৮ ই জুন- সন্দেশখালী হিন্দু গণহত্যার প্রথম বর্ষপূর্তি

0
248

আজ ৮ই জুন, ২০২০। ঠিক এক বছর আগে আজকের দিনেই উত্তর ২৪ পরগনার ন্যাজাট থানার অন্তর্গত ভাঙ্গিপাড়ায় খুন হয়েছিলেন তিন হিন্দু নেতা। সেদিন রাজনৈতিক সংঘর্ষের আড়ালে ওই হিন্দুদের হত্যা করা হয়েছিল। এক সেই ঘটনারএক বছর পূর্ণ হলো। আজ সেই মৃত হিন্দু বীরদের শ্রদ্ধায় স্মরণ করার দিন।

ঘটনার সূত্রপাত এক মুসলিম ব্যক্তিকে খুন করা নিয়ে। স্থানীয় কিছু মানুষের অভিযোগ ছিল কাইয়ুম মোল্লাকে খুন করা হয়েছে। কিন্তু কে বা কারা খুন করেছে, তা প্রমাণ হওয়ার আগেই প্রায় ১৫০০ সশস্ত্র জনতা ঘিরে ফেলে ভাঙ্গিপাড়া। ঘিরে ফেলা হয় প্রদীপ মন্ডলের বাড়ি। মুসলিম দুষ্কৃতীরা বাড়ি ঘিরে বোমাবাজি করতে থাকে। উল্লেখ্য, প্রদীপ মন্ডল পূর্বে হিন্দু সংহতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। তাকে বাড়ি থেকে টেনে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। ভেড়ির পাড়ে গুলি করে খুন করা হয় তাকে। খুব কাছ থেকে তাঁর বাম চোখে গুলি করা হয়। ওইদিন গুলিতে মৃত্যু হয় সুকান্ত মন্ডল, তপন মন্ডল। ওইদিন থেকে এখনও খোঁজ পাওয়া যায়নি দেবদাস মন্ডলের। কয়েকমাস পরে নদীর ধারে বস্তাবন্দি হাড়গোড় উদ্ধার করেছিল। তবে সেগুলি মৃত দেবদাস মন্ডলের কিনা, এখনো জানা যায়নি।

সেইসময় এই ঘটনা ঘিরে কম জলঘোলা হয়নি। অনেকেই এই ঘটনার নিন্দা করে বিবৃতি দিয়েছিলেন। কিন্তু এই ঘটনায় যার দিকে অভিযোগের আঙ্গুল উঠেছিল, সন্দেশখালীর বেতাজ বাদশা শাজাহান শেখের এখনও শাস্তি হয়নি। সেসময় হিন্দু সংহতির সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্য মৃত প্রদীপ মন্ডলের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। দেবতনু বাবু অভিযোগ করেছিলেন, ‛রাজনৈতিক সংঘর্ষের আড়ালে এলাকার অন্যতম লড়াকু হিন্দু নেতা প্রদীপ মন্ডলকে খুন করা হয়েছে’। দলিত-মুসলিম ঐক্যের ধ্বজাধারী নেতারাও এই ঘটনায় আশ্চর্যজনকভাবে নীরব ছিলেন। আজ সেই গণহত্যার বর্ষপূর্তিতে শ্রদ্ধায় স্মরণ করার সময় সন্দেশখালীর হিন্দু বীরদের।

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.