হিন্দু নবজাগরন আন্দোলন- প্রথম পর্ব

0
274

© জয় রাজ
পর্ব-১ 

কেন হিন্দু নবজাগরন আন্দোলন?

জিহাদ! গত হাজার বছরে বাঙ্গালী হিন্দু একে বুঝতে শোচনীয় ভাবে ব্যর্থ হয়েছে তারই পরিনামে তার সভ্যতা,সংস্কৃতি,ধর্ম,ঐতিহ্য সব কিছু ধ্বংস হয়েছে।চোখের সামনে দেখতে হয়েছে তার শতশত বছরের দেবালয়,বাস্তুভিটাকে ধূলিস্মাত হয়ে যেতে…..কন্যা,জায়া,জননীকে গনধর্ষিতা হতে।শুধু ইতিহাস নয়…এই আমাদের বর্তমান, এই আমাদের ভবিষ্যত!স্থির কিন্তু নিশ্চিত ভাবে হিন্দুর অস্তিত্ব সম্পূর্ণ মুছে যেতে চলেছে।এর শেষ পর্বগুলি নিঃসন্দেহে আসবে ব্যাপক কয়েকটি গনহত্যার মাধ্যমে যেমনটি হয়েছে ৮০টির অধিক গনহত্যা গত ৭০বছরে।এরই পরিনামে শতশত বছরের বাস্তুভূমি থেকে উচ্ছেদ হতে হয়েছে বাঙ্গালী হিন্দুকে।বিংশশতকের শুরুতে ভারতীয় উপমহাদেশের প্রেক্ষাপটে স্বার্বিক ভাবে অগ্রসর একটি জনগোষ্ঠী আজ সমস্ত দিক দিয়ে প্রান্তিক।ভয়ার্তপশুর মত বাঙ্গালী হিন্দু পশ্চিমবাংলায় যে শেষ আশ্রয়ভূমি গড়ে তুলেছিল তাও আজ চিরকালের মত বেদখল হতে চলেছে।এরপর কি?ধর্ম-ঐতিহ্য-আত্মপরিচয় বিসর্জন দিয়ে আরবদস্যুদের দাসে পরিনত হয়ে ঘৃণ্যজীবনে বেঁচে থাকা!পালিয়ে বাঁচার শেষভূমিও নেই!কোথায় যাবে বাঙ্গালী হিন্দু…..বঙ্গোপসাগরে!!!বাঙ্গালী হিন্দুকে বুঝতে হবে জিহাদ মানে সর্বাত্মক যুদ্ধ যা কখন থেমে থাকেনা। অজগরের মত ইসলাম সভ্যতাকে  ধীরে ধীরে গ্রাস করেই চলে। শুধুমাত্র হত্যা,ধর্ষন,লুন্ঠন,জবরদখল জিহাদ নয় ,জিহাদ হল ধর্মীয়,সাংস্কৃতিক,অর্থনৈতিক,সামাজিক এবং সর্বোপরি রাজনৈতিক সর্বগ্রাসী এক ভয়ঙ্কর আগ্রাসন যার শেষ পরিণতি অমুসলিমের অস্তিত্বকে একেবারে মুছে ফেলা।এই প্রক্রিয়া জারি থাকে নিরন্তর যাতে লিপ্ত প্রতিটি মুসলমান….এবং জিহাদের রসদ যুগিয়ে চলেছে হিন্দু তার অসীম মূর্খতায়!বাঙ্গালী হিন্দুর বর্তমান অবস্থাকে এককথায় বলা যায় সার্বিক গননির্মূলীকরন।বাংলাদেশে এর শেষ পর্যায় উত্তরপূর্বভারতে মধ্যপর্যায় আর পশ্চিমবাংলায় এর শুরুর পর্যায় চলছে।একদিকে অসংগঠিত বিপর্যস্ত হিন্দু সম্প্রদায় অন্যদিকে প্রবল  আর্থিক রাজনৈতিক রাষ্ট্রীয় ভাবে সংগঠিত ১৪০০ বছরের জিহাদের অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ আন্তর্জাতিক মদতপুষ্ট ইসলামী সমাজ।কোন বিচ্ছিন্ন স্বল্পমেয়াদী প্রয়াসে কিছু হবেনা।কোন দেবদূতের আকস্মিক আবির্ভাবে বা কোন জাদুতে উদ্ধার মিলবেনা।একমাত্র পথ  সামাজিক,ধর্মীয়,অর্থনৈতিক,সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে হিন্দুসমাজকে সমৃদ্ধ,সংগঠিত ও গতিশীল করা।ধর্মপ্রাণতা,আন্দোলনের জন্য ত্যাগবলিদান এবং সংগঠন প্রতিভা বাঙ্গালী হিন্দুর ঐতিহ্য।বাঙ্গালী চরিত্রের এই অসামান্য দিকগুলিকে চিন্হিত করেই এই আন্দোলন।হয় বাঙ্গালী   হিন্দু যুদ্ধের জন্য জাতি গঠনের পথে অগ্রসর হবে নয়ত ভয়াল ভয়ঙ্কর ভাবে বিনাশ হবে।আজ সময় এসেছে শেষযুদ্ধের।……
কিভাবে হিন্দু নবজাগরন আন্দোলন?
আমরা আমাদের আন্দোলনকে পাঁচটি দিকে পরিচালিত করতে পারি।প্রথমে আর্থিক ও সাংস্কৃতিক।কারন মানুষকে বৈষয়িক ও বৌদ্ধিক স্বশক্তিকরন সবার আগে জরুরী।তারপর সামাজিক,ধর্মীয় ও রাজনৈতিক আন্দোলন।এভাবে বাঙ্গালী হিন্দুদের ব্যক্তি,পরিবার ও সমাজ… মানবিক সম্পর্কের প্রতিটি স্থর সবল ও কর্মক্ষম হয়ে উঠবে।যেকোন আন্দোলনকে পরিচালনা করতে চাই অর্থ,পরিচালক এবং কর্মীবাহিনী।এই আন্দোলন অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী করতে হবে এবং কর্মীবাহিনীকে রোজগার দিতে হবে।
অর্থনৈতিক ভাবে কি হবে?

১) মুক্তবাজার অর্থনীতিতে সামাজিক আন্দোলন শিক্ষার জন্য ইজ্রায়েলের কিবুৎজের শিক্ষা গ্রহন এবং বাংলার মাটিতে অন্তত একটি কিবুৎজ গঠন যা বাংলার হিন্দুসমাজের কৃষি,শিল্প,শিক্ষা,সংস্কৃতি একটি মডেল হয়ে উঠতে পারে।আমাদের লক্ষ্য থাকবে বাঙ্গালী হিন্দুসমাজ যেন বিনিয়োগ কারীর সমাজে পরিনত হয়।প্রত্যেকে বিনিয়োগে উৎসাহিত করে নিশ্চিত আয়ের মাধ্যম করে দেয়া এবং ধীরে ধীরে সমগ্র বাঙ্গালী হিন্দুসমাজকে একসূত্রে বেঁধে ফেলা।আমরা অর্থনৈতিক আন্দোলনকেই লক্ষ্য রাখব কিন্তু মালিকানা ও শ্রমের ক্ষেত্রে স্থিতিস্থাপক দৃষ্টিভঙ্গি নেব। 

২) বাংলার হিন্দুশ্রমিকদের(প্লাম্বার, ইলেকট্রিসিয়ান, কার্পেন্টার প্রভৃতি) ডেটাবেস নির্মান, এ্যাপ ভিত্তিক ব্যবস্থায়  হিন্দুসমাকে আহ্বান করা হবে তাদেরই নিয়োগ করার মানসিকতা গঠন।

৩.পরিকল্পিত সামাজিক বিনিয়োগের জন্য জুইয়িস ন্যাসনাল ফান্ডের ধাঁচে হিন্দু ন্যাসনাল ফান্ড গঠন। ৪.সামাজিক পরিকাঠামো যেমন বিদ্যালয়, প্রশিক্ষনকেন্দ্র, বৃদ্ধাবাস প্রভৃতি নির্মান।কোনটিই বিনামূল্য চলবেনা।

৫.একটি সমবায় ব্যাঙ্ক গঠন এবং হিন্দুদের ক্ষুদ্র ঋণপ্রদান ও ব্যক্তিগত উন্নতিতে উৎসাহ।

সামাজিক ভাবে কি হবে?

হিন্দুর বিদ্যা,বুদ্ধি,সামর্থ্য থাকা স্বত্তেও সামাজিক সংহতির অভাবে শক্তিহীন।তাই আমাদের লক্ষ্য ব্যক্তি ও সমাজের মাঝে আদানপ্রদানের(সিমবায়োটিক)সম্পর্ক সৃষ্টি করা যেখানে ব্যক্তি একটি নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ,মানসিক ও দৈহিক যোগদান সমাজকে দেবে,অপরপক্ষে সমাজ তার শক্তি ও সামর্থ্য নিয়ে ব্যক্তিকে সহায়তা(শিক্ষা,স্বাস্থ্য,আইন,জীবিকা)ও রক্ষা করবে।১.হিন্দুসমাজের প্রতিটি সদস্যের তথ্য সংগ্রহ করে একটি ডিজিটাল ডেটাবেস তৈরী এবং তার ভিত্তিতে হিন্দুস্মার্টকার্ড বিতরন।এভাবে প্রতিটি হিন্দু বিরাট হিন্দুসমাজের সাথে যুক্ত হবে। আঞ্চলিক স্থরে জনগনের থেকে গৃহীত অর্থে আপৎকালীন তহবিল নির্মান,যা চিকিৎসা,আপৎকালীন শিবির ও আইনি সহায়তায় ব্যবহৃত হবে।

২.হিন্দুসমাজকে দুর্বল ও খন্ডিত করে রেখেছে জাত ও পদবী প্রথা।বীর সাভারকর জাতি প্রথার সম্পূর্ণ বিনাশ চেয়েছিলেন।কিন্তু গান্ধী-নেহেরুর কংগ্রেস….ভাগ কর এবং রাজত্ব কর…নীতি অনুযায়ী জাতি প্রথা দিয়ে হিন্দুসমাজকে দুর্বল করে রেখেছে।আমরা সামাজিক ভাবে ব্যাপক আন্দোলন করে এমন প্রবল জনমত সৃষ্টি করব যে ভারতসরকার আইনত জাত এবং পদবী প্রথাকে নিষিদ্ধ করবে।

৩.হিন্দুর আরেকটি দুর্বলতা নারীদের অবহেলা করা।রামমোহন,বিদ্যাসাগর প্রমুখ সমাজসংস্কারকদের প্রচেষ্টায় গত দুশ বছরে হিন্দুনারীরা অনেক প্রগতি করেছে।আমরা চাই হিন্দু ধর্মীয় কর্মকান্ড ও দার্শনিকতাতেও নারীরা অগ্রসর হক।এই লক্ষ্যে নারীদের জন্য বৈদিক অগ্নিহোত্র প্রশিক্ষন ও পৌরহিত্যে উৎসাহদান করা হবে।সামগ্রিক ভাবে নারী ও পুরুষের,পরিবার ও সমাজে সমমর্যাদার লক্ষ্যে নিরন্তর প্রয়াস চলবে।…এছাড়া বিবাহ প্রথাকেও সংস্কার করার গুরুতর প্রয়োজন রয়েছে।

৪আমাদের লক্ষ্য কেবল প্রাচীন দার্শনিক এবং কর্মকান্ডের উদযাপন নয় বরং সেইসাথে বিজ্ঞানমনস্ক যুক্তিবাদী সমাজ গঠন।সমাজে বিজ্ঞানচেতনা বৃদ্ধি করতে তৃণমূল স্থর থেকে বিজ্ঞান আন্দোলন করা হবে। হিন্দুজীবনকে আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত করা হবে।যেমন মরনোত্তর দেহদানকে হিন্দুসমাজের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা রুপে প্রবলভাবে প্রচার করা হবে।

৫.মুসলিম ও খ্রীষ্ঠান মহিলাদের ধর্মান্তরিত করে বিবাহ করতে হিন্দুযুবকদের আর্থ-সামাজিক উৎসাহ ও সুরক্ষা প্রদান,সামগ্রিক ভাবে হিন্দুসমাজকে নতূন সদস্যাদের প্রতি বন্ধুত্বপূর্ণ করা হবে।হিন্দুসমাজকে তার নতুন সদস্যাদের প্রতি সদাসতর্কও থাকতে হবে যাতে তারা বিশ্বাসের অমর্যাদা না করতে পারে। 

ধর্মীয় ভাবে কি হবে?

১.আদি শংকরাচার্য্য অদ্বৈত বেদান্তের ভিত্তিতে সামগ্রিক হিন্দুধর্মকে একটি যুক্তিবাদী কাঠামোয় ঐক্যবদ্ধ করেছেন।তারই পথে রামমোহন রায়,স্বামী বিবেকানন্দ,রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,শ্রীঅরবিন্দ আধুনিক বিশ্বমানবতার উপযোগী উদারতম বিশ্বধর্মের দিশা দিয়ে গেছেন।এই বিশ্বধর্মে কোন জাতি,কোন পন্থের প্রতি হিংসা বা দ্বেষ নেই।মানব মাত্রই তার ব্যক্তিগত পন্থমতবাদের গন্ডীতে থেকে হিন্দুধর্মালম্বীদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারেন এবং হিন্দুধর্মের বিশ্বজনীন সংস্কৃতির চর্চা করতে পারেন।আমরা চাই প্রতিটি হিন্দু এই মহান হিন্দু ঐতিহ্যের উপযুক্ত উত্তরাধীকারী হয়ে উঠুক।সরল বৈদিক উপাসনা,বেদান্ত দর্শন,যোগ,সংস্কৃত এবং আয়ুর্বেদ সম্মত জীবনশৈলী প্রতিটি হিন্দুর মাঝে পরিব্যপ্ত হক।প্রতিটি হিন্দু হয়ে উঠুক হিন্দুধর্মের ধারক ও বাহক।আমাদের কেন্দ্রীয় বক্তব্য অশিক্ষিত নয় প্রশিক্ষিত হিন্দু সমাজ।

২.হিন্দুদর্শনের এক আধুনিক,বিজ্ঞানমনস্ক ও যুক্তিবাদী সংযোজন হিন্দুত্ব।বীর সাভারকর এই দর্শন দ্বারা বর্তমান যুগের সংঘর্ষপূর্ণ পরিস্থিতিতে কিভাবে হিন্দুজাতি সংগ্রামশীল হতে পারে তার বিশ্লেষন করেছেন।হিন্দুত্ব হিন্দুধর্ম ও সভ্যতার বৈচারিক বর্মস্বরুপ।হিন্দুত্বের বিচার ধারাকে নিত্যস্মরনীয় এবং জীবনের সবক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হবে।

৩. হিন্দুসমাজকে সঠিক হিন্দুধর্ম শিক্ষা,চর্চা এবং রক্ষায় ব্রতী করতে একটি হিন্দুধর্মসংসদ গঠন করা হবে।যাতে বিভিন্ন আধ্যাত্মিক সংগঠনের প্রতিনিধি,সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং প্রমুখ হিন্দুত্ববাদী মনিষীগন যুক্ত হবেন।

৪. বিভিন্ন হিন্দুমন্দির আশ্রম প্রভৃতিতে আগত ভক্তদের মাঝে হিন্দুচেতনার প্রচার।সমগ্র হিন্দুসমাজকে একসূত্রে গ্রন্থিত করা।

৫.আমাদের সমগ্র কর্মকান্ড পরিচালনা করতে প্রতিষ্ঠা হবে আন্তর্জাতিক হিন্দু মন্দির। অর্থাৎ নির্দিষ্ট কোন পন্থের বক্তব্য প্রচার নয়।সামগ্রিক ভাবে হিন্দুসভ্যতার প্রতি শ্রদ্ধাশীলতা ও দায়বদ্ধতাই আমাদের শিক্ষনীয়।রাজনৈতিক ভাবে কি হবে?

ভারতে ২০১৪সালে কেন্দ্রে জাতীয়তাবাদী সরকার প্রতিষ্ঠার পর জাতীয় সুরক্ষার এক নবযুগ সুরু হয়েছে।রক্ষণাত্মক প্রতিরক্ষানীতি এখন আক্রমনাত্মক প্রতিরক্ষানীতিতে (অফেনসিভ ডিফেন্স)পরিনত হয়েছে।কিন্তু আমাদের বুঝতে হবে শুধু সীমান্তেই আমাদের শত্রু নেই দেশের ভিতরেও অল্পমাত্রার(লো ইনটেনসিটি ওয়ার) যুদ্ধ চলছে।সম্ভাব্য প্রচন্ড গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি রয়েছে এবং তা হবেও।এর সাথে লড়তে হিন্দুদের  প্রস্তুত করে তুলতে হবে।

১. বুথস্থর,বিধানসভা,লোকসভা স্থরে স্থায়ীপরিকাঠামো ও সমিতি গঠন করে ধারাবাহিক জনসংযোগ ও মাসমোবিলাইজেসন

২. সংগঠিত হিন্দু ভোটার কনসলিডেসন।

৩. হিন্দুদাবী সনদ গঠন এবং সরকারকে অবিহিত করা।

৪  জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রন,এনআরসি,নাগরিকত্ব বিল প্রভৃতির সপক্ষে জনমত গঠন।

৫ হিন্দুরাষ্ট্রগঠনে নিরন্তর প্রচার।

 সাংস্কৃতিক ভাবে কি হবে?

১. সংস্কৃতভাষাকে হিন্দুর আত্মপরিচয় রুপে শিক্ষা ও প্রচার।সংস্কৃত ভাষাকে ভারতের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতির দাবীতে লাগাতার আন্দোলন।প্রতিদিনের জীবনে সংস্কৃতকে আধুনিক রুপে বিকাশ করতে সংগঠিত প্রয়াস।

২. বুথস্থর থেকে দৈনিক যোগ শিবিরের আয়োজন।এর মাধ্যমে হিন্দুদের সামাজিক জমায়েতের অভ্যাস তৈরী হবে।

৩. সামাজিক সুরক্ষায় লাইট আর্মস ট্রেনিং বাহিনী গঠন। ৪. জিহাদ ও হিন্দুসমাজের অন্য শত্রুদের সম্পর্কে ধারাবাহিক প্রচার। ইয়াদ ভাসিমের ধাঁচে গনহত্যায় নিহত হিন্দুদের স্মৃতিমন্দির নির্মান। ৫. উপরের সবকয়টি কর্মসূচী প্রচারের জন্য পত্রিকা,ওয়েবসাইট,ওয়েবরেডিও ওয়েবচ্যানেল নির্মান। 
আন্দোলন কি আদৌ প্রয়োজন?জ্ঞান,বিজ্ঞান,দর্শন,শিল্পকলায় অতি উন্নত হয়েও হিন্দু জাতি শত্রুকে বুঝতে চায়নি।এই অজ্ঞতার জন্যেই প্রচন্ড বিপদে মাঝে জনগনকে তৈরী করতে পারেনি।একঅঞ্চল যখন ধ্বংশের আগুনে পুড়ছে অন্য অঞ্চলের হিন্দুরা উদাসীন থেকেছে ক্রমে সমগ্র ভারত একদিন পরাধীন হয়েছে।আজ যে বাঙ্গালী পূর্ববাংলা হারিয়েছে সে চোখের সামনে ধীরে ধীরে পশ্চিমবাংলাকে ইসলামের কবলে চলে যেতে দেখছে।সময় বড় কম…এখন না হলে আর কখন?

(ক্রমশঃ)

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.