই মন্ত্রগুলিকে ভিত্তি করেই রচিত।গ্রামেগেয় নামকরণ হলেও এগুলােকে লৌকিক গীত বলা যাবে না।লােকালয়ে বিবিধ ঘজ্ঞে, পূজার্চনায় এইসব গানের প্রয়ােগ হতাে।গৃহস্থ যাজ্ঞিকরা করতে পারতেন।আরণ্য- গেয়ের গানগুলি অরণ্যেরনির্জন স্বানে গুরুর কাছেবসে গাইতে হতাে। গ্রামেগেয়ে ও আরণ্যগেয় গানগুলিভাল সুরসমেত করা হতাে এবং এর সঙ্গে নানা স্তোভ যুক্তযজ্ঞে প্রয়ােগ হয়ে উদগাতাদের কণ্ঠে ধ্বনিত হয়ে বৈদিক সংগীতের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।উত্তরারচিকের অন্তর্গত উহ ওউহ্য গানগুলি রহস্যগান। এগুলি stanzaর মত ৩টি পদে গ্রথিত। গাইতেন উদ্গাতারা।উহগানের ত্রিপদী ম্ত্রের প্রথম পদটিবা কলিটি পূর্বারচিকের অন্তর্ভূক্ত ও মূল সুরও পূর্বারচিকের মতাে।সামগানে ৬টি স্বর ব্যবহৃত হতাে (সপ্তমস্বরের প্রয়ােগ হতাে না)। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিস্তারের ঢঙে শব্দগুলােকে প্রলম্বিত করা হতাে; মীড় ও গমকের কাজও কোন কোন ক্ষেত্রে থাকতাে। গাইবার সময়ে পদ্ছেদেবিরাম মানা হত। কিন্তু ছন্দ সম্বন্ধে বিশেষনিয়ম থাকলেও সেটা মানা সম্ভব হতাে না।গানে নানারকম উচ্চারণবিধি ছিল। স্বরছিল সাতটি–প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, মন্ত্র, অতিস্থার ক্রুষ্ট অতিস্বার, সপ্তম। সাম- গানের গায়ন সম্পর্কে বিশেষসহায়ক গ্রন্থ-নারদীয় শিক্ষা,পুষ্পসূত্রম, ঋকতন্ত্রম,সামতন্ত্রম, অক্ষর-তন্ত্রপূর্বারচিক বা উত্তরারচিকএর মন্ত্রগুলি (গান নয়,পাঠ্য)সাধারণত ৩টি স্বরে( উদাত্ত,অনুদাত্ত,স্বরিত) আবৃত্তি করা হতাে।সামগানে ৬টি স্বরের প্রয়ােগে একটিসাংগীতিক রূপ পাওয়া যেত। বৈদিক(সামিক) ও লৌকিক সংগীতের পার্থক্যবােঝার জন্য নারদীয় শিক্ষার ভূমিকাঅনস্বীকার্য। 

(১৩)
সামবেদ(আলােচ্যমান)

(সামিক সংগীত)প্রতিটি সামগানের সাথে যাগযজ্ঞ এবংকিছু না-কিছু আখ্যায়িকা জড়িত রয়েছে। এগুলি এই স্বল্পপরিসরে বলাসম্ভব নয়। তাছাড়া, কারা কারা এই গানে অংশগ্রহণ করতেন, কোন কোন বাদ্য-মন্ত্র ব্যবহৃত হত, নৃত্য বা তালবাদ্য ব্যবহার করা হত কিনা তা গবেষণা সাপেক্ষ। সামগানের পারিভাষিক শব্দ:—–সামমন্ত্রগুলি যজ্ঞ বা অর্চনাচলার সময় গাওয়ার একটাসাধারণ বিধি ছিল। এই গানকে বলা হতাে স্তোত্র—–গাইতেন উদগাতা। কয়েকটি স্তোত্র গানের জন্যএকত্রিত হলে তাকে বলা হতাে স্তোম। মন্ত্রের বিন্যাসকে বলা হতােবিষ্টুতি। একেকটি স্তোত্র সাধারণত ৩টি কলি বা মন্ত্রে গ্রথিত থাকতাে। প্রথম কলির নাম– প্রস্তাব গাইতেন — প্রস্তোতাদ্বিতীয় কলির নাম-উদ্ীথ(পূর্বে ওম্ শব্দ যােজিত হত) গাইতেন—-উদগাতা তৃতীয় কলির নাম-প্রতিহার(পূর্বে হূম্ শব্দ গাওয়া হতাে) গাইতেন— প্রতিহর্তাএরপর সকলে উচ্চারণ করতেন সামশব্দটি——এর নাম নিধন।আবার, কখনাে কখনাে সকলে একসাথেনিধন শব্দ উচ্চারণ করতেন না, সম্প্রদায় ভেদে পার্থক্য ছিল।যজ্ঞ ছাড়াও অন্য অনুষ্ঠানেএককভাবে সাম গাওয়া হত।তখন তা সম্পূর্ণ গানের মত হত।গান-অংশের ঔপপত্তিক দিকনিয়ে এর বেশি আলােচনা কাম্য নয়।কারণ, সংগীত যতটা ঔপপত্তিক তার চেয়ে অনেক বেশি ব্যবহারিক বিজ্ঞান হিসাবে গ্রহণযোগ্য।

(১৪)
অথর্ববেদ (অথর্বাঙ্গিরসবেদ)

চতুর্থ বেদ অথর্ববেদের প্রাচীন নাম-অথবাঙ্গিরসবেদ।অথ্বন এক শ্রেণীর অগ্নির উপাসক এবং অঙ্গিরস্ অর্থ অগ্নিযাজন। পুরাকালে মানুষ অথ্বন-কে ইন্দ্রজাল বিদ্যায়পারদর্শী বলে মনে করতােবলে রিষ্টি শান্তি, ব্যাধি -নিরাময়, অনাবৃষ্টি নিবারণ প্রভৃতি ব্যাপারে তাদের সাহায্য প্রার্থনা করতাে। পুনশ্চ, শত্রুর অনিষ্ট কামনায় মারণ, উচাটন ইত্যাদি অভিচারক্রিয়াকে বলা হতাে আঙ্গিরস। শুভ ও অশুভ উভয় বিদ্যাই(অথর্বন্ও আঙ্গিরস)যে বেদে আছে তাকে বলা হয় অথর্বাঙ্গিরস বেদ বা অথ্ববেদ। অথর্ববেদ সংহিতা ২০টি কাণ্ডে বিভক্ত। প্রতিটি কাণ্ড কয়েকটি প্রপাঠকে, প্রতিটিপ্রপাঠক কয়েকটি অনুবাকে, প্রতিটি অনুবাক্ কয়েকটি সূক্তে এবং প্রতিটি সূক্ত কতিপয় মনত্রে বিভক্ত। ২০টিকাণ্ডে ৩৮টি প্রপাঠক, ৯০টিঅনুবাক্, ৭৩১টি সূক্ত এবংপ্রায় ৬০০০ মন্ত্র রয়েছে। মন্ত্র-গুলির মধ্যে ছয় ভাগের পাঁচ ভাগ মন্ত্র পদ্যে এবং এক ভাগ গদ্যে রচিত।অথর্ববেদে পদ্যাত্মক মন্ত্রগুলি ঋক্-লক্ষণযুক্ত এবং গদ্যাত্মক মন্ত্রগুলি যজু:লক্ষণযুক্ত।১৫শ ও ১৬শ কাণ্ড গদ্যে রচিত। প্রাচীনকালে অথর্ব বেদের ২০টি শাখা ছিল। ১৪শ শতকে সায়নাচার্য ৯টিশাখার উল্লেখ করেছেন। বর্তমানে ২টি মাত্র শাখা পাওয়া যায়–১.শৌনকীয় ২.পৈপলাদ(কাশ্মীরিয়)(সমাপ্ত)

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here