রামের মন্দির নিয়ে সাধুসমাজে খেয়োখেয়ি

0
194

এক জনের নাম শুনলেই তেলেবেগুনে জ্বলে উঠছেন অন্য জন। নিন্দেমন্দ তো আছেই, ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’কে তাক করে বাদ যাচ্ছে না গালিগালাজও। এমনকি হত্যার চক্রান্তের অভিযোগও উঠছে! রামমন্দির নির্মাণের দাবিতে এত দিন কোমর বেঁধে লড়াইয়ের পরে এ বার তার চাবির দখল নিয়ে অযোধ্যার সাধুদের মধ্যে যুদ্ধ ক্রমশ তিক্ত হচ্ছে। 

তপস্বী ছাউনির মহন্ত পরমহংস দাসের অভিযোগ, রামমন্দির তৈরির দাবিতে তিনি জেলে গিয়েছেন, আমরণ অনশনেও বসেছেন। কিন্তু এখন মন্দিরের জন্য সরকারের গড়া অছি পরিষদে (ট্রাস্ট) তাঁর শামিল হওয়া রুখতে তাঁকে হত্যার চেষ্টা করেছে রামমন্দির ন্যাস। পরমহংস দাসের কথায়, ‘‘আমাকে হত্যার জন্যই লোক পাঠিয়েছিলেন ন্যাসের প্রধান নিত্যগোপাল দাস। তারা এসে ভাঙচুর চালিয়েছে। বাদ রাখেনি গালিগালাজও।’’ ন্যাসের সদস্য রামবিলাস বেদান্তী পরিষদের মাথায় বসতে চান বলেও অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

১৯৪৯ সালে বিতর্কিত জমিতে মূর্তি প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে নব্বইয়ের দশকে করসেবা— আগাগোড়া রামমন্দির আন্দোলনে জড়িয়ে থাকা বিশ্ব হিন্দু পরিষদ সমর্থিত ন্যাসের সদস্য বেদান্তীর পাল্টা দাবি, ‘‘রামমন্দির নির্মাণের সমস্ত কৃতিত্ব একাই ঝুলিতে পুরতে চান পরমহংস। সেই কারণে আমাকে, নিত্যগোপালকে এবং (উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী) যোগী আদিত্যনাথকে বদনাম করতে এই সব অপবাদ দিচ্ছেন, চক্রান্ত করছেন।’’

ঘটনার জল এত দূর গড়িয়েছে যে, তপস্বী ছাউনি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে পরমহংসকে। শোনা যাচ্ছে, এখন বারাণসীতে বসে নতুন করে ‘ঘুঁটি সাজাচ্ছেন’ তিনি।

We are not big media organisation. Your support is what keeps us moving. Don't hesitate to contribute because, work, for society needs society's support. Jai Hind.